অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে আতশবাজির উপর নিষেধাজ্ঞা জারী হল! সারা মাস ধরে বিক্রি হবে না কোন বাজী

0
The Calcutta High Court banned fireworks
আতশবাজি তে নিষেধাজ্ঞা

হাজার সংবাদ ডেস্ক: অবশেষে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে কালীপুজোর আতশবাজির নিষেধাজ্ঞা জারী হল। বাজির নিষেধাজ্ঞার জন্য হাইকোর্টে জানিয়েছে যে সমস্ত নজর রাখার দায়িত্ব থাকবে পুলিশের ওপর। শুধু তাই নয় সমস্ত দোকান এবং অন্যান্য বাজি বিক্রেতাদের কাছে এই পুজো কয়েকদিন শুধু নয় পুজো কয়েকদিন ছাড়াও এই সারা মাস ধরে বিক্রি নিষেধাজ্ঞা জারি করল হাইকোর্ট অর্থাৎ কলকাতা থেকে শুরু করে দক্ষিণ 24 পরগনা এবং রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাজী বিক্রির নিষেধ এক মাস থাকবে। অর্থাৎ নভেম্বর মাসের মধ্যেই রয়েছে বিভিন্ন পূজা অর্চনা শুধুমাত্র কালীপুজোয় নয় এছাড়াও রয়েছে ছট পুজা, ধন্তেরাস, দিওইয়ালি এই সমস্ত অনুষ্ঠানে আতশবাজি একেবারেই নিষেধাজ্ঞা জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট।

এবছর বিক্রি হবে না কোন বাজী তেমন বিক্রেতারাও বিক্রি করবে না। আর সবকিছু নজর রাখবে পুলিশ। এই সুত্রে কলকাতা হাই কোর্ট থেকে জানানো হয়েছে যে দুর্গোৎসবের সময় যে নিয়ম কলকাতা হাইকোর্ট দিয়েছে তা অনেক কম সময়ের মধ্যে খুব ভালোভাবে নিয়ম মেনে সমস্ত কাজ করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ প্রসাশন। তাই পুলিশ প্রশাসনের হাতে এবারের সমস্ত দায়িত্ব ছাড়া হয়েছে। এত কম সময়ের মধ্যে দুর্গাপুজোর যেরকম ভাবে নিয়ম মেনে করা হয়েছে ঠিক। একইভাবে কালী পূজার নিয়ম একি নিয়ম থাকবে বলে জানাচ্ছে হাইকোর্ট। বেশকিছু বিরোধীদলের কথা নয় কিংবা রাজ্য সরকার এর কথা এছাড়া ও পরিবেশমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষ কলকাতা হাইকোর্টের ওপর ভরসা করেছিল যে কালি পুজোতে যেন আতশবাজি একেবারেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। আর তা পুরন করেছে কোলকাতা হাইকোর্ট।

তবে এবারের কালী পুজোয় আতশবাজির নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে দুর্গাপুজোর মতোই। তার কারণ করোনা পরিস্থিতিতে কালীপুজো কোনভাবেই জোরাজুরি করে করা যাবে না। তার জন্যই নিয়ম মানতে হবে সবাইকে। বাজিতে বায়ু দূষণ হয় অনেক বেশি তার জন্য এবছর পুরোপুরি বন্ধ থাকছে আতশবাজি এর সাথে মণ্ডপে ঢোকার পারমিশন দিয়েছে না হাইকোর্ট।

একই রকমভাবে দুর্গা পুজোতে যেমন নিয়ম ছিল সেই নিয়ম মেনে চলবে সমস্ত কালী পুজা তে। মণ্ডপে দর্শনার্থীরা যেতে পারবে না অর্থাৎ কালীপূজা এইরকমই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট থেকে। ব্যারিকেড আর এই এর মধ্যে ৪৫ জোন কর্মী এছাড়াও রয়েছে পুরোহিত এবং পূজার জন্য যারা সহযোগিতা করবে তারা ঢুকতে পারবে। এবারেও দর্শনার্থীরা একেবারেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে আগে 25 জন ছিল এখন 45 জন করে মন্ডপে যেতে পারে এর বেশি মানুষ একসাথে ঢুকতে পারবে না। প্রত্যেক মন্ডপের নিয়ম একইরকমভাবে করা হবে যেমন দুর্গা পুজোতে ছিল সেই নিয়ম মেনে চলবে কালী পুজো তে।

আর সমস্ত দায়িত্ব বহন করবে প্রশাসন এবং পুলিশ। এছাড়াও যেমন কালীঘাট মন্দির কৃষ্ণনগর চন্দননগর এইরকম বিভিন্ন জায়গায় মন্দির রয়েছে যেগুলোতে কালীপুজোর দিন যথেষ্ট জন প্লাবন হয় তার ক্ষেত্রেও প্রশাসনের সাহায্য নেওয়া হবে। সেখানে কি নিয়ম মেনে চলা হবে তা দেখার। দর্শনার্থীদের জন্য যেমন থাকবে বিধি-নিষেধ একই রকমভাবে বিধিনিষেধ থাকবে মন্ডপ কর্মীদের ওপর মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবে এবং তারা প্রবেশ করতে পারবে না তা নির্ধারণ করবে মন্দিরের কর্তৃপক্ষ। তবে খুব অল্প জন এই সেই কাজ সারতে হবে সেরকমই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন