Student Credit Card পরিষেবা! উচ্চ শিক্ষার জন্য এই লোণ পেতে কি কি করণীয়! বিস্তারিত জানুন

0
Student Credit card service has been introduced for higher education
উচ্চ শিক্ষার জন্য চালু হল নতুন প্রকল্প

হাজার সংবাদ ডেস্ক: “Student Credit card” শিক্ষা ভিত্তিক এই স্কিমটি 24 শে জুন সরকারিভাবে অনুমোদন পেয়েছে। 30 শে জুনের পর থেকে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আবারো শিক্ষামূলক বৃত্তির জন্য এই পরিষেবা চালু করছে পড়ুয়াদের কথা ভেবে। যেখানে উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারের থেকে ঋণ বাবদ টাকা নিয়ে পড়াশোনা করতে পারবে পড়ুয়ারা এবং সেই টাকা শোধ দিতে হবে পরে। তা কিভাবে কেমন করে তা বিস্তারিত জানুন।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে চালু হল “student credit card” পরিষেবা। এই পরিষেবা পেতে কি কি করনীয়? কিভাবে আবেদন করতে হবে? কারা কারা এই পরিষেবা পেতে পারে? কতদিনে শোধ দিতে হবে? সর্বোচ্চ কত টাকা পেতে পারে? পড়ুয়ারা কিভাবে আবেদন জানাবে? স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নিয়ে এইরকম নানা প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন।

প্রথমেই বলা যাক এই পরিষেবা কারা পাবে এবং এই পরিষেবায় কত টাকা পাওয়া যাবে। এই পরিষেবায় সর্বমোট 10 লাখ টাকা পাওয়া যাবে এবং পড়ুয়ারা এই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে নিজেদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে পারে এবং পড়ুয়াদের পড়াশোনা শেষে চাকরি পাওয়ার এক বছর পর থেকে এই টাকা শোধ দিতে হবে ১৫ বছরের মধ্যে।

30 শে জুনের পরে চালু হতে চলেছে এই পরিষেবা। কিভাবে আবেদন করবে অনলাইন মাধ্যমে? কারা কারা আবেদন করতে পারে এবং এই পরিষেবা পেতে গেলে কি কি থাকতে হবে? সবকিছু জেনে নেওয়া যাক। সবার প্রথম অনলাইন মাধ্যমে এই পরিষেবার জন্য আবেদন করতে হবে।

  • যে বা যারা পশ্চিমবঙ্গ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার জন্য আবেদন করতে ইচ্ছুক, অবশ্যই তাদের 10 বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হিসাবে পরিচয় পত্রের প্রমাণ দিতে হবে।
  • এছাড়াও স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড 40 বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করা যেতে পারে।
  • যে সমস্ত পড়ুয়ারা আন্ডারগ্রাজুয়েট, গ্রাজুয়েট, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, ডক্তর‍্যাল, পোস্ট ডক্তর‍্যাল, এছাড়াও বিদেশে কোন কোর্স কিংবা বিদেশে পড়াশোনা বা ভারতে উচ্চ শিক্ষার জন্য চিন্তা ভাবনা নিচ্ছে তারাও আবেদন করতে পারে এই ক্রেডিট কার্ডের জন্য।
  • সর্বমোট 10 লাখ টাকা দেওয়া হবে যা চাকরি পাওয়ার এক বছর পর থেকে 15 বছরের মধ্যে শোধ দিতে হবে সরকারকে।
  • এই পরিষেবা পাওয়ার জন্য সঠিক পরিচয় পত্র, পরিবারের আয় সংক্রান্ত তথ্য, বাবা মায়ের পরিচয় পত্র ঠিকানা সব নথি জমা করতে হবে।
  • তবে এই ক্রেডিট কার্ড পেতে হলে সেই সমস্ত পড়ুয়াদের CIBIL স্কোর অত্যন্ত ভালো হলে তবে এই ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত বলে গণ্য হতে পারে।

এবার জানা যাক কিভাবে অনলাইনে আবেদন করা যাবে এবং আবেদন করতে গেলে কি কি করনীয় কি কি ডকুমেন্ট দরকার

  • আবেদনের জন্য একটা নির্দিষ্ট পোর্টালে যেতে হবে (যা ৩০ শে জুনের পর বিস্তারিত জানানো হবে সঠিক পোর্টালের নাম)।
  • তারপর আপনাকে ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড অ্যাপ্লিকেশন অথবা অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কোন একটি অপশনে আপনাকে ক্লিক করতে হবে।
  • সাথে সাথে নতুন একটি পেজ ওপেন হবে, সেই পেজে আপনার নাম এবং দরকারি যে সমস্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে সেগুলো পূরণ করতে হবে। নিজের মোবাইল নাম্বার নথি ভুক্ত করলে, মোবাইল নাম্বারে একটা ওটিপি আসবে, ওই ওটিপি কনফার্ম করার পর একটি নতুন পেজে আসবে।
  • সেই পেজের মধ্যে পড়ুয়ার সমস্ত নথি এবং পড়ুয়ার পরিবারের সমস্ত নথিপত্র, বাকি সমস্ত নথি পূরণ করতে হবে।
  • যেহেতু এই লোন পড়ুয়াদের জন্য এবং পড়ুয়ারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য এই পরিষেবা পাচ্ছে তাই তার যথার্থ প্রমাণ দিতে হবে সাথে থাকবে শিক্ষা যোগ্যতা। তারসাথে পড়ুয়ার বাবা-মায়ের প্রমাণপত্র (প্যান কার্ড আধার কার্ড এবং পাসপোর্ট সাইজের ফটো) দিতে হবে।

এই সমস্ত গুলো দেওয়ার পর পড়ুয়াকে ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে হবে যেখানে তার ব্যাংকের নাম ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নাম্বার আইএফসি কোড থেকে শুরু করে ব্যাঙ্কের ডিটেলস থাকবে। তার সঙ্গে আরও একটি ডকুমেন্ট রাখতে হবে সেটি হলো পড়ুয়ার পারিবারিক ইনকাম কত, সেই ইনকামের সার্টিফিকেট।

যথারীতি প্রয়োজনীয় তথ্য সাবমিট করার পর নিজের ফোনে একটা কনফার্মেশন মেসেজ আসবে।

এগুলো জমা করার কয়েক দিনের মধ্যেই উচ্চস্তরের কমিটি কর্তৃপক্ষ পড়ুয়ার নথি এবং সমস্ত ডকুমেন্ট যাচাই করে দেখবে। যদি তারপর সেই ব্যক্তি এই প্রকল্পের যোগ্য হন তাহলে উক্ত ফোন নম্বরে একটি ম্যাসেজ আসবে এই প্রকল্পের সুবিধা গ্রহনের জন্য। তা না হলে সেই পড়ুয়া এই প্রকল্প গ্রহণযোগ্য না হয় তাহলেও একটা মেসেজ ফোনে আসবে। সেটার জন্য পড়ুয়াকে বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। উচ্চ স্তরে আপনার নথি এবং তথ্য যাচাই করার পর সেই কাজটি সম্ভব হলে জানানো হবে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন