সুস্থ হয়ে উঠুক ঐন্দ্রিলা! খুব তাড়াতাড়ি টিভির পর্দায় দেখতে চাই দর্শক! কিন্তু শরীর যে সায় দিচ্ছেনা

0
oindrila health condition detoriate time to time
দিনের পর দিন অসুস্থ হয়ে পরছে ঐন্দ্রিলা

হাজার সংবাদ ডেস্ক: এই সেই প্রজ্জলিত না ঐন্দ্রিলা শর্মা। যিনি একের পর এক কেমোথেরাপি থেকে শুরু করে অস্ত্রপ্রচার শরীরের উপর এই ধরনের প্রভাব হাসিমুখে মেনে নিচ্ছে। যার কর্ম জগতেও এক অভিনেত্রী হিসাবে নাম রেখেছে। এবার জানা গিয়েছে অভিনেত্রী আবার এক মারণ রোগে আক্রান্ত হয়েছে যেটা হলো কর্কট রোগ। তিনি ভেবেছিলেন অস্ত্রোপচারের মতন বড় একটা ধাক্কা যদি শরীরে সয়ে নেওয়া যায় তাহলে পরে আর অত কষ্ট হবেনা কিন্তু সে ধারণাটা তার ভুল প্রমাণিত হল সে তার থেকেও বেশি কষ্ট পেয়ে যাচ্ছে তার শরীরে দেওয়া কেমোথেরাপি।

তাই দিনের পর দিন ক্লান্ত হয়ে পড়ছে অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। এই পরিস্থিতি পাশে রয়েছেন তার জিবনের খুব কাছে একজন মানুষ। সভ্যসাচি চৌধুরী যিনি বামদেব অভিনয় করছেন। তিনি হলেন ঐন্দ্রিলার খুব কাজেন এবং মনের মানুষ। তিনি জানিয়েছেন ঐন্দ্রিলার অসুস্থতার কথা নেট মাধ্যমে ছরিয়েছে। তিনি জানিয়েছে ঐন্দ্রিলার এই মারণ রোগ টা তার ফুসফুসের উপর বাসস্থান করেছে। ঐন্দ্রিলার প্রেমিক হিসাবে সব রকম শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়েছে। এই অবস্থাতে তিনি বলেছেন ঐন্দ্রিলা প্রতিনিয়ত কষ্ট পাচ্ছে মাঝে মাঝে তার শরীরে রক্তের মাত্রা কমে যায়। তার গোটা শরীর যন্ত্রণায় ছিড়ে যায়। বিছানা থেকে উঠতে পারে না নানান রকম ভাবে কষ্ট পায় সে। সব্যসাচী নিজেও জানিয়েছে তার প্রেমিকাকে মাঝে মাঝে গল্প শোনাতে হয় তাকে ঘুম পাড়িয়ে দিতে হয়। ঐন্দ্রিলা বিছানায় শুয়েও কষ্ট পাচ্ছে। কড়া ডোজের ওষুধ খেয়েও কোনো রকম শরীরে যন্ত্রণা কমে যায় কিন্তু সেটা সাময়িক ক্ষণিকের জন্য। তাকে ঘুমোতে হয় বেশি পাওয়ারের ঘুমের ওষুধ খেয়ে। অভিনেত্রী মাঝেমধ্যে সিরিয়াল ও তার সঙ্গে নতুন নতুন সিনেমা দেখে যখন তার শরীর একটু ভালো বোধ করে। তিনি বিছানায় শুয়ে যখন দেখে সিরিয়ালের পর্দায় তার সহপাঠীরা একের পর এক সিরিয়াল করছে তখন ঐন্দ্রিলা খুব কষ্ট পায় তার নিজের কেরিয়ারের কথা ভেবে।

এমনকি ঐন্দ্রিলা আমার অভিনিত সিরিয়াল বামদেব এটাও দেখেনা। তবে সে প্রতিদিন ধূলোকণা সিরিয়ালটা দেখতে ভালোবাসে। লালন ও মিমির অভিনয় করাটা তার খুব পছন্দের। তার সঙ্গে ঐন্দ্রিলার পছন্দের খাবার মোমো। সব্যসাচী বলে ঐন্দ্রিলার রোগটা অনেকদিনের তাই অনেকে দিন অবহেলা করা হয়েছে। এটা অনেকেরই কাছে স্বাভাবিক। এই অবহেলা করাটা ঐন্দ্রিলা ও নিজে আস্তে আস্তে বুঝতে পারে। ঐন্দ্রিলা যখন খুব অসুস্থ হয় তখন তার আচরণ বাচ্চাদের মতন হয়ে যায়। তখন তাকে বাচ্চাদের মত নানান রকম গল্প বলে শান্ত করে বা ঘুম পাড়িয়ে রাখতে হয়। সব্যসাচী নিজেকে বিশ্বাস করায় যে তার প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সুস্থ হয়ে একদিন অবশ্যই ফিরে আসবে। তার জন্য আজ তার এই সাক্রিফাইস। ভগবানের কাছে এতাই কাম্যনিয় যে আবার ফিরে আসুক সুস্থ হয়ে টিভির পরদায় ঐন্দ্রিলা। আর তার সাথে ভালবাস্র জয় হোক সব্যসাচির।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন