এবার ফেসবুকে নামী রেস্তরাঁর মানে জামতারা গ্যাং কার্যসিদ্ধি করছে! ফাঁকা হচ্ছে অ্যাকাউন্টের টাকা

0
The Jamtara gang is cheating again with fake identities
জামতারা গ্যাং

হাজার সংবাদ ডেস্ক: আবার জামতারা গ্যাং থেকে সমস্যা বাড়ছে। চারিদিকে তাদের জাল বিছিয়ে ফেলছে জামতারা। একের পর এক বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলছে হ্যাকাররা। আর এবার কলকাতার নামিদামি রেস্টুরেন্টের নামে খাবার ডেলিভারি দেওয়ার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুল নাম দিয়ে টাকা তুলছে রেস্টুরেন্টের নাম করে। তবে এবার কলকাতার বেশ কয়েকটি প্রফেশনাল লোকদের হাতে পড়েছে এই ফোন কল তাই বেশ কিছু ক্ষয় ক্ষতি করতে পারেনি তাদের কারণ দুতিনবার একাউন্ট সার্ভিসের বাফারিংয়ের জন্য নতুন নতুন লিঙ্ক পাঠানো তারা ধরতে পেরেছিল যে এটা হ্যাকিং চলে যাচ্ছে।

তাই তারা সাথে সাথে বুদ্ধি করে নিজেদের ব্যাংক একাউন্টের টাকা অন্য ব্যাংকে অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থেকে। তাই তারা কোনোভাবে ক্ষতি করতে পারেনি তবে রেস্টুরেন্টের নাম দিয়ে নতুন করে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলছে জামতারা গ্যাং। কলকাতার বিভিন্ন বড় বড় রেস্টুরেন্টে ভালো খাবার পাওয়া যায়। লকডাউন এ বাড়িতে বসে খাবার অর্ডার করে বহু মানুষ এবং সেই খাবার অর্ডার করছে যখন তখন বাফারিংয়ের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট এর সমস্ত ডিটেলস পাচ্ছে হ্যাকাররা।

নতুন নাম দিয়ে ফেসবুক আইডির মাধ্যমে টাকা তুলছে হ্যাকাররা সেখানে বিভিন্ন রকম রান্নার ছবি এবং রকমারি খাবারের ছবি দিয়ে মানুষকে আগ্রহী করে তুলেছে এবং অর্ডার দেওয়ার সাথে সাথে নতুন কোন লিংক পাঠাচ্ছে সেই লিঙ্কে ক্লিক করে তারা জানাচ্ছে 10 টাকা কাটা হবে, 10 টাকা কাটলে তারপর নতুন করে আবার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ফাঁকা হবে এভাবে কেউ বুঝতে পারছে না নিজের অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে বেশ কিছু মানুষের।

এরকম সমস্যা হয়েছে যদিও তারা টাকা ফেরত পেয়েছে কিন্তু এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি দেশের মধ্যে রয়েছে এই কয়েকজন ব্যক্তি যারা প্রথমে করেছিল অফার দেখে একটা সাথে একটা ফ্রি অর্থাৎ বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি এটা দেখে তারা অর্ডার করেছিল এবং তারপর যখন অর্ডার করে ফোনে জানানো হয় যে অর্ডার কনফার্ম হয়েছে আপনার অর্ডার কনফার্ম এর জন্য আপনি এখনই এই লিংকে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে ক্লিক করলে আপনার একাউন্ট থেকে 10 টাকা কাটা হবে। প্রথম 10 টাকা কাটার পর জানানো হয় যে আরও একটি লিংক যাবে আপনার এড্রেস এর জন্য আপনি সমরথন করবেন। আপনি কোথায় থাকেন সেই এড্রেসে খাবার পৌঁছে যাবে আপনি এই লিংকে ক্লিক করলে আমরা ডেলিভারি বয় কে সেখানে পাঠাতে পারব।

যখন এইরকম একটা প্রসেস বুঝতে পেরেছিলেন তারা সাথে সাথে নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা অন্য একাউন্টে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তাই জামতারা গ্যাং তাদের খুব বেশি ক্ষতি করতে পারেনি। পরে সেই মহিলা ওই নামের রেস্টুরেন্টে ফোন করে জানতে চেয়েছিল আমার আইডি এই এবং এই আইডিতে এই খাবারটি বুক হয়েছে কিনা তখন রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ তাকে জানায় যে এইরকম কোন অর্ডার এই নামে বুকিং হয়নি তখন তিনি বুঝলেন যে এটি পুরো হ্যাকিং তিনি ফেঁসে গেছিলেন। তাই সবার কাছে অনুরোধ একটু বিচার-বিবেচনা করে চলুন কোন লিংকে হুটহাট করে ক্লিক করবেন না।

হোয়াটসঅ্যাপ মাধ্যমে যেমন আপনি প্রতারনার জালে জড়াতে পারেন ঠিক একইভাবে ফেসবুকেও আপনি প্রতারণার জালে জড়াতে পারেন। তাই সাবধান থাকুন এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে বিভিন্ন মানুষে কিভাবে ক্ষয়ক্ষতিতে পড়বে এবং নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সমস্যার মুখোমুখি হবে ফেসবুক মাধ্যমেই হ্যাকিং পদ্ধতিটাকে। যাতে আরো নিরাপত্তার মধ্যে রাখা যায় তার জন্য ব্যবস্থা চলছে ঠিক কথা কিন্তু মানুষকে অনেক সজাগ থাকতে হবে। কোন অফার বা চোখের সামনে চোখ ধাঁধানো কোন জিনিসের অ্যাট্রাক্টিভ হয়ে উঠবেন না এবং তার প্রতি ঝুঁকে দেখাবেন না তাহলে সমস্যায় পড়তে হবে। আপনাকে বড় ব্যবসায়ীরা রয়েছে যারা এই প্রতারণার জালে জড়িয়ে পড়ছে।

কিন্তু এবার আর আর্মি ফোর্স কিংবা মিলিটারি ক্যাম্প থেকে ফোন আসছে না ফোন আসছে বড় বড় কোম্পানির নামে কিংবা বড়োবড়ো রেস্টুরেন্ট ছাড়া বিভিন্ন বড় বড় সংস্থার নামে আসা ভুয়ো ফোন। যদিও যাচাই করে জানা যাচ্ছে তা নয় যদিও কলকাতার এখনো পর্যন্ত এই ফেসবুক মাধ্যমে বেশ কয়েকজনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তার মধ্যে বেশ কয়েকজন বুদ্ধি করে বেঁচে গেছেন তারা। আস্তে আস্তে অনেক বড় থাবা বসাতে চলেছে তা যেন না হয়। তার জন্য সজাগ থাকুন এবং সচেতন থাকুন আপনার প্রত্যেক কাজে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন