সবথেকে বড় রেড জন এলাকাতে ঝাঁপিয়ে পড়বে নিসর্গ – করোনার পর এবার ঝড়ের তান্ডব মুম্বাইতে

0
ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ

  দেশ থেকে করনা ভাইরাসের প্রকোপ কাটানো যাচ্ছে না তার ওপর বেশ কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া  আমফান ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি মানুষ। তার মধ্যেই আরো একটি ঝড় কড়া নাড়ছে দরজায় এসে এবং কালকেই সেই ঝড় আছড়ে পড়বে মূলত দুটি রাজ্যে। সবথেকে বড় রেড জোন এলাকাতে আরো একটি বড় ক্ষয়ক্ষতির পূর্বাভাস ধেয়ে আসতে চলেছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় ‘নিসর্গ’। ক্রমশ তার শক্তি আরো বেড়েই চলেছে। আরব সাগরের সৃষ্টি নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। একই তো মানুষ  করোনার জেরে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তার সাথে অনেক আতঙ্কে রয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে আমফান ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মানুষ এখনো সামলে উঠতে পারেনি মানুষ। তার মধ্যেই আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী মৌসম ভবন থেকে সর্তকতা জারি করা হচ্ছে মুম্বাই এবং মহারাষ্ট্রে। প্রচুর পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে এই দুই রাজ্যে তাই কয়েক সপ্তাহ ধরে সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

এই ঝড় টি ১১০ কিলোমিটার বেগে উত্তর অভিমুখ বরাবর এগোচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের খবর অনুযায়ী এই ঘূর্ণিঝড় টি প্রবল থেকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে  আগত ছয় ঘণ্টার মধ্যে। সেটি প্রথমে উত্তর এবং উত্তর পূর্ব অভিমুখ বরাবর এগোবে।

জুন মাসের 2 তারিখে ঝড় বৃষ্টির  হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। ইতিমধ্যে গুজরাট ও মহারাষ্ট্রের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে সর্তকতা জারি করা হয়েছে। মৌসুম আবহাওয়া দপ্তর অনুযায়ী সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে মহারাষ্ট্রের জেলাগুলি তারমধ্যে রত্নগিরি সিন্ধুদূর্গ  ঠানে ও রায়গর স্থানীয়  এলাকাগুলিতে। আগামীকা  মহারাষ্ট্রের  হরিহরশ্বর ও দক্ষিণ গুজরাটের উপকূলীয় দমনের মাঝে। এই ঘূর্ণিঝড়ের আছড়ে পড়ার সময় গতিবেগ থাকবে ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার এবং ঘন্টায় গতিবেগ হবে ১২০ কিলোমিটার। সকাল ১১:৩০ মিনিটমৌসম ভবন এর বার্তা অনুযায়ী মুম্বাই থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমের ৪৫০ কিলোমিটার এবং পানজিম থেকে ২৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং সুরাট থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়।

২০ মে যে ঘূর্ণিঝড় হয়ে গেছে সেই ঘূর্ণিঝড়ের বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে থেকে অনেক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর থেকে কিন্তু  মানুষের  মনে ততটা প্রভাব ফেলেনি যে এই ঝড়ের দাপট এতোটা মারাত্মক হতে পারে। এই ঘূর্ণিঝড় তার থেকেও অনেক বেশি  জোরে আছড়ে পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল প্রচুর মানুষ। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের ফলে যে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছিল তার থেকেও অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে আসছে নিসর্গ । যা আরব সাগরে নিম্নচাপ এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে। মুম্বাই, গুজরাট, মহারাষ্ট্র-এ অনেক বেশি পরিমাণে সর্তকতা জারি করা হচ্ছে এবং নদীর উপকূলবর্তী এলাকাগুলো থেকে বাসস্থান ছাড়তে বলা হচ্ছে, সেখানকার প্রতিবেশীদেরকে ঝড় শুরু হওয়ার আগে কোন উঁচু স্থানে থাকতে বলা হয়েছে, কাঁচাবাড়িতে না থেকে পাকা বাড়ি গুলিতে আশ্রয় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এই ঝড়ের সময়কালীন বিচার।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন