কর্মী ছাঁটায়! বহুদিন বন্ধ বিমান বন্দর

0
air plane service
খরচ সামলাতে না পেড়ে কর্মী বাতিল

হাজার সংবাদ ডেস্ক: বিমানবন্দরে কর্মী ছাঁটাই নিয়ে আবারও সমস্যা তৈরি হচ্ছে। করোনা ভাইরাসের জন্য প্রত্যেকটা বিমানবন্দর বন্ধ এবং প্রত্যেক বিমানবন্দরে যতটা আয় হয় সেই আই বন্ধ হয়ে গেছে। তাই কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা বলা হচ্ছে, তবে অনেকের মত যে সমস্ত ছোট ছোট বিমানবন্দর রয়েছে তাতে অত টাকা খরচ করার দরকার নেই, সেই সমস্ত জায়গায় খরচের খাত কমিয়ে দিয়ে কর্মচারী ছাঁটাই না করার যুক্তিতে এটি প্রকাশ পেয়েছে।

বিমানবন্দরের দাবি এতদিন যাবৎ বিমান পার্কিং চার্জ, হোল্ডিং চার্জ এবং বিমানসংস্থার যে সমস্ত খাতে ইনকাম হয় বিমানবন্দরে তা লকডাউন থাকায় কোনোভাবেই সম্ভব হয়নি। বহুদিন ধরে বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় বহু ইনকাম কমে গেছে যা ঘাটতি ঘটেছে যেখানে কর্মচারী বা সহকর্মীদের রাখার সিদ্ধান্ত বদল হতে পারে। বিমানবন্দর জানিয়েছেন যে এখন লকডাউন শেষে বিমানে পরিষেবা শুরু হলেও তা কত দিনে সাধারন হবে বা কত যাত্রী যাবে এই বিমানে পরিষেবা গ্রহন করবে তা নিয়ে যথাযথ সংশয় রয়েছে।

ইনকাম আসার কোনো সম্ভাবনা নেই তাই পেছনে পড়ে থাকা এই এতগুলো দিনের যে ক্ষয়ক্ষতি সেই ক্ষয়ক্ষতিও তুলতে পারবে না বিমানবন্দর। কিন্তু কিভাবে তাহলে কর্মচারীরা বাতিল করবে সে নিয়ম এখনো স্পষ্ট নয় কিন্তু শুধুমাত্র একটা বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছে এই যুক্তি। এখন বেশ কিছু জায়গায় বিমান চললেও বিমান পরিষেবা চালু হলেও আগের মত অবস্থায় আসতে অনেক সময় লাগবে।

এখনকার যা ইনকাম আগের তুলনায় দশ ভাগের এক ভাগও নয়। তাই এখনকার বিমান চলা নিয়ে কোন দিক নেবে তা আলোকপাত ফেলবেনা বিমানবন্দর। বিমান সংস্থার একজন জানিয়েছে জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিমানবন্দরের আয় হয়েছিল ১১৮ কোটি টাকা। কিন্তু জুন মাসে তা তলানীতে ঠেকেছে মাত্রা হল ২.৫ কোটি। তাই এই দেখে বোঝা যায় যে বিমান বন্দরের এত ক্ষতি নিয়ে বিমানবন্দরে কর্মচারী সহযোগে চালাতে পারবেনা বিমানবন্দর গুলি তাই এই সিদ্ধান্ত।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন