পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে এবার নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি হলো

0
truck
পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে এবার নতুন নিয়ম

পঞ্চম দফায় বেশ কিছু ছাড় মিললেও আরও অনেক কিছুতেই নিয়ম টেনে দিলেন ভারত সরকার। ২৩ মার্চ লকডাউন থেকে নিয়ম ছিল যে রাতে ট্রাক চলাচল করতে পারবে কিংবা  পণ্যবাহী গাড়ি গুলোর জন্য এক রকম ছাড় রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই চলছিল প্রত্যেকটা পণ্যবাহী ট্রাক। এতদিন পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রাক এর জন্য আলাদা কোন নিয়ম চালু করা হয়নি কিন্তু এখন পঞ্চম দফায় লকডাউন অর্থাৎ আনলক ওয়ান এর সময় কিছু নিয়মের পরিবর্তন হয়েছে সেই নিয়ম গুলির মধ্যে রয়েছে সারা দিন যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচল করবে কিন্তু ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে ট্রাক চলাচলের  জন্য নির্দিষ্ট কিছু সময় দেয়া হয়েছে সেই সময় শুধুমাত্র ট্রাক রাস্তায় নামতে পারে।সকাল থেকে শুরু করে সারাদিন গাড়ি চলাচল করবে অর্থাৎ বাস-অটোরিকশা এবং  ওলা উবের ট্যাক্সি এইরকম সমস্ত ধরনের যাত্রীবাহী গাড়ি চলবে সারাদিন কিন্তু পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে দিনের বেলায় ।  যে সমস্ত ছোট পণ্যবাহী গাড়ি গুলো চলতে পারে  তারমধ্যে লরি বা টেম্পো এই ধরনের ছোট ছোট মালবাহী গাড়ি  বেলা ১২ টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত চলতে পারে । কিন্তু বড় ট্রাক গাড়ি আলাদা একটি নিয়ম করে  চলবে, রাত  দশটা থেকে ছয়টার মধ্যে অর্থাৎ পণ্যবাহী গাড়ি চলবে  মধ্যরাতে। যানজট কমাতে এবং অনেক সমস্যা এড়াতে সরকার এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। যাত্রীদের জন্য সোমবার থেকে শুরু হয়েছিল যাত্রী পরিবহনের সমস্ত গাড়ি কিন্তু তাতে মানুষ অনেক সমস্যায় পড়েছে উপযুক্ত গাড়ি না পাওয়ায় কেউবা দাঁড়িয়েছে এক ঘন্টা অথবা তারও বেশি সময়, সময়ের এর  ব্যবধান থাকলেও মানুষ গাড়ি পাইনি নিজের কর্মস্থানে যাওয়ার জন্য । পরিবহনমন্ত্রী শুধু জানিয়েছিলেন সোমবার যদি  ৩৬০ টা গাড়ি রাস্তায় নামাতে পারেন তাহলে বুধবারের মধ্যে তিনি ১২০০ টা গাড়ি রাস্তায় নামাবেন কিন্তু এখনো পর্যন্ত তার হদিস মেলেনি মানুষ একই সমস্যায় পড়ছে।

  এক বন্দর থেকে আরেক বন্ধর যেতে পারে পণ্যবাহী ট্রাক। Lock down এর  প্রথম দিন থেকেই এই নিয়ম করা ছিল যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস গুলো মানুষ তার হাতে পায় । সেই জন্য জিনিসপত্র গুলো সরবরাহ করার জন্য পণ্যবাহী ট্রাকের আলাদাভাবে কোন নিষেধাজ্ঞা ছিল না। এর আগেও একবার এক পুলিশকর্মী রাতে ট্রাক আটকানোর জন্য লালবাজার থেকে হেনস্থা হয়েছিল পুলিশকর্মী। তাই খুব কড়াকড়ি ভাবে নিয়ম মেনে চলুক পণ্যবাহী ট্রাক যেহেতু এখন ঝড়ের জন্য প্রচুর রাস্তা গুলির বিধ্বস্ত অবস্থায়  তার জন্য রাস্তার প্রচুর পোষ্ট এবং লাইটপোস্ট সিগন্যাল ভেঙে গেছে। বেশকিছু লাইটপোস্ট সারানো হলেও যেখানে প্রায় ৬৫০  সিগন্যাল পোস্ট খারাপ হয়েছে সেগুলো সারাতে যথেষ্ট সময় লাগবে তার মধ্যে যদিও বেশ কিছু সিগন্যাল পোস্ট ও সারানো হয়েছে।

তারামণ্ডল এবং এসএসকেএমের সামনে এখনো পর্যন্ত সিগনাল ঠিক করা হয়নি ট্রাফিক সূত্রের খবর অনুযায়ী রাতে নিয়ম-কানুন ভঙ্গ করে অনেক ট্রাক ধরা পড়ছে না শুধুমাত্র সিসিটিভি ফুটেজ অক্ষম বলে। সিসিটিভি অক্ষম বলে এবং নিয়ম ভঙ্গ কারি গাড়ি চালকরা কোনোভাবেই তার জন্য ধরা পড়ছে না। তাই বেশ কিছু জায়গায় অর্থাৎ যে জায়গাগুলোতে সিগন্যাল পোস্ট নেই সেখানে আপাতত পুলিশ কর্মী বা বেসরকারি সিসিটিভি গুলো কাজে লাগানো হবে। এই সময়ে যাতে প্রত্যেকটা ট্রাক  নিষেধাজ্ঞা পালন করে অর্থাৎ নিয়ম ভঙ্গ না করে তাদের ওপর যথেষ্ট নজরদারি  রাখার জন্য পুলিশকর্মী ট্রাফিক পুলিশদের কে যথেষ্ট সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। এবং তাদেরকে ঠিকঠাক চেকিং করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন