সুশান্তের বডি পোস্টমর্টামে নিয়ে যাওয়ার পর ৪৫ মিনিট ধরে মর্গে কি করছিলেন রিয়া? নাম উঠেছে আরও কয়েকজন অভিজুক্তের

0
What was Rhea doing in the morgue after taking Sushant's postmortem?
অভিজুক্ত রিয়া এবং সন্দীপ সিং

হাজার সংবাদ ডেস্ক: সুসান্ত সিং এর মৃত্যু প্রায় দুই মাসের বেশি হয়ে গেছে। এরপরেও সিবিআই তদন্তের কাছে কেস আবার রিট্রাইভ হয়েছে। নতুন করে বহু তথ্য এসেছে সামনে এবং পুরানো সমস্ত ভিডিও সামনে নিয়ে এসেছে বিভিন্ন নিউজ চ্যানেল। তারাও জানিয়েছে বিভিন্ন বার্তা এবং রিয়া চক্রবর্তী ও আরো বেশ কয়েকজন অভিযুক্তদের ওপর তুলেছে নতুন প্রমাণ। ময়না তদন্তের সময় কেন 45 মিনিট মর্গে ছিল রিয়া তা নিয়েও জানতে চেয়েছে বহু মানুষ। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তর থেকে প্রশ্ন উঠেছে এই নিয়ে। যে একটা নিষিদ্ধ এলাকায় কি করে সাধারন একটা মানুষ থাকতে পারে।

যখন সুসান্ত সিং কে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ময়না তদন্তের জন্য ঠিক সেইসময় কেন রিয়া চক্রবর্তী 45 মিনিট ছিল, এই মর্গে থাকার কারণ কি? এটা শুধুমাত্র তাদের দ্বারাই সম্ভব যারা ছিল প্রভাবশালী তাহলে কি কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছে এর পেছনে। নাকি অন্যকিছু তাহলে একটা নিষিদ্ধ এলাকায় কিভাবে রিয়া চক্রবর্তী গেল এবং সেখানে 45 মিনিট কাটিয়ে বাইরে এসেছিলেন। পোস্টমরটামে নিয়ে যাওয়ার পর 45 মিনিট পরে বেরিয়েছিলেন চক্রবর্তী। সেই ভিডিও ফুটেজ সামনে এসেছে বহুবার। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ভিডিও চালিয়ে দেখেছেন সেই ভিডিওতে জানানো হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সুশান্ত সিং মৃত্যুর তদন্ত করবে সিবিআই! এই মামলায় আরও কিছু নয়া নির্দেশ জাড়ি করেছে সুপ্রিম কোর্ট

আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে সেই ভিডিওতে। এবার সুশান্তের প্রিয় বন্ধুর নামে অভিযোগ জানিয়েছে বহু মানুষ। তারা জানিয়েছে এবং তাদের সেই সংবাদমাধ্যম থেকে ও বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ধরেছে সিবিআই তদন্তের কাছে। তারা জানিয়েছে যে এ বিষয়ে তদন্ত করুক সিবিআই। যে কিনা সুশান্তের অতি ঘনিষ্ঠ একজন বন্ধু ছিলেন অর্থাৎ সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ডে সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন সন্দীপ সিং। যে হথাত সুশান্ত সিং এর মৃত্যুর চার পাঁচ দিন পরে জানিয়েছিল সে যথেষ্ঠ কষ্টে আছে এবং সেই কষ্ট নিতে পারছেন না সন্দীপ এবং তিনি চান সে যেন ফিরে আসুক সুশান্ত।

সেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু হঠাৎ করে কেন সুসান্ত সিং এর ময়নাতদন্তের দিন যখন এম্বুলেন্স বেরিয়ে আসছিল ঠিক সেইসময় কেন বন্ধু সন্দীপ সিং পুলিশকে থামস আপ দেখেছিল। তাহলে কি আদৌ কোন একটা কঠিন কাজ করে সফল হয়েছিল তার জন্যই নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে এর পেছনে। যদি প্রিয় বন্ধু মারা যায় সেই প্রিয় বন্ধুর জন্য কখনোই মৃত্যুশোকে থামসাপ দেখানো সম্ভব ছিলনা পুলিশকর্মীদের। কারণ মানসিক মনের অবস্থা যদি খারাপ হয়ে থাকে তাহলে কেন সেই থামস আপ দেখান। হাসিমুখে সেই থামস আপ দেখিয়েছিলেন সন্দীপ সিং। আদবে কি সত্যি তাহলে সন্দীপ সিং জড়িয়ে রয়েছে এই আত্মহত্যার সাথে।

এছাড়াও আরও একটি তথ্য নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে যেটি হল অভিনেতার মৃত্যুর পর তার বাড়ির সামনে থেকে অর্থাৎ ফ্লাটের সামনে থেকে কটা অ্যাম্বুলেন্স বেরিয়েছিল আর কোন অ্যাম্বুলেন্সের সুসান্ত ছিল তা জানার দরকার। এই কাজের পেছনে জড়িয়ে আছে রিয়া চক্রবর্তীর তাঁর সাথে যুক্ত রয়েছেন নাকি আরও কিছু প্রভাব শালী মানুষ। তার পেছনে রয়েছে আরো অন্য কারণ রিয়া চক্রবর্তী প্রভাবশালী মানুষের সাথে হাত মিলিয়ে এটা করেছে তা স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে। অভিযুক্ত প্রয়াত অভিনেতার চরচিতা গার্লফ্রেন্ড রিয়া চক্রবর্তী এখন অভিযুক্ত মামলা দায়ের করেছে তার বাবা।

কিন্তু সন্দীপ সিং কেন? যে কিনা তার বন্ধুকে নিয়ে এত একটা শোক প্রকাশ করল সে কেন বন্ধুর পোসমাডাম রিপোর্ট পাওয়ার মুম্বাই পুলিশকে দেখেছিল বাহবা। তা নিয়ে বহুবার প্রশ্ন উঠেছে। গোটা দেশ এখন তোলপাড় শুধুমাত্র এই প্রসঙ্গ জানার জন্য কেন আস্তে আস্তে নতুন নতুন নাম জড়াচ্ছে যাদের নাম এখানে জড়ানোর কথা ছিল না। আদবে কি তাহলে সত্যিই এটা খুন? সন্দীপ কি তাহলে নিজেদের কাজ সম্পূর্ণ করে সস্তি প্রকাশ করেছে পলিশের কাজে?

আর সন্দীপ সিংহ এর এক্সপ্রেশন দেখে মনে হচ্ছিল যে তিনি কোন বড় কাজ সফল করেছেন যেটা তার টার্গেট ছিল এবং সেই টার্গেট পূরণ করলে তিনি অনেক কিছু পেতে পারেন কিংবা অভিযুক্তদের মতামত অনুযায়ী অনেকে বলেছেন সন্দীপ সিং তাহলে কি তিনি কোন চ্যালেঞ্জের মধ্যে ছিলেন? এই কাজটি করলে তিনি অনেক কিছু পেতে পারেন তার জন্যই কাজ করেছেন। তা না হলে মুম্বাই পুলিশের উপর কেন তিনি থামসাপ দেখাবেন। যেখানে মুম্বাই পুলিশ কে বারবার অভিযুক্ত বলে দায়ী করা হচ্ছে বিভিন্ন রাজ্য থেকে। এই ভিডিও পর সব কিছু তাল মাটাল হয়েছে। কে দোষী। এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে কারণ এই ভিডিওর মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু তথ্য যা হয়তো সুসান্ত সিং এর মৃত্যু রহস্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন