সেপ্টেম্বর থেকে চলতে পারে রেল ও মেট্রো! নির্দেশের উপর তাকিয়ে আছে জনসাধারণ

0
Train service may open at the end of September
লোকাল ট্রেন

হাজার সংবাদ ডেস্ক: মার্চ মাসের 22 তারিখ থেকে জনতা কারফিউ তারপর টানা লকডাউন এইরকম ভাবে চলতে চলতে লকডাউন এর চতুর্থ ধাপ পার করে এবার আনলক পর্বের চতুর্থ ধাপে পৌঁছেছে মানুষ। তবুও করোনার নিস্তার নেই কোন ভাবেই আটকানো যাচ্ছে না করো না কে। আর এই করোনাভাইরাস এর জন্যই বন্ধ গোটা দেশের অফিস-আদালত তথা যানবাহন পরিষেবা, ঘরবন্দি একেবারেই মানুষ। বেশকিছু রাজ্যে যদিও বেশ কয়েকটি জায়গায় মাসে দিনক্ষণ ঠিক করে লকডাউন করা হচ্ছে তবে তা কতদিন চলবে এটাও নিশ্চিত নয় কেউ। তবে এখন অবস্থা একটু হলেও স্বাভাবিক হয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে ছিল যে অবস্থা সেই অবস্থা এখন হাতের মুঠোয় কোন ভাবে হলেও আনা গেছে। যদিও সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না তবে এটাকে যে সাম্লান যেতে পারে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা নিশ্চিত অনেকেই।

এখনো পর্যন্ত স্কুল-কলেজ তথা বিভিন্ন জায়গায় পড়াশোনা এবং অফিস-আদালত কাজকর্ম সব কিছুই বাড়িতে বসেই কাজকর্ম চলছে। তবে খুব ধীরগতিতে যদিও বাড়িতে বসেই সবকিছু চললেও তা সামলানো যাচ্ছে না স্বয়ং অবস্থান করে। তবে যানবাহন যদি বন্ধ থাকে তাহলে মানুষ কিভাবে কর্মস্থানে আসবে আর কীভাবেই বা পড়াশোনা চালাবে তারা স্কুল কলেজে এসে তা নিয়ে একটা চিন্তার বিষয়। হয়তো কোনভাবে সম্ভব নয় তাই পরিস্থিতি যে একটু সামলানোর গেছে তাই সেপ্টেম্বর থেকে লোকাল ট্রেনের ব্যবস্থা খুব তারাতারি শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

প্রথম লকডাউন অর্থাৎ লকডাউন প্রথম ধাপে যখন জানানো হয়েছিল যে এক মাসের জন্য তখন সাধারণ মানুষ ভেবেছিল পরের মাস থেকেই হয়তো চলবে রেল কারণ একদিনের বন্দে যে সমস্যা হয় সেই জায়গায় টানা চার মাস লকডাউন থাকলে কতটা সমস্যায় পড়তে পারে মানুষ এবং আর্থিক দিক থেকে কতটা সমস্যা হতে পারে তা নিয়ে ভাবা বোধহয় এখন স্বপ্নের অতীত। এখন তো বন্ধ হয়েছে প্রায় ছ’মাস এর কাছাকাছি তাতেও মানুষ স্বাভাবিকভাবে সবকিছু করে চলেছে মানিয়ে নিয়েছে নিজেকে। তবে এবার আবার হয়তো সেই ব্যস্ততম দিনে ফিরতে হবে মানুষকে খুব তাড়াতাড়ি। শুরু হবে ট্রেন পরিষেবা সরকারের কথা অনুযায়ী এবার মনে হচ্ছে রেল পরিষেবা শুরু হবে।

কিন্তু রাজ্য সরকারের কথা অনুযায়ী এইরকম ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বুধবার এক বৈঠকে। কিন্তু কেন্দ্র সরকারের নির্দেশে তেমন কোনো নির্দেশ মেলেনি এখনো পর্যন্ত কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের অবস্থা এখন যথেষ্ট গুরুতর তাতে কোনো ভাবেই লোকাল ট্রেনের ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব নয়। কিন্তু রাজ্যের অবস্থা একটু হলেও আয়ত্তে আনা গেছে তাই সাধারন মানুষ মনে করছে যে খুব তাড়াতাড়ি পরিষেবা হয়তো চালু হবে। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে কিংবা অক্টোবরের প্রথমের দিকে শুরু হতে পারে রেল পরিষেবা তবে সেখানে রাজ্য সরকার জানিয়েছে যদি সাধারন মানুষ নিজেদের বিধিনিষেধ মেনে চলতে পারে দূরত্ব বৃদ্ধি মানতে পারে তাহলে চলতে পারে লোকাল ট্রেনের পরিষেবা কিংবা মেট্রোরেলের পরিষেবা তা না হলে এখনই বন্ধ থাকবে এই পরিষেবা গুলো।

কিন্তু এই কথার সিকিউরিটি কে নেবে এই কথার দায় কে নেবে আদৌ কি কেউ মেনে চলবে নাকি আরো বেশি ছড়াবে করোণা সংক্রমণ তার জন্যই যথেষ্ট গোলযোগ চলছে তবে রেল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যদি কোনভাবে কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ আসে অর্থাৎ রেলমন্ত্রী এবং ওপর মহল থেকে যদি কোন থেকে যদি কোন নির্দেশ না আসে। তাহলে কোন ভাবে রাজ্য সরকারের নির্দেশে রেল কর্তৃপক্ষরা রেল পরিষেবা দিতে রাজি নয় কারণ এখনও পর্যন্ত ট্রেন স্টেশন রয়েছে স্টেশনগুলোতে একের পর এক বিভিন্ন রকম ভাবে মানুষ যাতায়াত করলেও সেখানে গিয়ে থাকে তাই বিভিন্ন স্টেশনে রেল মন্ত্রকের নিয়ম অনুযায়ী পাঁচিল তোলা হচ্ছে তবে ব্যবস্থা যতক্ষণ না সম্পূর্ণ হচ্ছে ততক্ষণ রেল পরিষেবা চালু হওয়া মুশকিল।

তবে আর যে বেশি দিন বাড়ি বসে কাজ নয় তা বোঝাই যাচ্ছে বেশ কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী চালু হতে পারে রেল পরিষেবা। খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে লোকাল ট্রেন রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সেরকমই বার্তা পাওয়া গেছে। যদি বিধিনিষেধ মানা যায় বা সেপ্টেম্বরের কুড়ি তারিখের পর যদি সংক্রমণ তেমন ভাবে কমে যায় তাহলে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে পারে রেল পরিষেবা। যদিও তারা রাজ্য সরকারের বিধি অনুযায়ী তবে রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী সেই বিধি কিভাবে মানা হবে এবং কিভাবে কাজ করা হবে তার জন্য অবশ্যই বৈঠক ডেকেছেন এবং সেই বৈঠকে সমস্ত কিছু জানানো হবে এখনো পর্যন্ত তা নিয়ে নিশ্চিত নয় সংশয় রয়েছে বহু মানুষের মনে রেল মহলেও।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন