এর শাস্তি পাবে মানুষ, তাই তো করোনার জন্য এমন শাস্তি পেয়ে চলেছে

0
wounded elephant
এর শাস্তি পাবে মানুষ কেরালাই এই নৃশংস হত্যার জন্য

হাজার সাংবাদ ডেস্ক: আবার নৃশংস হত্যা মানব জাতির কাছে লজ্জার একটা বিষয় হয়ে উঠেছে। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম জীব যারা পরিকল্পনা করে এইরকম নৃশংস হত্যা করতে পারে। অন্য কোনো প্রাণী জাতি অনেকটাই বোকা এইসবের জন্য। এই হত্যা এত নৃশংস এবং পরিকল্পনা মাফিক হত্যা হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে যদি সে জানতে পারত তাহলে বোধ হয় তাকে প্রাণ হারাতে হতো না, তার সাথে সাথে আরেকটা প্রাণ বেঁচে যেত। এই পৃথিবীতে সেই শ্রেষ্ঠতম জীবই বোধহয় সবথেকে নির্মম না আছে মনুষ্যত্ব না আছে মানবিকতা।

এই খুনের বিরুদ্ধে খুনিদের যথেষ্ট শাস্তি দেওয়া হোক। কখনো কখনো কিছু কিছু মানুষ রাগে-ক্ষোভে বলে উঠছে তাদেরকে ফাঁসি দেওয়া হোক। বলিউডে বিরাট কোহলি থেকে দেশের সবাই এই নির্মম অত্যাচারের সঠিক সাজা পাক তারা বলে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে।

২৭-এ মে কেরালা মালপ্পুরম এই ঘটনাটি ।অবিবেচক মানুষের নির্মম নিষ্ঠুরতা এবং অত্যাচারের মাশুল গুনতে হচ্ছে এক অন্তঃসত্ত্বা হাতিকে। জঙ্গলে খাবার না পাওয়ায় খাবারের খোঁজে এসেছি। সেই হাতিটি এলাকার মধ্যে ঢুকে পড়া হাতের দিকে আনারস খেতে দেওয়া হয়েছিল সেই আনারস এর মধ্যে প্রচুর পটকাবাজি সাজিয়ে রাখা ছিল মুখের মধ্যে নিতেই ফেটে গেল আনারস টি। তার সাথে নষ্ট হলো হাতির সুর এবং পেট ক্ষতিগ্রস্ত শুর এবং পেট জ্বালা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি করতে কাছাকাছি ভেলিয়ার নদীর জলে নামলে হস্তিনীটি। অনেকক্ষণ ধরে শুর জলে ডুবিয়ে রাখার পরেও জ্বালা-যন্ত্রণা কমছিল না।

বন বিভাগের একজন সদস্য মোহন কৃষ্ণন তিনি জানান সেই সময় কিন্তু সে কোন মতেই উপর আসেনি সে বোধহয় জানতে পেরেছিল সে আর বাঁচবে না তারপর বিকেল চারটে নাগাদ হাতিটি মারা যায় তারপর লরিতে তুলে তাকে ময়নাতদন্ত করা হয় তখনই জানা যায় হাতিটি অন্তঃসত্তা ছিলো। নিয়ম মেনে তার সৎকার করা হয়। সেই হস্তিনী কে। মানেকা গান্ধী এই ঘটনাকে বলেছেন মালপ্পুরম এইরকমই একটা জায়গা যেখানে রাস্তাতে একবার বিষ ছড়িয়ে ৬৫০ পশু পাখি প্রাণ হারিয়েছিল এর আগে। আর এবার এক হস্তিনী। বেশ কিছু দিন আগেও এক হাতির মুখে ক্ষতের দাগ দেখে বনবিভাগের সদস্যরা চিতিৎসা ভালো করে তুললেও হাতিটাকে বাঁচানো যাই না।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন