পুবের হাওয়া নেই তাও এত ইলিশ! যা দেখে উচ্ছাসিত মালিক তাই ১ ভরী ওজনের সোনার হার পেল পাইলট

0
one tollar fulfill hilsa catch to padma river
এক টলার মাছ ধরে নিয়ে এল পাইলট

হাজার সংবাদ ডেস্ক: বাংলাদেশের একটি ট্রলার মাঝ সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে 170 মন ইলিশ তুলে মালিকের কাছ থেকে পেয়ে গেল এক ভরি সোনার হার। আল মদিনা বরিশাল জেলা থেকে ১৭ আগস্ট পাথরঘাটা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এই টলার। ১৯ থেকে ২২ তারিখের মধ্যে এই ট্রলারের পাইলট ইমরান হোসেনের আদেশে ট্রলারের জেলেরা অনেক জায়গায় জাল পেতেছেন। তেমন কিছু মাছ পেয়ে ওঠে নি। তিনি ওখান থেকে চলে গিয়ে চট্টগ্রামের মৌখালী বলে কোন এক জায়গাতে গিয়ে তার মনে হয়েছিল সেখানে হয়তো মাছ পেতে পারে জলের কোন রকম অবস্থা দেখে। সেই সঙ্গে সঙ্গে তিনি জেলেদেরকে সেখানে জাল ফেলার কথা বলে রাত অপেক্ষা করার পর পাইলট সহ জেলেদের হাসি ফুটল মুখে কারণ সকালে উঠে জাল টানতে দেখল জাল সাদা হয়ে উঠে আসছে অনেক ইংলিশ। প্রাই দেড়শ মনের বেশি ইলিশ।

এই খবরটা পেয়ে খুব উল্লাসের সঙ্গে ইমরান জানায় ফোন করে। এত মাছ ধরেছে সেটাও একবার জাল ফেলা তে কত আনন্দের খবর। 24 তারিখ সকালে পাথরঘাটা ঘাটে আসে আল মদিনা। আসা মাত্রই মাছ ধরার এই সাফল্যে ইমরানকে তার মালিক এক ভরি সোনার হার পরিয়ে পুরস্কার দেয়। এত মাছ পড়ার খবর শুনে ওখানকার অনেক পাইকারি বেবসায়ি এসে হাজির হয়েছিল ঘাটে। ৬৩৪৫ গুলো মাছের ওজন ছিল প্রায় 1 কিলোর বেশি। এই ইলিশ এর সঙ্গে যুক্ত ছিল আর ও অনেক রকমের মাছ।

তার ওজন ও ছিল আড়াই কেজির বেশি। এ বছর ইলিশ মাছের দাম অনেক বেশি। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পুবের হাওয়া না হওয়াতে ইলিশের দেখা মেলেনি খুব একটা। যে সময় মৎস্যজীবীদের ইনকাম করার সময় সেই সময় সরকারি নিষেধ ছিল করোনার জন্য আর ইয়াশ ঝরের কারনে। তার উপরেও জেলেরা মাছ ধরতে গিয়ে চার থেকে পাঁচ ঝুড়ির বেশি মাছ নিয়ে আসতে পারছে না তার জন্য তাদের যে পরিমাণ খাটতে হয় সে অনুযায়ী আয় হচ্ছে না। যেখানে গত বছর মৎস্যজীবীরা উপর উপর মাছ ধরেছে। গত বছরের তুলনায় অল্প হলেও জেলেরা মাছ ধরে আনতে পারছে না। এই সময় সেই সাগরের বুকে গিয়ে ইমরানের আল মদিনা টলার এত মাছ ধরে আনার সফলে মৎস্যজীবীদের মনের আশা করছেন হয়তো ইলিশের সময় যখন পার হয়ে গেল তখন কি আমাদের দিকে তাকাল ওপরওয়ালা। সত্যি ভাজ্ঞ এভাবে বদলায়।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন