কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করতে কিসমিসের অতুলনীয় ব্যবহার জানুন!

0
raisin benefits of human body
কিসমিসের অতুলনীয় ব্যবহার

হাজার সংবাদ ডেস্ক: কিসমিস অনেক কঠিন রোগ থেকে মুক্তি দিয়ে থাকে । কিসমিসের উপকারিতা জানলে চক্ষু চড়ক গাছ।

কিসমিস আমদানি হয় আফগানিস্তান থেকে। আফগানিস্তান থেকে আমদানি হলেও এখন নানা জায়গায় পাওয়া যায়। এটি সকলেরই প্রিয় খাবার। ছোট থেকে বড় সবাই পছন্দ করে। এই কিসমিস আবার নানা ধরনের খাবারের মধ্যেও ব্যবহার করে থাকে বিশেষ করে মিষ্টি ধরনের কোন খাবারের মধ্যে ব্যবহার করে থাকে সবাই। তার স্বাদ বাড়ানোর জন্য আবার একই জিনিস দিয়ে মিষ্টি সাজিয়ে থাকে যাতে সে মিষ্টিটা দেখতে ভালো লাগে। কিন্তু আপনারা কি জানেন এই সুস্বাদু ফলটি মধ্যে কত পুষ্টিগুণ ভরে আছে। জেনে নিন সেই পুষ্টিগুণ।

কিসমিস এর মধ্যে কিছু উপাদান আছে যা আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি যোগান দিতে সাহায্য করে। অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগে থাকে। খাবার নানা ভাবে বেচেও সে সমস্যা দূর করতে পারে না সঙ্গে সঙ্গে খাবার ঠিকঠাক হজম হয়না। তাই নিয়মিত কিছুটা পরিমাণ কিসমিস আপনার খাদ্য তালিকার মধ্যে রাখুন খুব সহজেই এই কিসমিস খাবার কে হজম করতে সাহায্য করে থাকে। এবং আস্তে আস্তে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হতে থাকবে।

কিসমিসের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম যা আপনার শরীরে হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে থাকে বা আপনার দাঁত কেও মজবুত করতে সাহায্য করে। যাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব আছে বা হাড়ের কোন সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা নিয়মিত কিসমিস খেলে উপকার পাবেন।

অনেকেই খুব রোগা হয়ে থাকে বা তার সঙ্গে প্রচুর ওজন কম হয়ে থাকে। শরীরে সেই ওজন সাময়িকভাবে বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য কিসমিস খুব ভালো কাজ দেয়। নিয়মিত কিসমিস খাওয়া গেলে সাময়িকভাবে কিছুটা ওজন বাড়িয়ে দিতে সক্ষম করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করতেও খুব ভালো কাজ দেয় কিসমিস। ক্যাটেচিন নামক এক প্রকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিসমিসের মধ্যে থাকার কারণে ফ্রিরেডিকেল ধ্বংস করে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে থাকে। এই ফ্রিরেডিকেল হলো ক্যান্সারের কোষ বাড়িয়ে দিতে থাকে। শরীরের মধ্যে ভেসে বেড়ানো এই ফ্রিরেডিকেল।

শরীরের উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে দিতে সাহায্য করে থাকে কিসমিসে মধ্যে থাকা পটাশিয়াম। যারা ব্লাড প্রেসার এর সমস্যায় ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে কিসমিস খুব ভালো কাজ দেয়।

তাই মোটামুটি সবরকম রোগ নিরাময় করতে কিসমিস অনেক বেশি কার্যকরী। আজ থেকে এটি ব্যবহার শুরু করুন আর সুস্থ থাকুন। নিজের শরীর বুঝে নিতে নিজেকেই সতর্ক হওয়া দরকার। তাই কিসমিস অবশ্যই খান আর স্বস্তি তে থাকুন।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন