হাজারও সমস্যা নিয়ে এবার বিমত রেস্তোরাঁ মালিকরা

0
restaurant
নতুন সিদ্ধান্ত এবার রেস্তোরায়

হাজার সাংবাদ ডেস্ক: রেস্তোরাঁ খোলা নিয়ে আবারো প্রশ্ন উঠছে মানুষের মনে। প্রায় আড়াই মাস পরে কি বিধিনিষেধ নিয়ে রেস্তোরাঁ গুলি খোলা হবে সেটাই তো সব থেকে বড় কথা। এতদিন পরে রেস্তোরাঁ খোলার কথা বললেও আবশ্যক কোন নিয়ম দেয়নি বলে মালিকরা রেস্তোরাঁ খোলা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত রয়েছে। যদিও কোনো স্পষ্ট কথা ছিলনা রাজ্য সরকারের কিন্তু তাও রেস্তোরাঁর মালিকরা রাজ্য সরকারের মত অনুযায়ী 8 জুন রেস্তোরাঁ করার কথা জানিয়েছিল।

কিন্তু হাজারো সমস্যা রয়েছে রেস্তোরাঁ খোলা নিয়ে। অনেকেই আবার ভিন্নমত নিয়ে সমস্যার কথা জানিয়েছে কলকাতা শহরে একাধিক রেস্তোরাঁর পরিচালক এবং কর্ণধার অতিথি আপ্যায়ন নিয়ে। অনেকে এমনও বলেছেন যে তাদের বেশিরভাগ অতিথি অফিস কর্মচারী তাই তারা হোটেল খুললেও এখন সেটুকুও লাভ তারা পাবে না। আবার কিছু কিছু বিধিনিষেধ নিয়ে অনেক রেস্তোরাঁ নিয়ে সংশয়ে রয়েছে। যেমন একই টেবিলে বসা যাবে না, কোন দম্পতি পাশাপাশি বসতে পারবে না এবং রেস্তোরাঁতে প্রবেশ করার আগে হ্যান্ড গ্লাভস এবং মাক্স পরে ঢুকতে হবে তা না হলে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকতে পারে। রেস্তোরাঁ খুললেও কোন লাভ পাবেনা রেস্তোরাঁর মালিক এই কথা জানিয়েছে রেস্তোরাঁর কর্তৃপক্ষ।

এখন একেবারেই সাধারণ নয় পরিস্থিতি তাই আগের মত তারা আপ্যায়ন জন্য কোন অতিথি পাবেনা, তাই রেস্তোরা চালাতে যে খরচ AC, কারেন্ট বিল, লাইট এছাড়াও নানান ধরনের খরচ রয়েছে সেই খরচ পর্যন্ত তারা রোজদিন তুলে নিতে পারবে না। লাভের থেকে তাদের ক্ষতি হবে বেশি তাই কোভিদ-19 এর সময় তারা রেস্তোরাঁ খুলতে নারাজ। অনেক রেস্তোরাঁ ৮ ই জুনের পরেও দরজা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানবাজারের কাছে সারাবছর খুব ব্যস্ত একটি মাছ ভাতের হোটেলের মালিক দেবযানি সেন, তিনি জানিয়েছেন যে এখন তিনি হোটেল খোলার কথা ভাবছেন না কারণ তাদের সব অতিথি অফিসকর্মী বেশিরভাগেই শহরতলী থেকে আসেন। জুলাই মাসের মাঝামাঝি বা তার আগে হোটেল খোলা যাবে না। আবার অনেক রেস্তোরাঁ ও কফিহাউসের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে দূরত্ব রক্ষা নিয়ে অনেক বেশি ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। চাঁদনীচকে চীনা রেস্তোরাঁর বর্তমান কর্ণধার তরুণ চট্টোপাধ্যায় তিনি জানিয়েছেন কর্মচারীদের করোনা পরীক্ষা করতে হবে। যদি কোনো কারণে কেউ একজন সংক্রমিত হয় তাহলে বন্ধ থাকবে রেস্তোরাঁ। বিভিন্ন রেস্তোরাঁর কর্মী আবার জানিয়েছেন মাস্ক দেওয়ার পাশাপাশি ছোঁয়াচে সংক্রমণ এড়াতে হোয়াটসঅ্যাপ মেনুর মাধ্যমে পিডিএফ সরবরাহ করা হবে যেখান থেকে রেস্তোরাঁর সমস্ত মেনু অর্ডার করতে পারবে সেখানে বসে। প্রধানত কথাটি বলেছেন শিলাদিত্য ও দেবাদিত্য চৌধুরী।

এখন যা পরিস্থিতি তাতে কিছুটা হলেও রেস্তোরাঁর খাবার খরচ অনেকটাই বাড়বে। তবে অতিথিরা সবাই টেবিল বুক করে খেতে আসবেন। আবার অনেক রেস্তোরাঁ চালাতে না পারায় তারা ঝাঁপ বন্ধ করার কথা ভাবছেন। হাজারো সমস্যা নিয়ে আবারও পিছিয়ে গেল ৮ই জুন এরপর আবারও মত পরিবর্তন হলো যে ৮ ই জুন এর পর রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকতে পারে। এ বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকার কোন নির্দিষ্ট বিধি বা স্পষ্ট নির্দেশিকা দেননি।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন