রাজ্য সরকারের তরফ থেকে পুজা কমিটিকে দেওয়া টাকা পূজোর কাজে খরচ করা যাবে না! সেই টাকা খরচ করতে হবে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করা জন্য। নির্দেশ হাই কোর্টের

0
The money given by the state government cannot be used for pujo, the money has to be used for the benefit of the society
দুর্গা পুজা

হাজার সংবাদ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের তরফ থেকে পুজো কমিটিকে যে টাকা দেওয়া হচ্ছিল তার বিরোধিতা করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয় এবং সেই মামলার শুনানি ছিল গতকাল। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি জানিয়েছেন যে ক্লাব এবং পুজো কমিটিকে যে টাকা দেওয়া হবে সেই টাকা পুজোর উদ্দেশে কাজে লাগানো যাবে না। বরং সেই টাকার পুরো অংশ কাজে লাগাতে হবে কোভিদ পরিস্থিতি এবং জনসাধারণের জন্য অর্থাৎ রাজ্য সরকারের তরফ থেকে অন্যান্য বছর পুজো কমিটিকে দেওয়া হতো 25 হাজার টাকা কিন্তু এবছর সেই টাকা 50 হাজারের গিয়ে ঠেকেছে।

কারণ কোভিড পরিস্থিতির জন্য তার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একবারও সে কথা জানান নি। যে সেই টাকা দেওয়া হয়েছে কোভিড পরিস্থিতি সামলানোর জন্য এবং তার সাথে ক্লাব এবং পুজো কমিটি গুলির যাতে জনসাধারণ এবং পুলিশ প্রশাসনের ব্যবস্থার সঠিক ভাবে রাখতে পারে তার জন্য। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছে যে সেই টাকা ক্লাব এবং পুজো কমিটির কাছে টাকা ঘাটতি হয়েছে কারণ করণা পরিস্থিতি থাকায় তার জন্য সেই টাকা সাহায্য করছে সেই কথার বিরুদ্ধে বিচারপতি কঠোরভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে যে প্রত্যেক পুজো কমিটি যেন সেই টাকার সঠিক হিসাব দেয় আর সেই হিসেব গুলো নেবে সেখানকার প্রশাসন। আর প্রশাসনিক ভাবে সেই হিসেব নবান্নে জমা করতে হবে এবং নবান্ন থেকে সেই পুজো কমিটির হিসেবগুলো আদালতে পেশ করতে বলা হয়েছে নবান্নে আদালতে আদালত থেকে।

পুজো কমিটি গুলিকে এই যে 50 হাজার টাকা দেওয়া হবে। সেই টাকার 25 শতাংশ ব্যবহৃত হবে পুলিশ প্রশাসন এবং জনসাধারণের স্বার্থে আর বাকি 75 শতাংশ ব্যবহার করা হবে কোভিদ পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। অর্থাৎ দর্শনার্থীদের প্রত্যেককে দিতে হবে মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার এর সাথে সাথে প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে যাতে পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা বজায় রাখা যায় তার ওপর বিচার করে 75 শতাংশ খরচ করা হবে। এইরকমই জানা গিয়েছে আদালতের তরফ থেকে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার আগে জানিয়েছিল যে এই টাকা ক্লাবগুলোকে এবং পুজো কমিটিকে দেওয়া হচ্ছে তার কারণ কোভিড পরিস্থিতিতে তাদের অবস্থা যথেষ্ট শোচনীয় হয়েছে। তাই তাদেরকে এই টাকা দিয়ে সাহায্য করা হচ্ছে। কিন্তু কোথাও তিনি বলেননি এই টাকা নিরাপত্তার জন্য এই টাকা মানুষের সুস্থ ভাবে বাঁচার জন্য যাতে কোভিড পরিস্থিতি একে অপরকে ছুঁতে না পারে তাই নিরাপত্তা বজায় রেখে পুজো কমিটিকে পুজো করতে হবে এই টাকা দিয়ে।

পুজোর পর সমস্ত হিসেবে আদালতে এক কপি করে পেশ করতে হবে এবং সেখানে প্রত্যেক পুজো কমিটি কোন খাতে কত টাকা খরচ করেছে তার হিসেব দিতে হবে। আর সেই হিসেবে সেখানকার প্রশাসন এইরকমই জানা গিয়েছে তবে এই কেসের শুনানি এবং যা কিছু জানানো হয়েছে গতকাল বাকি সমস্ত শুনানি জানানো হবে লক্ষ্মী পুজোর পর। সেখানে কি কি জানানো হবে তা দেখার বিষয় আদালতের নির্দেশে কিন্তু তার পেছনে এই সরকার থেকে যে বিরোধিতা হচ্ছিল। সেই বিরোধিতা কিছুটা হয়েছে এছাড়াও জনসাধারণের থেকে যে টাকা পুজো কমিটিকে দেওয়া হচ্ছে সেই টাকা পুজো কমিটির প্রত্যেক বছর তারা সেই টাকা নিজেদের বিলাসিতায় কাজে লাগায়। কিন্তু সেই টাকা জনসাধারণের স্বার্থে দিয়েছে সে কথা একবারও বলেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর তার জন্যই আজকের এই মামলা বিরোধীদের তরফ থেকে যে মামলা ছিল। সেই মামলার রায় গতকাল দেওয়া হয়েছে এবং তাতে তারা যথেষ্ট সন্তুষ্ট এবং তারা নিজেরাও চেয়েছে সেই কাজে জনসাধারণের সেবা হোক এবং তার হিসাব জমা করুন আদালতের বিচারপতির ছিল সেই রকমই।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন