জোরকদমে প্রস্তুতি প্রত্যেক প্ল্যাটফর্মে! বুধ বার থেকে চলছে লোকাল ট্রেন

0
platform rearrangement for start the local train
লোকাল ট্রেন

হাজার সংবাদ ডেস্ক: আগামী বুধবার থেকে চালু হতে চলেছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। এই লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হবার জন্য বিভিন্ন দিকে কাজ চালু হয়েছে এবং প্রত্যেকটা স্টেশনে আলাদা আলাদা ভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য পরিসেবা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং সেই পরিষেবায় যাতে সাধারন মানুষের অনেক বেশি সুবিধা হয় তার জন্য এই পরিস্থিতি। প্রত্যেকটা জায়গাতে শুধু নয় শিয়ালদার মত এইরকম একটা জনবহুল স্টেশনেও পরিবর্তন করা হয়েছে।

সেখানেও প্রত্যেকটা প্ল্যাটফর্মের সামনে আলাদা আলাদাভাবে ব্যারিকেড যেমন করা হয়েছে ঠিক একই রকম ভাবেই ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে যেখানে টিকিট কাউন্টারের যাত্রীরা টিকিট কাটবে তাদের জন্য যেমন আলাদা ঠিক একইভাবে যারা যাত্রী রয়েছে তাদের জন্য আলাদা লাইন যাতে কেউ কাউকে স্পর্শ না করতে পারে। এই পরিষেবার মাধ্যমে হয়তো সুবিধা হবে অনেক সাধারন মানুষের। তাই রেল কর্মীরা যথাযথভাবে উদ্যোগ নিয়েছে যাতে পরিস্থিতি থেকে কোনরকম ভাবে সংক্রমণ না ছড়ায়। এবং সংক্রমণ যাতে ক্রমবর্ধমান মাত্রাই থাকে তার জন্য অতি অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জনসাধারণ কথায় ট্রেন চালাতে গিয়ে সাধারন মানুষের সমস্যা হতে পারে তার জন্য এই ব্যবস্থা আর এই পরিষেবা শুধুমাত্র গ্রহণ করা হয়েছে সাধারণ মানুষের স্বার্থে তারা চায় তাহলে তাদের আই ইনকাম হবে। ইনকাম বন্ধ রেখে বাড়িতে বসে থাকা তাদের পক্ষে সম্ভব নয় আর এই পরিস্থিতির জন্য তাদের উক্তি ট্রেন চালানো হোক আর রাজ্যের তরফ থেকে সেই জন্য নির্দেশ করা হয়েছে যে পূর্ব রেলের তরফ থেকে ট্রেন চালানো হবে এবং সেই ট্রেনে যথাযথ বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হবে। তবে বিধিনিষেধ মানতে গেলে বিভিন্ন লাইনে যথাযথ ভীর এড়ানোর জন্যই প্রত্যেকটা আলাদা ভাবে পুনর্গঠন চলছে প্লাটফর্ম গুলকে। নতুন সংগঠন শেষ হবার পর তবে তার আগে প্রত্যেকটা স্টেশনে আলাদা আলাদাভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হচ্ছে যাত্রীদের অসুবিধা না হয়।

তার সাথে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বজায় থাকে তবে বেশকিছু স্টেশনে নতুন নতুন ভাবে পুনর্গঠন হলেও সেই সমস্ত স্টেশনে অনেক রকম ভাবে যাত্রীদের যাতায়াত চলে যেমন টিকিট কাউন্টারের কাছে ইন এবং আউট গেট নেই আবার কোথাও বা প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন সাইট থেকে ইন এবং আউট গেট রয়েছে সেখানে অনেক বেশী সমস্যা হবে কারণ নির্দিষ্ট কোন ইন এবং আউট না থাকায় যাত্রীদের সংক্রমণের ভয় থাকবে অনেক বেশি। কারণ চেকিং এবং থার্মাল স্ক্যানিং ছাড়া স্যানিটাইজেশন ছাড়া স্টেশনে যারা প্রবেশ করবে তাদের থেকেই ছড়াতে পারে সংক্রমণ তার জন্যই প্রত্যেকটা প্লাটফর্ম আলাদা আলাদা ভাবে পুনর্গঠন করা হচ্ছে এবং সেই পুনর্গঠন এর মাধ্যমে যাতে সংক্রমণকে অনেক বেশি কমানো যায় তার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিশেষত যে সমস্ত জনবহুল প্ল্যাটফর্ম রয়েছে সে সমস্ত প্লাটফর্মে অতি অবশ্যই সেই সমস্ত প্ল্যাটফর্ম গুলিকে ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং করোনা মোকাবেলা করার জন্য সেই সমস্ত প্ল্যাটফর্মকে উপযুক্ত করে তোলা হচ্ছে এবং গার্ডের ব্যবস্থাও রয়েছে একই রকমভাবে শিয়ালদা স্টেশনে। রবিবারও সেই ব্যবস্থার ত্রুটি নেই যথাযথভাবে কাজ করেছে কর্মীরা এবং তার সাথে সাথে একই রকম ভাবে কাজ করবে দিন রাত জেগে। তারা কাজ করছে শুধু একটাই কথা ভেবে বুধবার থেকে চলবে লোকাল ট্রেন আর তাতে সংক্রমণ এড়ানোর জন্য কারণ একবার ট্রেন চালু হয়ে গেলে আবারো ব্যস্ততম স্টেশন প্লাটফর্ম সবকিছুই অতি ব্যস্ত হয়ে উঠবে আর সেখানে সমস্যায় পড়তে হবে সাধারণ মানুষের। তাই এই ফাঁকা অবস্থাতে অনেক বেশি কাজ সেরে ফেলতে হবে। রেল কর্মীদের আর সেই নিয়ম মেনে চলছে তারা।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন