১২ই অক্টোবর থেকে চালু হচ্ছে স্পেশাল ট্রেন! কোন তিন টি রুটে চলবে ট্রেন জেনে নিন

0
Special trains will run on three routes
স্পেশাল ট্রেন

হাজার সংবাদ ডেস্ক: সকল রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর। পুজোর আগেই চালু হচ্ছে তিনটি রুটে স্পেশাল ট্রেন। স্পেশাল ট্রেন চলার দিনক্ষণ ঠিক হয়েছে 12 ই অক্টোবর। এর আগে জানানো হয়েছিল 12 ই অক্টোবর থেকে স্পেশাল ট্রেন চলবে এবং 13 টি রুটে তবে এবার আর পূর্ব রেল মন্ত্রক তা করছে না। এবার সেই 13 সংখ্যাকে কমিয়ে তিনটি রুট করা হয়েছে। এই তিনটে রুটে আপাতত চলবে স্পেশাল ট্রেন। যেমন হাওড়া থেকে দিল্লি, মালদা টাউন থেকে দিল্লি স্পেসাল এবং হাওড়া থেকে জামালপুর স্পেসাল। পূর্ব রেলের নিয়ম অনুযায়ী তিনটি রুটে চলবে আপাতত এই ট্রেনগুলি। প্রত্যেক দিন অর্থাৎ হাওড়া থেকে দিল্লী ট্রেন পরিবহন করবে সেই ট্রেন সপ্তাহের সব দিন চলবে। মালদা টাউন থেকে দিল্লি স্পেশাল ট্রেন চলবে সপ্তাহে তিন দিন এবং তিন দিন ছাড়া ছাড়া অর্থাৎ বৃহস্পতিবার করে চলবে হাওড়া জামালপুর স্পেশাল।

শুধুমাত্র যাত্রীদের সুবিধার জন্য নয় এই পুজোর সময় মানুষের অনেক অসুবিধায় পরত ট্রেন না চললে। শুধুমাত্র ট্রেন চলছে বলে মানুষের অনেক সুবিধা হবে তাতে। আর তার সাথে সাধারণ মানুষের সুবিধা বাড়বে। এর আগে পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যদি তেরোটি রুটে ট্রেন চলে তাহলে রেলের আর্থিক অবস্থা অনেকটাই ভালো হবে। কারণ 21 শে মার্চ থেকে করোণা পরিস্থিতিতে রেল ব্যবস্থা একেবারেই বন্ধ এবং কেন্দ্র কোন ভাবে ঝুঁকি নিয়ে রেল ব্যবস্থা চালু করতে চাই নি। যাতে পরিস্থিতি আরও কঠোর না হয়ে ওঠে তার জন্যই রেলের আর্থিক অবস্থা যথেষ্ট শোচনীয়। তার জন্যই এবার এই তিনটে রুটে ট্রেন চললে কিছু হলেও আর্থিক অবস্থা সামাল দেওয়া যাবে রেলের সেরকমই মনে করছে পূর্ব রেল।

যাত্রীরা 12 তারিখ থেকে স্বাভাবিকভাবে এই ট্রেনে যাত্রা করতে পারবে এবং তার জন্য বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনে এবং টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে এবং আগেও বুকিং করা যাচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে সেই প্রসেস চালু হয়েছে। পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই রেল এই তিন রুটে রেল পরিষেবা চালু হলে আর্থিক অবস্থা সামান্যতম সামাল দেওয়া যাবে। কিন্তু তেরোটি রুটে যদি চালানো হতো তাহলে খুব ভালোভাবে আর্থিক অবস্থা সামাল দেওয়া যেত। এখন রেলের আর্থিক অবস্থার যথেষ্ট শোচনীয় যখন স্বাভাবিকভাবে একদিনের বন্ধ থাকে সেখানে রেলের অবস্থা অনেকটাই খারাপ হয়ে। ওঠে আর এখানে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস একই ভাবে বন্ধ রয়েছে রেল পরিষেবা। তাতে আর্থিক অবস্থাতে এতটাই তান পরেছে যেখানে রেলের কর্মী ছাঁটাই থেকে শুরু করে একের পর এক বিভিন্ন রকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। রেল কর্মীদের রেল চালু হয় তাহলে সবাই অনেক বেশি সুবিধা হবে সাথে রেলকর্মী এবং রেলের আর্থিক অবস্থা।

একের পর এক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। এখন তিনটে যেমন স্পেশাল ট্রেন চলছে পরে হয়তো আস্তে আস্তে ট্রেনের পরিষেবা অনেক বাড়ানো হবে। তবে একেবারে কোন ঝুঁকি নিতে চাইছে না কারণ একের পর এক যেভাবে সংক্রমণ বেড়ে চলেছে তাতে কোনো ভাবেই ঝুঁকি নেওয়া সম্ভব নয়। তার জন্য আস্তে আস্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করাটাই খুব সাধারন। তার জন্যই এই নিয়ম তবে খুব শীঘ্রই হয়তো সমস্ত লোকাল ট্রেন চালু হতে পারে। তবে সেটা সিদ্ধান্ত হবে পুজোর পর। এই রকমই জানা গেছে সূত্রের খবর অনুযায়ী।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন