রাম মন্দির নির্মাণে জনস্বার্থে কি বলেছেন মোদী আর কিভাবে পুজা হয়েছে দেখুন ফটো গ্যালারি

0
The construction work of Ram temple has started
৫ আগস্ট থেকে শুরু হল রাম মন্দির নির্মাণের কাজ

হাজার সংবাদ ডেস্ক: অনেক তোড়জোড় অনেক খবরা-খবর এর পর শেষ পর্যন্ত 5 আগস্টে শেষ হয়েছে রাম মন্দির শিলাবিন্যাস এর কাজ। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নিয়ম মেনে পালন করা হয়েছে এ রাম মন্দির স্থাপনের কাজ। আগের কথা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর হাতেই পুজো সম্পূর্ণ হয়েছে। তার জন্য পাহাড়ায় ছিলি ১৫০ জোন করোনা জয়ী রক্ষী।

রাম মন্দিরের ভিত পুজা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর করোনার পর সবায় ভেবেছিল এবারেও বোধয় আঁতকে যাবে রাম মন্দিরের স্থাপনের কাজ। তবে এবার সব কিছু উপেক্ষা করে এবার সত্যিই রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছে প্রধান মন্ত্রীর হাতে। রাম মন্দির স্থাপন তিনি আসতে পারবেন কিনা বা এবার নতুন কোন বাধা আসতে চলেছে কিনা তা নিয়ে চিন্তায় ছিল অযোধ্যা বাসিরা। তবে তা যে হয়নি তা স্পষ্ট বোঝা গেল।

গত বছরের নিয়ম অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাক লাগিয়ে দিয়েছিল যা এক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষি। জম্বু কাশ্মীর ও লাদাখকে আলাদা ভাগে ভাগ করেছিল একটা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে। এ বছর আরও ঐতিহাসিক তকমা লাগিয়ে ঐতিহ্য তৈরি করেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আবারও ঐতিহাসিক সূত্রে নাম তৈরি করল এই রাম মন্দির নির্মাণ। আর এই দিনটা মনে রাখুক সমস্ত ভারতীয়। জানিয়েছে মোদী সরকার।

তবে আজকের দিনে সব থেকে বড় পাওনা যেটা হলো প্রধানমন্ত্রীর রামলালার সামনে ষষ্টাঙ্গে প্রণাম করেছেন তা এত ভক্তি এত শ্রদ্ধা বোধ হয় এর আগে অন্য কোন প্রধানমন্ত্রীকে দেখা যায়নি। এর আগে কোন প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দির দর্শন করতে আসেননি। কিন্তু এই প্রথম কেউ মন্দির স্থাপনের প্রথম কাজ শুরু করেছে নিজের হাতে। সমস্ত কাজ মন দিয়ে সম্পন্ন করেছে তিনি নিজেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন যে ২৯ বছর আগে এসেছিলেন এই অযোধ্যাতে এবং তিনি তখন বলেছিলেন তিনি আবার এই মাটিতে পা দেবেন যদি রাম মন্দির নির্মাণ হয়। রাম মন্দির নির্মাণের পরে আবার তিনি এখানে আসবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। আর আজ সেই কথা তিনি নিজেই পূর্ণ করছে নিজের হাতেই।

সাধারন মানুষের মতো একদিন তিনি এই সপ্ন দেখেছিলেন কিন্তু পুরন করলো পুরন করেছে সারাদেশ চালিত স্রষ্টা রুপে। খুব নিয়ম নীতি মেনেহয়েছে রাম মন্দির নির্মাণ। নির্মাণের প্রথম ইট অজ্ঞি দিয়েছে তিনি নিজেই। বহুদিন ধরে আঁতকে থাকা মন্দিরের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। তিনি এই কাজে পর জনস্বার্থে জানিয়েছে যে রাম মন্দির মানে বিজেপি রাজ নয় রাম মন্দির সকলের। ধর্ম বর্ণ জাতি ভেদ প্রথা নেই এই মন্দিরে। রামলাল একজন স্রষ্টা যিনি আমাদের অনুপ্রেরনা। তিনি কোন জাতির নয় তিনি সব জাতির অনুপ্রেরনা। তাই সবার জন্য এই মন্দির। সকলে সমান অধিকার রয়েছে এই মন্দিরে আসার।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন