জামিন না পেয়ে রিয়া আবার পালটা ধর্ষণের দাবিতে অভিযোগ জানিয়েছে!

0
Riya has complained about being threatened with rape in jail
জামিন পাইনি রিয়া

হাজার সংবাদ ডেস্ক: অভিনেতা সুশান্ত সিংয়ের মৃত্যুর পর থেকে রিয়া চক্রবর্তীকে বিভিন্ন রকম ভাবে কুৎসা করা হয়েছিল এবং সেই সুত্রে বিভিন্ন তরফ থেকে জেরা করা হয় কিন্তু হাজার জেরাতেও তিনি কোন ভাবে নিজেকে ধরা দেননি। কিন্তু বিভিন্ন প্রমাণ এবং বিভিন্ন জিজ্ঞাসাবাদের পর শেষ অবধি রিয়া চক্রবর্তী নিজে স্বীকার করেছেন তিনি নাকি মাদকদ্রব্যের সাথে যুক্ত রয়েছে এবং তিনি মাদক সেবনও করেন। সিকারের আগে তিনি এবং তার আইনজীবী বিভিন্ন রকম ভাবে তার আগে জানিয়েছিল যে তিনি মাদক সেবন করেন না, প্রয়োজনে ব্লাড টেস্ট করাতে পারে। কিন্তু এখন রিয়া চক্রবর্তী অন্যরকম মাথা চালিয়ে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

৮ সেপ্টেম্বরে রিয়া চক্রবর্তীকে মাদকদ্রব্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য গ্রেপ্তার করা হয় এবং সেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তিনি পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। কিন্তু বেশ কয়েকদিন ধরে তিনি জামিনের জন্য আবেদন করছিলেন মুম্বাইয়ের বিশেষ আদালতে। জামিনের দাবি খারিজ করল না রিয়া চক্রবর্তীর। যেখানে জামিনের জন্য আবেদন করেছিল সেই আবেদন কোনোভাবেই মানতে রাজি নয় মুম্বাই বিশেষ আদালত। সেখান থেকে বেশি করে গুরুত্ব দিয়েছে এনসিবির প্রমানের উপর। কারণ এর প্রমাণ সাপেক্ষে যথেষ্ট মূল্যবান কারণ তারা জানিয়েছিল যে যদি কোন রকম ভাবে রিয়া জামিন পাই তাহলে প্রভাবশালী মানুষের সাথে প্রমাণ লোপাট করতে পারে। তাতে অসুবিধে হতে পারে তদন্তের অনেক বেশি।

সেখানে আমরা প্রমান খুঁজে পাবো না তাই কোন রকম ভাবে রিয়াকে জামিন দেওয়া সম্ভব নয়। আর এদিকে রিয়া চক্রবর্তী জামিনের দাবিতে আরো অনেক অভিযোগ দায়ের করেছে, রিয়া জানিয়েছে তিনি জেলে থাকাকালীন পুলিশ হেফাজতে থাকা কালিন তাকে যথেষ্ট রকম ভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে এবং এনসিবি আমার মুখ থেকে বাধ্য করিয়ে মাদকদ্রব্যের সঙ্গে যুক্ত স্বীকারোক্তি বের করছে কিন্তু আমি বাধ্য হয়ে এগুলো করছি। এর থেকে বেশি কিছু বলার নেই আমরা আমরা সাথে অন্যায় করা হচ্ছে। তিনি আর বলেন এনসিবির জিজ্ঞাসা বাদের সময় আমার আইনজীবীর সঙ্গে কোনো রকম ভাবে যোগাযোগ করতে দেয়নি এবং আইন অনুযায়ী সেখানে কোন মহিলা স্টাফ রাখাও হইনি তাই আমাকে বার বার নিগ্রহ হতে হচ্ছে।

কিন্তু আদালতের কিছু নিয়ম-কানুন ও আইন-কানুন মানতে দেয়নি আমার আইনজীবীকে। আমি কোন ভাবে আইনের নিয়ম-কানুন মেনে চলতে পারি নি। কারণ আমার সাথে আমার আইনজীবীর যোগাযোগ করতে দেয়নি এনসিবি। তার সাথে আমি জেল হেফাজতে থাকা কালিন আমার বাড়ি থেকে আনা জামাকাপড় সব কিছুকেই ফেরত পাঠিয়েছেন। এছাড়াও সেখানে আমার ওপর সারাক্ষণ নিন্দামন্দ এবং মানসিক অত্যাচার করা হচ্ছে। তার সাথে সাথে ধর্ষণের অভিযোগ করেছে আমাকে। রিয়া চক্রবর্তী বলেন পুলিশ হেপাজাতে থাকা কালিন সেখান থেকে তিনি নাকি ধর্ষণের হুমকি ও পেয়েছেন বারবার মানসিক অত্যাচার এবং তার সাথে ধর্ষণের জন্য যে হুমকি তার অত্যাচার তিনি নিতে পারছে না।

তার জন্য তার জামিনের দরকার। এই প্রসঙ্গে বিভিন্ন মহল থেকে জানানো হয়েছে যে তার সাহস দেখে সবাই অবাক এতটাও মিথ্যে কথা কিভাবে জড়াতে পারে কারণ এনসিবি কোন মতে আইনের বাইরে গিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না। এনসিবি যা করেছে তা ঠিকই করেছে কারণ আইনের বাইরে গিয়ে এনসিবি কোন কাজ করবে না। একটা সত্যিকারের প্রমাণ করতে যদি কিছু করে থাকে তাহলে সেটা তাদের রাইট রয়েছে। কিন্তু রিয়া চক্রবর্তী এই কথা বলতে পারেন না। যদিও রিয়া এতকিছুর পরেও কোনভাবে জামিন দিতে রাজি হয়নি বিশেষ আদালত। রিয়া চক্রবর্তী জামিন খারিজ করলেও তিনি হাল ছেড়ে দেননি। তিনি হয়তো আবারও জামিনের জন্য আবেদন করবে। অন্য রকম ভাবে কিন্তু এনসিসির তরফ থেকে কিরকম পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে রিয়া চক্রবর্তী জন্য এই সমস্ত কথা বার্তার জন্য তা জানানো হবে খুব তাড়াতাড়ি।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন