পতঞ্জলির সার্থকতাই বাজারে এলো করোনার ওষুধ!

patanjali medicine for covid-19
পতঞ্জলি নিয়ে এলো করোনা মুক্তির ওষুধ

হাজার সংবাদ ডেস্ক: বাজারে গ্রাহকদের থেকে পুরোপুরি সার্থকতা না পেলেও আজও হাল ছাড়েনি পতঞ্জলি প্রোডাক্ট। এবার করোনা ঔষধ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন রামদেবের পতঞ্জলি প্রোডাক্ট। এর আগেও আমরা শুনেছি প্রথম যখন করোনা প্রভাব নিয়ে আমাদের দেশে এই সংক্রমণ ছড়াচ্ছিল ঠিক তখনই তিনি নাকি নিজে গোমূত্র পান করে করোনা তাড়ানোর জন্য। অগ্রসর ভূমিকা নিয়েছিলেন কিন্তু তার জন্য তাকে হসপিটালে ভর্তি হতে হয়েছিল।

তাই এবারে মেডিসিন তৈরি করলেও তা নিয়ে কেন্দ্র সরকার পক্ষ থেকে যথেষ্ট ভাবে খবর খতিয়ে দেখছে। কিভাবে তৈরি এই ওষুধ কি কি দিয়ে তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন গবেসনাগারে পাঠানো হবে পরীক্ষা করার জন্য কেন্দ্রের আদেশ আয়ুষ মন্ত্রকের উপর। যদিও কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদে রামদেব জি জানিয়েছেন যে এই মেডিসিন ব্যবহার করা হয় ২৮০ জনের। মত সব মানুষ সেরে উঠেছে। মুক্তি পেয়েছে করোনা থেকে এবং তার প্রমান স্বরুপ সবই জমা করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের হাতে। তারমধ্যে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (হু) জানিয়েছে যে করোনার প্রতিষেধক হবে কিনা ঘরোয়া টোটকা। তা একেবারেই বৃথা তবে করোনা উপসর্গ নির্মূল করার জন্য ঘরোয়া টোটকা অবশ্যই কাজে লাগতে পারে কিন্তু নির্মূল করার ঔষধ হিসেবে কোন ঘরোয়া টোটকা কাজ করবে না। যেখানে এত বিশেষজ্ঞ এবং গবেষণাগারে ওষুধ তৈরির পরীক্ষা চলছে এখনও পর্যন্ত কোন ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। ঠিক সেই সময় ঘরোয়া টোটকার ওপর ভরসা করাটা খুব একটা বুদ্ধিমত্তার কাজ নয়।

কিন্তু এই দুর্যোগের সময় কেন্দ্র সরকার তা খতিয়ে দেখার কথা বলেছে, এই মেডিসিনে অর্থাৎ এই পতঞ্জলি মেডিসিনে কি কি রয়েছে এবং কি দিয়ে ঔষধ তৈরী করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। বিপরীত দিকে রামদেব জানিয়েছে যে এখনো পর্যন্ত ২৮০ জনের মত মানুষকে সংক্রমণ থেকে বের করে আনতে পেরেছে। এবং প্রথমে ৯৬ জনের উপর এই মেডিসিন প্রয়োগ করা হয় দুই সপ্তার মধ্যে তারা একেবারেই সেরে ওঠে। এবং তারপর আরো কিছু জনের উপর এই মেডিসিন পুশ করা হয় তারাও ১০০% সুস্থ। করোনা অবহের প্রথম থেকে শুরু করে এখনো পর্যন্ত গবেষণার মাধ্যমে এই ঔষধ বানিয়েছে রামদেব একাডেমী। তিনি জানিয়েছেন যে সাত দিনের মধ্যেই করোনা সারাবে এই ওষুধের মাধ্যমে। করোনার জন্য যে ওষুধ গুলো বাজারে মিলছে তা হল করোলিন এবং শাসোড়ি নামে দুটি ওষুধ।

কিন্তু কেন্দ্র সরকারের সতর্কবার্তা অনুযায়ী ঔষধের সঠিক মান যাচাই এবং পরীক্ষা না করে বাজারে ছড়ানো একেবারেই বন্ধ এবং তা যেন বন্ধ থাকে গবেষণা ফাল প্রকাশের আগে পর্যন্ত। সেই সুত্রে রামদেব জানিয়েছে যে পতঞ্জলি এবং এন আই এম এস এর যৌথ গবেষণার মাধ্যমে এই ঔষধ তৈরি করা সহজ হয়েছে। তা জতেস্থ পরীক্ষা করে তৈরি হয়েছে। এবং সেই ঔষধ দিল্লি এবং আমেদাবাদে বেশ কিছু মানুষের মধ্যে পুশ করা হয়েছিল এবং তারা এখন করোনা মুক্ত এই বলে দাবি করেছে। তবে কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কোন হাসপাতলে গবেষণা করা হয়েছে কি কি রয়েছে সেই ওষুধের মধ্যে এবং ওষুধের লাইসেন্স এবং বাজারে ছাড় পত্র আচগে কিনা আর কি কি ছাড়পত্র রয়েছে তা খতিয়ে দেখার জন্য আবেদন আয়ুস মন্ত্রকের।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন