কোভিড পরিস্থিতিতে অনাথ শিশুদের উপর তৎপর ভুমিকায় স্বাস্থ্যভবন! অনাথ বাচ্চাদের দেখভালের দায়িত্ব কাদের?

0
Who will take care of the orphaned children in Covid situation
অনাথ বাচ্চাদের জন্য এগিয়ে সরকার

হাজার সংবাদ ডেস্ক: কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে কুপোকাত মানুষ আর তৃতীয় ঢেউ আসার আগে সবাই অনেক বেশি সচেতন হচ্ছে। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে অনেক বেশি সচেতনতা গ্রহনে ভুমিকা নিচ্ছে সাধারণ মানুষের জন্য। তবে এবার স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে নজর পরেছে অনাথ শিশুদের ওপর। যে সমস্ত অনাথ বাচ্চা রয়েছে কোভিড পরিস্থিতিতে তাদের দেখভালের দায়িত্ব কাদের? তারা যদি কোভিদ আক্রান্ত হয় তাদেরকে দেখাশোনা করবে নার্স। তাদের তৎপরতা দায়িত্ব নেবে কে? তা নিয়ে এবার খোলসা করে রায় দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।

এই পরিস্থিতিতে অনাথ কিশোর-কিশোরীদের করোনা পজেটিভ থাকলে সেই সমস্ত শিশুদের দেখভালের দায়িত্ব কাদের? যারা বাবা-মা হীন হয়ে রাস্তায় ফুটপাতবাসী হয়ে রয়েছে তাদের দেখাশোনার দায়িত্ব নেবে কারা? তা নিয়ে অনেক প্রসঙ্গে কথা বলেছে স্বাস্থ্য ভবন। স্বাস্থ্য ভবন এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে কোভিড ওয়াদিয়ররা দেখভালের দায়িত্ব নেবে।

তাই কোভিদ পরিস্থিতিতে ডাক্তার নার্স এদের যেমন আলাদা ভাবে ট্রেনিং করানো হয়েছে একইভাবে এই কোভিদ পরিস্থিতিতে সমস্ত নার্স ট্রেনিং নিচ্ছে। সেই সমস্ত ট্রেনিং ব্যবস্থা শুরু হয়েছে অনলাইন মাধ্যমে। ভার্চুয়ালি ট্রেনিং নিতে পারবে এর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে অনেক আইসিইউ। তার সাথে এইচডিইউ যে সমস্ত যন্ত্রাংশ এবং কৃত্রিম সমস্যা রয়েছে সে সমস্ত সমস্যা গুলো খুব তাড়াতাড়ি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। আইসিইউ বাড়ানো হচ্ছে এবং আইসিইউতে কিভাবে তাদেরকে ট্রিটমেন্ট করা হতে পারে সেই ব্যবস্থা সেখানে সেই প্রশিক্ষণ শেখানো হচ্ছে নার্সদের কে এবং সবথেকে বেশি যেটা দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রত্যেক বাড়িতে ১৪-১৮ বয়সী বাচ্চাদের বা কিশোর কিশোরীরা অসুস্থ রয়েছে তাদেরকে নির্বাচন করবে অঙ্গনারী এবং আশা কর্মীরা। তবে যে সমস্ত নার্স ট্রেনিং প্রাপ্ত এবং জেলা পরিষদের যারা রয়েছে বা যারা এখনো ট্রেনিং নিচ্ছে সরকারি হাসপাতাল গুলোতে তাদেরকে দিয়েও এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

সঠিকভাবে চিকিৎসা এবং সঠিক সেবাতে সুস্থ হয়ে উঠতে হবে অনাথ বাচ্চাদের কারণ তাদের বাবা-মা নেই বলে তারা হেলাফেলা নয়। তাদের কে চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে যথাযথ পরিচর্যার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেখান থেকে বিভিন্ন অনাথ এবং ফুটপাতবাসী তা ছাড়াও বিভিন্ন বাচ্ছা জাদের তাদের বাবা-মা নেই তাদের কোনো সমস্যা হলে তাহলে তার জন্য আগে থেকে অনেক তৎপরতা নিতে হবে এবং তাদের আগে থেকে অনেক মেডিসিন ও দিতে হবে। তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আশা কর্মী এবং অঙ্গনারী।

ঠিক একইভাবে যদি তারা কোভিদ পজেটিভ হয় তারা হাসপাতলে আসার পর পুরোপুরি দায়িত্ব এবং দেখভাল করবে হাসপাতালে নার্স এবং চিকিৎসকরা। তবে চিকিৎসকদের থেকে ওখানে নার্সদের ভূমিকা অনেক বেশি এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধা সবকিছুই দেখাশোনার দায়িত্ব রয়েছে সেই হাসপাতালে নার্সদের ওপর। তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা আইসিইউ বাড়ানো এইচডিইউ সেন্টারগুলোতে যন্ত্রাংশ বাড়ানো এবং সেখানকার মেনটেনেন্স এর প্রত্যেকটা পরিস্থিতিও শেখানো হচ্ছে এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে।

মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক এর ওপর রয়েছে এই দায়িত্ব তিনি এই প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নিয়ে সমস্ত নার্সদের এই প্রশিক্ষণ দেবে অনলাইন মাধ্যমে। তবে সেখানে আরো অনেকেই রয়েছে তবে তার মধ্যে রয়েছেন তিনি হলেন মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক। তবে স্বাস্থ্য ভবন আশাবাদি করোনা পরিস্থিতি তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই অনাথ শিশু এবং বাচ্চারা সঠিক ট্রিটমেন্ট পাবে। প্রত্যেক বাড়িতে থাকা সদ্যজাত সন্তান বা শিশু থাকলে তাদের আগে থেকে চিকিৎসা করান উছিত এবং তাদের ভ্যাকসিন জন্য খুব তারতারি তৎপর ভুমিকা নেবে সরকার। দ্বিতীয় ঢেউইয়ের থেকে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর হতে পারে তৃতীয় ঢেউ তবে তা অনেক বেসি প্রভাব ফেলতে পারে বাচ্চা দের উপর।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন