এই শীতে করোনা দ্বিতীয় থাবা বসাতে পারে, অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে! এই ভাইরাস ঠাণ্ডায় অনেক বেশি সক্রিয় থাকে

0
The corona virus can be very strong this winter
করোনার দ্বিতীয় থাবা

হাজার সংবাদ ডেস্ক: ভ্যাকসিন আসার আগেই করোনা ভাইরাস এর দ্বিতীয় থাবা বসাতে পারে আবার। তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এমস এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই শীতেই বিপদ বাড়তে পারে। শীতেই বাড়তে পারে করোনার প্রকোপ। কোনোভাবেই কমানো সম্ভব নয় কারণ টেম্পারেচার কমলে করোনার থাবা আরো বেশি ঘনীভূত হবে অর্থাৎ এই ভাইরাস তখন আরো অনেক বেশি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরবে। কারণ প্রথম থেকে বলা হয়েছিল যে ডাণ্ডা করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছে। এবং সেই টেম্পারেচারে মানুষের শরীর অসুস্থতার এবং সর্দি-কাশি যদি থেকে থাকে তাহলে এই শীতে অনেক বেশি সক্রিয় থাকবে এই ভাইরাস।

যখন মার্চ মাসের দিকে করোনা ভাইরাসের কথা শোনা যায় তখন সবাই মোটামুটি ভেবেছিল যে গরমকাল এলে হয়তো করোনা সংক্রমণ কমবে কিন্তু তাতেও কমেনি বরং করোনা সংক্রমণ অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছে। মানুষের অসচেতনতা জন্য অনেক বেশি হয়েছে তবে এবার হয়তো তা নয়। এবার শীতকাল এসে যাচ্ছে আর করোনার ভ্যাকসিন আসবে কি আসবে না তা নিয়েও চিন্তা রয়েছে। আর তার সাথে আবার শীতকালে বেশি সক্রিয় হতে পারে এই ভাইরাস। তার সাথে সব থেকে ভয়ের কারণ এটাই যে ওয়েদার চেঞ্জেস মানুষের অনেক বেশি শরীর অসুস্থ হয় যেমন জ্বর সর্দি-কাশি এইরকম বেশ কিছু সমস্যা থাকে আর শীতের জন্য মানুষের আর বেশি হয়ে থাকবে বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন তাও একটু কম মেনে চলে সময়। এই পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণ ছড়ানো অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে তাই চিন্তায় রয়েছে বহু মানুষ।

এমস এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই বার্তা। তার সাথে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তিনি এই একই কথার সামিল হয়েছেন তিনিও জানিয়েছেন যে শীতকালে বাড়তে পারে করোনা সংক্রমণ তার কারণ শীতকালে সক্রিয় থাকবে করোনাভাইরাস এই ভাইরাস ঠান্ডাতে অনেক বেশি সক্রিয় থাকে বলে জানিয়েছিল প্রথম থেকে। সেই সূত্রে তারা একটা উদাহরন স্বরুপ জানিয়েছে যে উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডে এখন তাপমাত্রা ১৫° আর আমাদের এখানে শীতকালের তাপমাত্রা ১৫°-১৭° এই রকম জায়গায় ঘোরাঘুরি করে তাই। আর এখন ইংল্যান্ডে হু হু করে বাড়ছে তাহলে শীতকালে আমাদের এখানের অবস্থাটা কেমন হবে তা নিয়ে চিন্তা রয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তারাও জানিয়েছে করণা সংক্রমণ সক্রিয় হলে আরো বেশি থাবা বসাবে তাই সেকেন্ড স্টেজে করণা সংক্রমণে যেভাবে থাবা বসাবে তা সামলানো খুব সমস্যা।

বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মতে আরো অনেক বেশি সচেতন হতে হবে এবং এই শীতকালে মানুষের অনেক বড় বিপদ আসতে চলেছে এই করোনা সংক্রমণ। যতটা না মানুষ ভয় পেয়েছে বা মানুষকে জ্বালিয়েছ এই ভাইরাস তার থেকে অনেক বেশি জ্বালাতন আসতে চলেছে খুব সামনে। কারণ এই শীতে করোনাভাইরাস আরো বেশী বাড়তে পারে অনেক বেশি সক্রিয় হবে। তার জন্য শারীরিক অবস্থা অনেক সুস্থ রাখা দরকার এবং তার সাথে করোনা বিধি মানা হয়েছিল তেমনি মানতে হবে শীতের ভয়ে হাত ধোয়া কম করলে হবে না। আবার ঠাণ্ডার ভয়ে একটা ঘরের মধ্যে একসাথে অনেকে বসে থাকা উচিত নয় যেমন বিধিনিষেধ মানা হচ্ছিল সেই রকম ভাবে নিজেদেরকে দূরত্ব রেখে ঘরের মধ্যে থাকা উচিত।

কারণ শীতকালে সাধারণত একটা রুমের মধ্যে অনেকে গোলযোগ করে সেটা করা একেবারেই চলবে না তার সাথে শীতের সময় যখন ওয়েদার পরিবর্তনের সাথে সাথে বিভিন্ন রকম ভাবে সমস্যা আসতে পারে যেমন জ্বর সর্দি-কাশি এগুলোতো থাকে সেগুল কে সাম্লে চলতে হবে। নিজেদেরকে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে এবং তার সাথে সাথে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন এবং একেবারে দূরত্ব বজায় রাখুন এই শীতে নিজেদেরকে অনেক বেশি সচেতন করুন করোনা সংক্রমনের আরো একটি বড় পরীক্ষা আসতে চলেছে মানুষের জন্য জনসাধারণের জন্য। যে সমস্যা আসতে চলেছে তা হয়তো খুব ছোট নয় কারণ অন্যান্য দেশে এখন যাদের টেম্পারেচার অনেক কম তাদের দেশকে ভালো করে দেখতে গেলে বোঝা যাবে যে ভারতের জন্য একটা বড় বিপদের সময় শীতকাল। এই সময়টা ওভারকাম করা খুব জরুরি এর মধ্যে কোন ভাইরাসের কোন ভ্যাকসিন আসেনি তার জন্য অনেক বেশি সমস্যা পড়তে পারে সাধারণ মানুষ। যেহেতু বছরের শেষে কিংবা আগামী বছরের শুরুতে আসার কথা করনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন তার জন্য অনেক চিন্তার বিষয়। কারণ নভেম্বর-ডিসেম্বর দিক থেকে শীত পরে যায় তাই নভেম্বর ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে পারে করোনার দ্বিতীয় থাবা।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন