পুজোয় ঝাকজমক ভাবে কেনাকাটা নেই! ধু ধু করছে গড়িয়াহাট-নিউ মার্কেট! তাহলে কি অনলাইন বাজারে ভীর জমেছে কেনাকাটার ধুম

0
puja marketing is emphasizing in online shopping
পুজো শপিং

হাজার সংবাদ ডেস্ক: পুজোর বাজারে নেই দুমদুমা একেবারে ধুধু করছে মার্কেট। প্রত্যেকটা মার্কেটে কোন বেচাকেনা নেই বরং সাধারণ অবস্থায় তার থেকেও অনেক বেশি বেচাকেনা হয় বলে জানাচ্ছে দোকানিরা। বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গোৎসব আর এই দুর্গোৎসবে মানুষের সব থেকে বেশি ইনকাম এই সময়ই হয় আর ইকোনমিক ব্যাপারেও অনেকটা এগিয়ে যায়। তার সাথে অনলাইন শপিং গুলো কিন্তু এবার আর তা হচ্ছে না মল থেকে শুরু করে মার্কেট এবং সমস্ত ফুটপাতের দোকান গরিয়াহাট নিউমার্কেট এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় পুজোতে যেখানে গলানো যায় না সেই জায়গা এখন দুধু করছে। সাধারণভাবে যেমন বেচাকেনা হয় সেরকম ভাবেই বেচাকেনা হচ্ছে সেসব দোকানে।

অক্টোবরে তৃতীয় সপ্তাহে পুজো। এতদিনে পুজোর কেনাকাটা হয়ে যায় আবার অনেকেই আছে পুজোর আগের দিন পর্যন্ত কেনাকাটা করতে যায় তাই পুজো মানে একেবারে ঠাসাঠাসি টানাটানি অবস্থা কিন্তু সেখানে এবছর একেবারেই উল্টো রকম চিত্র দেখা যাচ্ছে কোন মার্কেটে তেমন ভাবে লোক নেই। তবে তথ্যপ্রযুক্তি বলছে অনলাইনের ওপর জোর দিয়েছে সাধারন মানুষ। এরকমই কথা বলছে মানুষ অনেক বেশি সচেতন তার জন্যই কি আসছে না নাকি করোনার ভয়ে আসছে না কেনা কাটা করতে। আসল কারণ কি তা এখনো বোঝা যায়নি তবে মানুষ অনেক বেশি সতর্ক সেটাতে প্রমাণ মিলেছে। তা না হলে অনলাইন মার্কেটে এত বেশি জোর পড়তো না আবার অনেকেই রয়েছে যাদের পকেটে টানাপোড়েন চলছে তার জন্য কেনাকাটা সেরকম জানিয়েছে অনেকে অনেক সাক্ষাৎকারে তারা জানিয়েছে যে একেবারেই যেখানে কেনাকাটা না করলেই নয় তাই বাড়ির বাচ্চাদের জন্য কেনাকাটা করছে দ্বারা কারণ তাদের অর্থনৈতিক সমস্যা রয়েছে এই লকডাউন পরিস্থিতিতে।

আর যাদের রয়েছে তারা অবশ্যই অনলাইনে কেনাকাটা করছে শুধু অনলাইনে কেনাকাটা করছে তা নয় অনলাইনে কেনাকাটা তিনগুণ বেড়ে গিয়েছে। অন্য সময় থেকে কারণেই লকডাউন পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেছে এবং বেশিরভাগ অনলাইন সাইট অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে হোম ডেলিভারি দেওয়ার জন্য থেকে শুরু করে সমস্ত বিষয়ে সাহায্য করেছে অনলাইন সাইট আর তাই পুজোতে সাধারণ দোকানির থেকে অনলাইন বিজনেস অনেক বেশি লাভবান হচ্ছে। এবং অনলাইন বিজনেস মানুষ অনেক বেশি ভরষা করছে যেখানে বাইরে বেরোতে হচ্ছে না নিজেরা বাড়িতে বসে নিজে সুরক্ষা নিজের কাছে রেখে পছন্দমত নিজের জিনিসকে। তাই এখন প্রত্যেকটা কেনাকাটার মার্কেটের আলাদা রকম চিত্র রয়েছে।

কেনাকাটা করার মত সাধারণ মানুষের অত পয়সাও নেই এখন সেরকম জানিয়েছে অনেকেই এই পরিস্থিতিতে দোকানিরা অনেক বেশী চিন্তিত কারণ তারা জানাচ্ছে পুজোর সময় সব থেকে বেশি বেচাকেনা হয় তাদের এবং পুজোর সময় তারা অর্থনৈতিক দিকটা একটু এগিয়ে নিতে পারে কিন্তু লকডাউন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সমস্যা ছিল আর তার ওপর পুজোর সময় যে অর্থনৈতিক ভাবে একটু সফলতা দেখা যায় তাতেও একেবারে শুন্য ভান্ডার একেবারে ঢুঢু করছে। কিভাবে সমস্যার সমাধান হবে তারা কেউ জানেনা কারণ এই করোণা সংক্রমণে মানুষের নিজের সুরক্ষা এবং নিজেদের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে তারা বাইরে কেনাকাটা বন্ধ করেছে শুরু করেছে অনলাইন কেনাকাটা। আবার অনেকেরই রয়েছে অর্থনৈতিক সমস্যা তাই গড়িয়াহাট নিউমার্কেট এইরকম জমজমাটি কিছু জায়গায় কেনাকাটা একেবারেই বন্ধ নতুন চিত্রে জেগে উঠেছে এ বছরের দুর্গোৎসব।

একেবারেই সাবধান অবস্থা যেখানে মানুষ জন্য তাহলে কি পুজোতে বেরোবে না সাধারণ মানুষ নাকি অনলাইন কেনাকাটার মধ্যে নতুন নতুন সাজে মণ্ডপে দেখা যাবে বহু মানুষকে। নতুন সাজে নতুন জামা কাপড়ে অনলাইনে অনেক বেশি সহায়তা নিয়েছে সাধারন মানুষ আর অনলাইন প্রত্যেকটা বিজনেস অনেক বেশি এগিয়েছে এবং মানুষের জন্য সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছে তাই এই পরিস্থিতিতে অনলাইন কেনাকাটা করে নতুন সাজে নতুন ভাবে মণ্ডপে দেখা যাবে হয়তো সাধারণ মানুষকে। এই রকমই মনে করা হচ্ছে সমীক্ষা তথ্য সেরকমই কথা বলেছে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন