পড়ুয়াদের কথায় সিদ্ধান্ত বদল হতে পারে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে!

0
rabindra-bharati-university-instructed-to-take-the-test
নতুন নিয়ম রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ব বিদ্যালয়ে

হাজার সংবাদ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের প্রকোপে লকডাউন থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কে নতুন করে বহু সিদ্ধান্ত মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে সমস্ত শিক্ষা ব্যবস্থা। নিয়ম অনুসারে ৮০% প্র্যাকটিক্যাল দেখে এবং ২০% অভ্যন্তরীণ অ্যাসেসমেন্ট এর মাধ্যমে গড় মাত্রায় ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। পরীক্ষা নেওয়ার কোনো প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে।

কিন্তু এবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় বদল হচ্ছে সিদ্ধান্তের। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা পদ্ধতি অবলম্বনের কথা জানাচ্ছে কলেজ বৈঠক। অন্য কলেজ গুলো জানিয়েছে পরীক্ষা না নিয়েই ফল প্রকাশ হবে জুলাই মাসের মধ্যেই। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ ছাত্র-ছাত্রী জানিয়েছে তাদেরকে পরীক্ষার মাধ্যমে ফল প্রকাশের আবেদন। আবার আরও একাংশ ছাত্র-ছাত্রী জানিয়েছে যে তাদের ফল প্রকাশ করা হোক। যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষার জন্য আবেদন করছে সেই সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক বেশি। তাই সেদিকে পক্ষপাত হবে বলে জানা যাচ্ছে।

কারণ তাদের বক্তব্য রবীন্দ্রভারতীতে শিল্পকলা এইরকম বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা তাদের প্র্যাকটিক্যাল টা সব থেকে বেশি দরকার কারন তাদের ফাইনাল অনেক বেশি প্র্যাকটিক্যালের দরকার টা না হলে তাদের ভবিষ্যতে কোন চাকরি স্থানে সমস্যা হতে পারে। দৃশ্যকলা বিভাগের পড়ুয়ারা জানিয়েছে যে এই চূড়ান্ত বছরে তারা প্র্যাকটিক্যালি বহু কাজ করে থাকে যেমন শর্ট ফিল্ম শেখে তার সাথে গানের লিরিকে সুর দিতে সক্ষম হয় তারা। এবং তার সাথে নিত্য বা নাটকে ষ্টেজ পারফরমেন্স করার সুযোগ পায় তাই এই চূড়ান্ত বর্ষে যথাযথ প্রশিক্ষণ না পেলে ভবিষ্যতে অনেক সমস্যা আসতে পারে তাদের।

তাছাড়া তারা জানিয়েছে যে বাড়ি থেকে অভ্যন্তরীণ ক্লাস নেওয়ার জন্য অনেকেই সেরকম কোনো ব্যবস্থা নেই সেখানে কারণ শিল্পকলা বিভাগে যারা রয়েছে তাদের জন্য ছাপার কাগজ, গ্রাফিক্স প্রিন্টিং এর কাগজ এবং পাথর রং তুলি থেকে শুরু করে বহু যন্ত্রপাতি বাড়িতে নেই। তাই বাড়ি থেকে প্রশিক্ষণ চালানো কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে একগুচ্ছ ছাত্র-ছাত্রী।

তাই বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী তেরোটি সদস্য বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরাও থাকবে একই বৈঠকে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কোন সিদ্ধান্তে রেজাল্ট নির্বাচন করা হবে নতুন করে কোন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কিনা। কারণ একাংশ ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ছিল যখন পরিস্থিতি সাধারণ হবে তখন থেকেই ক্লাস করে তারা পরীক্ষা দিয়ে রেজাল্ট হাতে পেতে চায়। আবার একাংশ চেয়েছে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হোক তার কারণ বাড়িতে বসে অভাবে দিন গুনছে অনেকেই তাই সার্টিফিকেট হাতে মিললে অল্প হলেও কিছু টাকা ইনকাম করে সংসার চলবে অনেকের। তাই দু পক্ষের কথায় বিশ্ববিদ্যালয় কি সিন্ধান্ত নিচ্ছে এবার টা দেখার।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন