চোখের ক্ষতি হচ্ছে! ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জার্নি কমলেও চোখের অপর সমস্যা হচ্ছে অনেক বেশি

0
work from generate a issue for human body

হাজার সংবাদ ডেস্ক: যে সমস্ত মানুষ এখনও ওয়াক ফ্রম হোম পরিষেবার মাধ্যমে কাজ করছে সেই সমস্ত মানুষের শারীরিক অবস্থার সাথে সাথে অনেক বেশী ক্ষতি করছে। তারা তাদের নিজেদের চোখের অযত্ন করছে কারণ এখনও আমাদের অনেক সময় কম্পিউটার সামনে বা একটা ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার বসে থাকি। সেই কম্পিউটারের সামনে কনস্ট্যান্ট চোখ দিয়ে রেখেছে বহু মানুষ। আর তার জন্যই চোখের সমস্যা অনেক বেশী বাড়তে পারে। শুধু চোখের সমস্যা নয় তার সাথে আসতে পারে চোখের এলার্জি এবং রেটিনাতে জল শুকিয়ে যাওয়ার মতো বেশ কিছু সমস্যা। এই সমস্যা গুলো খুব ছোটখাটো তা নয় এই সমস্যাগুলো থাকতে-থাকতে একটা সময় চোখের উপরে ও ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। আর তাতে মানুষের অনেক বেশি কষ্ট তার কারণ চোখ মানুষের কাছে সূক্ষ্ম একটি বস্তু। বাড়িতে বসে যারা কাজ করছে তারা এখন অনেক বেশি খাটতে হচ্ছে। এই সমস্যার জন্য কারণ যে সমস্ত মানুষের চোখের সমস্যা অল্প ছিল। তার অফিসে গিয়ে কম্পিউটার ল্যাপটপের কাজ করতো তারা এখন বাড়িতে বসে পুরো 12 ঘন্টা ডিউটি করছে। এই মেশিনের দিকে তাকিয়ে তাতে মানুষের চোখের সমস্যার চেয়ে অনেক বেশি ডিজিটাল ইন্ডিয়া কথাটি শুনতে ভাল লাগলেও। মানুষের পরিশ্রম শুধু হচ্ছে তা নয় তার সাথে সাথে মানুষের চোখ নষ্ট করছে সাধারণ মানুষ।

প্রত্যেকদিন এর পরিস্থিতি আলাদা আলাদাভাবে মোকাবিলা করতে হয় মানুষের মধ্যে সেই অভিব্যক্তি রয়েছে। কিন্তু অভিযোজন প্রক্রিয়া থাকলেও মানুষ কতটা সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারবে সেটাও স্বাভাবিক নয়। তবে মানুষ অভ্যাসের দাস একের পর এক প্রত্যেকটা পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে প্রত্যেকটা মানুষের কাজ চলে যায় অবস্থা হয়েছিল কিন্তু তারপর নিয়ম অনুযায়ী পরিষেবা চালু হলো কিন্তু মানুষের তাতে শারীরিক পরিশ্রম কম হলেও মানুষের মানসিক অবস্থা অনেক বেশি শোচনীয় হয়ে উঠেছে। শুধুমাত্র তার ওপর যেভাবে ছাপ পড়তে চলেছে তার সাথে সাথে অনেক বেশি চাপ পড়ছে মানুষের চোখের ওপর তাই প্রত্যেকটা মানুষের দরকার চোখের জন্য বেশকিছু এক্সেসাইজ করা।

তাই যারা বাড়িতে বসে কম্পিউটারে কাজ করছেন। তাদের দরকার চোখের এক্সেসাইজ ধরুন আপনি সারাটাদিন চোখের যত্ন নিতে পারছেন না। কিন্তু তাও চেষ্টা করবেন ৫ থেকে ৭ বার যাতে। আপনি চোখে একটু জল আটকাতে পারেন অর্থাৎ ঠান্ডা জলের তাতে অনেক বেশি চোখ ভালো থাকবে এবং কম্পিউটার এর দিকে তাকিয়ে থাকলেও আপনি চেষ্টা করবেন। আরো কম সময় ধরে কম্পিউটার দিকে তাকিয়ে থাকা এবং কম্পিউটারে দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে মাঝে মাঝে সবুজ জিনিস দেখুন সবুজ চোখের মধ্যে আরামদায়ক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে এবং আপনি যে কোনো ডাক্তারের পরামর্শ নিলে কথাটা আপনাকে বলবে তাই কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে থাকুন।
কিন্তু যখন আপনার কাজটি একটু কম আছে আপনি তখন গাছপালার দিকে তাকান কিন্তু অন্যদিকে তাকিয়ে থাকুন কিংবা খানিকক্ষণের জন্য চোখটা একটু বন্ধ রাখুন তাতে আপনার চোখের একটা এবং প্রত্যেক দিন আপনি নিয়ম করে চোখে ৫ থেকে ৭ বার জলের ঝাটকা। তাতে আপনার চোখে অনেক বেশি ব্যায়াম হবে আপনার চোখের ব্যায়াম এর খুব দরকার। চোখের ব্যায়াম মানে এই নয় অনেক বেশি কিছু করতে হবে। আপনি কম্পিউটারে কুড়ি মিনিট তাকালেন এবং সেখানে হলেও আমি সবুজ পাতার দিকে তাকিয়ে থাকলেন। সেই চোখের আরামটা আপনি নিজে একটা সময় অনুভব করতে পারবেন আপনি বেশ কিছুদিন নিয়ম মেনে চলে দেখুন তাতে আপনার অনেক বেশি সুবিধা হবে এবং আপনি অনেক বেশি ফল পাচ্ছেন মনে করবেন এবং যাদের চোখে সমস্যা আছে তাদের কথা তো বলতেই নেই।

তার কারণ তাদের যারা চোখের সমস্যায় ভুগছেন তাদের রেটিনার সমস্যা তো অবশ্যই আসবে কারন আপনারা সারাক্ষণ মেশিনের মধ্যে কম্পিউটারের মধ্যে চোখ দিয়ে থাকছেন আর তখন অনেক বেশি সমস্যা আসতে পারে। তার জন্য আপনি চোখটা খানিকক্ষণ বন্ধ রাখুন এবং এলার্জি যদি থেকে থাকে কারণ অনেকক্ষণ মেশিনে তাকিয়ে থাকলে চোখে যাদের অ্যালার্জি আছে। বেশ কিছুক্ষণ চুলকাতে থাকে তারা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ চলে গেলে আপনার কাজ শেষ হয়ে যাবে তাই আপনার সবার আগে দরকার নিজের চোখের চিকিৎসা করানো এবং নিজের চোখের জন্য অনেক বেশি ট্রিটমেন্ট করানোর।

যেখানে আপনি অনেক ভাল থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন শরীরটাকে বাঁচানোর সাথে সাথে আপনার চোখটাকে অনেক বেশি বাঁচাতে হবে এবং অবশ্যই আপনি এটা একটা ছোট্ট ট্রিক্স বলতে পারেন। আপনি মেশিনে সামনে কিংবা রিফ্লেকশন কম হওয়ার মতো কোনো একটা প্রটেক্টর রাখুন। আই প্রটেক্টর হিসেবে আপনি আপনার চশমা বানান এবং কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ স্ক্রিনের উপরে আপনি একটা আই প্রটেক্টর বসিয়ে নিন। তাতে আপনার চোখে লাইট কম হবে এবং চোখের সমস্যাটা অনেকটা কমবে তার সাথে সাথে আপনি এই নিয়মগুলো মারলে অবশ্যই আপনি ভালো থাকবেন এবং আপনার চোখকে বাঁচান চকবাজারে। আপনি নিজে অনেক কিছু করতে পারবেন কিন্তু মানুষের জীবনের চোখ হচ্ছে একটা অমূল্য রত্ন তা কখনো হারাবে না আপনি অবশ্যই যত্ন নিন আপনার চোখে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন