লকডাউন ৩১ জুলাই পর্যন্ত, সাথে আমফানের ক্ষতি পুরন! নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

stop train
আবারো লকডাউন ২১ জুলাই

হাজার সংবাদ ডেস্ক: কেন্দ্রের দাবি মানছে না রাজ্য। সাথে সাথে জানানো হয়েছে কোনো ট্রেন চলবে না এ রাজ্যে পয়লা জুলাই থেকে। কিন্তু কেন্দ্র জানিয়েছিল খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে লোকাল ট্রেন ব্যবস্থা। কিন্তু তাঁর মধ্যে আবার লকডাউনের নির্দেশ এ রাজ্যে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কথা অনুযায়ী জানা গেছে জুলাই মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত চলবে লকডাউন। যদিও সেটা পুরোপুরি লকডাউন নয় আনলক পর্ব বলা যেতে পারে। কারণ এখন যেমন নিয়মে চলছে রাজ্য ঠিক সেই নিয়মই চলবে ৩১ শে জুলাই পর্যন্ত। রাজ্য যেমন গাড়ি যানবাহন সব চলছে সেরকমভাবেই যে সমস্ত কোম্পানি যে সমস্ত সরকারি কোম্পানি কলকারখানা এখনো পর্যন্ত খোলেনি তা না খোলার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য।

সর্বদলীয় বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে মেট্রো ট্রেন চলবে না জুলাই মাস থেকে নতুন করে কোন শপিং মল বা হোটেল-রেস্তোরাঁ এগুলো খোলার দরকার নেই। পশ্চিমবঙ্গে এখন আক্রান্তের হার অনেক বেশি তাই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কথা অনুযায়ী- লকডাউন ডাকলে তা আয়ত্তে আনা যেতে পারে বলে দাবী রাজ্যের। যদিও এ লকডাউন করাকরি কিছু নেই আগের মত যানবাহন চলছে ঠিক যেমন জুন মাসে চলছে আনলক পর্ব এই রকম ভাবেই চলবে সব কিছু।

শুধু বন্ধ থাকবে রেল পরিষেবা এবং তার সাথে বন্ধ থাকবে মেট্রো। যদিও ফেরি সার্ভিসের জন্য কোন কথা বলা হয়নি কারণ ফেরি সার্ভিস শুরু করা হয়েছিল এই জুন মাসের ১৭ তারিখ থেকে। নিয়ম করে যেমন অটো চলছে কিংবা ওলা উবের এই সমস্ত গাড়ি চলছে তেমনই বিধিনিষেধ মেনে চলবে রুটে সব গাড়ি।

সর্বদল বৈঠক এরপর মুখ্যমন্ত্রী জানান আরও একটি বড় সিদ্ধান্ত কথা জানিয়েছেন, যে আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত এলাকা আবার নতুন করে পুনরুদ্ধার করা হোক এবং তার সাথে সাথে পুনর্নির্মাণ করে তাদেরকে সাহায্য করে তাঁদের পাসে দারাবে বলেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো চিহ্নিত করে তাদেরকে নতুন করে পুনরুদ্ধার করার কথা তিনি জানিয়েছেন। সুত্রের খবর আনুযায়ী সুন্দরবন অঞ্চলের যে ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং প্রত্যেক বছর ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় প্লাবিত অঞ্চল গুলি কিভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে পদক্ষেপ নেবেন তিনই। সেই অঞ্চলগুলি যথেষ্ট দূর্ভোগে যায় এবং প্লাবিত অঞ্চলগুলি দুর্যোগের মধ্যে দিয়ে যাই কিন্তু তারা কোন ত্রাণ পায়না। তবে এবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী মজবুত বাঁধের পরিকল্পনা নেবেন। তারসাথে যে সমস্ত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত তারা প্রত্যেকেই যেন একটা দরখাস্ত লিখে বিডিও তে জমা করে, তাতে সবায় ক্ষয় ক্ষতির জন্য সাহায্য পাবে। যদিও তিনি জানিয়েছেন জমা করলে এবং তার সাথে প্রমাণ থাকে তাহলেই তারা অবশ্যই সেই ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক সাহায্য তারা পাবে। কিন্তু সবার কাছে অনুরোধ যে সবাই বিডিওতে জমা করা নিয়ে ভাঙচুর ও কোনো সমস্যা যেন না করে।

তিনি জানান- আপনাদের পাশে দাঁড়াবেন এবং সাথে সাথে আপনাদের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করার ও ক্ষমতা দেখিয়েছেন তিনি। সাথে শাঠে নির্দেশ যে দল নেতাদের কাছ থেকে কোনো নিয়ে কোনো অভিযোগ শুনতে চান না বরং তারা যেন গরিব-দুঃখীদের সাহায্যে যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে তার ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। তিনি বলেছেন প্রত্যেকের সমান ভাবে সাহায্য পাওয়ার অধিকার রয়েছে তিনি তা পূরণ করতে চান।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন