ভাইরাস শক্তিশালী হলেও সচেতন হতে হবে মানুসকে! মানুষের সচেতনতাই করোনা মুক্ত হবে পৃথিবী

0
maintain the all precautions of corona
বারি বসি মানতে হবে বিধিনিষেধ

হাজার সংবাদ ডেস্ক: যতদিন গেছে উপসর্গ বদলেছে। করোনার একের পর এক বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে ফিরে এসেছে করোনা। আর দ্বিতীয়ত ঢেউয়ে এসে করোনা আরো অনেক বেশি সক্রিয় ও শক্তিশালি। যেখানে প্রত্যেক বাড়িতে মানুষ অসুস্থ হয়েছে। তবে হয়তো করোনা নয় কিন্তু তাও করোনার ঝুঁকি নিয়ে সবাই একটা ভয় এবং আতঙ্কে রয়েছেন।

“রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলুখাগড়ার প্রাণ যায়” এই কথাটা আজ খুব বাঞ্ছনীয় তার কারণ রাজনৈতিক নেতাদের যেতে গিয়ে বিভিন্ন মানুষ প্রত্যেকটা সভায় ভিড় জমিয়েছিল আর সেই ভিড়ে একবারও ভাবেনি নিজেদের কথা একবারও ভাবেনি সারাদেশের কথা। তখন শুধুমাত্র বেঁচেছিল রাজনীতি। আজ যুদ্ধ শেষ কিন্তু এবার মানুষ কে বাঁচাবে কে? আর এইবার মানুষকে বাঁচাতে গেলে আরো অনেক কঠোর নিয়ম নীতি মানা উচিত কিন্তু সেই নিয়ম নীতি তৈরি করছে না সরকার না রাজনীতি, কেউ নেই এখন সাধারণ মানুষের পাশে কিন্তু কিছুদিন আগে তাদের জন্য যুদ্ধ করে মানুষ সভা করেছে সেই সভাতে লাখ-লাখ কোটি-কোটি মানুষ গিয়েছে এবং একের পর এক একটা দিন ফাঁকা যায়নি সেই সভাতে একের পর এক ধাপে ধাপে প্রত্যেকটা সভা হয়েছে।

কিন্তু সেখানে কতটা ক্ষতি হয়েছে তা বোধহয় এখন সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে না সামান্যটুকু স্বার্থের জন্য আজ যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেই সামান্য স্বার্থটা আজ সাধারন মানুষের পাশে নেই বরং ঘরবন্দি হয়ে আরো অনেক বেশি যুদ্ধ করতে হচ্ছে মানুষের করোনা পরিস্থিতি সাথে। মানুষের জীবন থেকে বহু জিনিস কেড়ে নিয়েছে বহু পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়েছে কেড়ে নিয়েছে বহু পাশের মানুষকে এই করোনা কিন্তু আজকের দিনে দাঁড়িয়ে করণা পরিস্থিতিতে হয়তো আমাদের পাশে থেকে বহু মানুষ হারিয়ে গেছে কিন্তু মানুষ ভেবেছিল হয়তো করোনার বিদায়ের পালা এবার তা নয় আবার ফিরে এলো দ্বিতীয় অন্য রূপ নিয়ে।

যেরূপ অনেক বেশি ভয়াবহ প্রত্যেকবারই করলে দেখা যায় এখন প্রত্যেক বাড়িতে একটা জ্বর হচ্ছে তবে সেই জ্বরের মূল কারণ হয়তো আমরা কেউই জানিনা। অনেকেই আছে এই জ্বরের নাম করেই যাচ্ছে। হাসপাতালে সেখানে করোনা বলেই তাদেরকে অ্যাডমিট করা হচ্ছে কিন্তু আদৌ তার করণা হয়েছে কিনা তার টেস্ট করা জায়গায় হচ্ছে। তার থেকে অনেক বড় কথা প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি ভাইরাস জ্বর সৃষ্টি হয়েছে। সেই জ্বর দেখে মানুষ অনেক বেশি প্যানিক সৃষ্টি করছে আর সেই প্রাণীদের মধ্যে দিয়ে মানুষ ভাবছে করোনা জানা হয়েছে।

তার অনেক বেশি মানুষকে অনেক বেশি সচেতন হওয়া এখন দরকার হয়তো। এই মুহূর্তে লকডাউন নেই কিন্তু নিজেদেরকেও লকডাউন এর মত করে পালন করা উচিত নিজেদের বাড়ি থেকে বেরোলে মাক্স ব্যবহার করুন এবং বাড়িতে থাকলে ফ্রিজের জিনিসটাকে এড়িয়ে চলুন তার সাথে সাথে গরম পড়েছে বলে অত্যধিক ফ্রিজের জিনিস খাওয়ার কোন দরকার নেই। বাইরে থেকে আনা সবজি খাবার ধুয়ে ফেলুন।

এছাড়াও আপনি বাড়িতে সারাদিনে এবং গরম পানীয় খান বেশ কয়েকবার তার সাথে সাথে আপনি চেষ্টা করবেন আপনার শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়ানোর জন্য। সঠিক মাত্রায় ভিটামিন প্রোটিন জাতীয় খাদ্য আপনার শরীরে যেন সারা দিনে এছাড়াও আপনি বাড়ির প্রত্যেকটা মানুষকে একটা নিয়ম-শৃঙ্খলা বেঁধে দিতে পারে। হ্যাঁ বাড়িতে থাকতে হয়তো একটু অসুবিধা হবে বিশেষত যাদের বাড়িতে রয়েছে বৃদ্ধ বাবা-মা তাদের জন্য বাইরে বেরোলে মানতে হবে অনেক বেশি নিয়মকানুন। কারণ নিজের জন্য না হলেও বাবা মার জন্য ভাবা উচিত তিনি হয়তো বাবা-মার রোগের কারণ হতে পারে কিন্তু তা নয় নিজেকে সচেতন রাখুন এবং প্রত্যেকের পাশে থাকুন তাই বলে এই নয় কারোর করণা হয়েছে কিংবা হয়নি যদি না হয়ে থাকে তাহলে তাকে নিয়ে প্যানিক করবেন না।

এবং তার পরিবারকে নিয়ে অযথা প্যানিক করে তাদেরকে ঘরবন্দি করবেন না তবে হ্যাঁ সবাই ঘরবন্দি থাকা উচিত এবং প্রত্যেকটা মানুষ যদি সচেতন হয় তাহলে অবশ্যই করোনা আবার মুক্তি দিতে পারবে তা না হলে করোনার মুক্তি নেই। মানুষ যেভাবে সভা করেছে রাজনৈতিক দলের সাথে একইভাবে প্রত্যেকটা মানুষকে অসহায় ভাবে এখন লড়তে হচ্ছে। বহু মানুষ মারা যাচ্ছে তবে তারা একবারও ভাবে আজ সভা করছি দুদিন পর আমাদেরকে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। তবে অবশেষে মানুষ আগের থেকে অনেক বেশি সচেতন কিন্তু তাও সবাইকে এটাই বলার যে বাড়িতে থাকুন সচেতন হোন এবং প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে আপনি সচেতনতা অবলম্বন করে এগিয়ে যান।

বাড়িতে যতটা সম্ভব থাকা দরকার থাকুন খুব কম সময় বাইরে বেরোন নিজের দরকার। তা না হলে বাইরে বেরোবেন না এবং শুধু শুধু ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ডেকে আনবেন না আর এখন যে জ্বর হচ্ছে তা অনেকটাই ভাইরাস জ্বরের মতো একটা বাড়িতে জ্বর হলে প্রায় অনেকেরই একসাথে জ্বর হয় তবে সেই ভাইরাস নির্মূল হবে তাই অযথা প্যানিক করবেন না এবং ভয় পাবেন না। বাড়িতে সবসময় থাকুন বেশ কয়েকটি ওষুধ ওষুধ রাখুনল প্যারাসিটামল এছাড়াও এবং ভিটামিন সি ভিটামিন ডি এইরকম কিছু ট্যাবলেট বি কমপ্লেক্স ট্যাবলেট তার সাথে আমি আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ইউনিটি পাওয়ার বাড়ানোর জন্য খান ভিটামিন এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার। তাতেই আপনি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাবেন এবং সবার থেকে যেটা বারবার বলার আপনি বাড়িতে থাকুন এর থেকে বেশি প্রার্থনা হয়তো কারো জন্য কিছুই হয়না। এটাই হয়তো সব থেকে বড় ভাইরাস নির্মূল এর কারণ।

হাজার সংবাদ ডেস্ক: যতদিন গেছে উপসর্গ বদলেছে। করোনার একের পর এক বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে ফিরে এসেছে করোনা। আর দ্বিতীয়ত ঢেউয়ে এসে করোনা আরো অনেক বেশি সক্রিয় ও শক্তিশালি। যেখানে প্রত্যেক বাড়িতে মানুষ অসুস্থ হয়েছে। তবে হয়তো করোনা নয় কিন্তু তাও করোনার ঝুঁকি নিয়ে সবাই একটা ভয় এবং আতঙ্কে রয়েছেন।

“রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলুখাগড়ার প্রাণ যায়” এই কথাটা আজ খুব বাঞ্ছনীয় তার কারণ রাজনৈতিক নেতাদের যেতে গিয়ে বিভিন্ন মানুষ প্রত্যেকটা সভায় ভিড় জমিয়েছিল আর সেই ভিড়ে একবারও ভাবেনি নিজেদের কথা একবারও ভাবেনি সারাদেশের কথা। তখন শুধুমাত্র বেঁচেছিল রাজনীতি। আজ যুদ্ধ শেষ কিন্তু এবার মানুষ কে বাঁচাবে কে? আর এইবার মানুষকে বাঁচাতে গেলে আরো অনেক কঠোর নিয়ম নীতি মানা উচিত কিন্তু সেই নিয়ম নীতি তৈরি করছে না সরকার না রাজনীতি, কেউ নেই এখন সাধারণ মানুষের পাশে কিন্তু কিছুদিন আগে তাদের জন্য যুদ্ধ করে মানুষ সভা করেছে সেই সভাতে লাখ-লাখ কোটি-কোটি মানুষ গিয়েছে এবং একের পর এক একটা দিন ফাঁকা যায়নি সেই সভাতে একের পর এক ধাপে ধাপে প্রত্যেকটা সভা হয়েছে।

কিন্তু সেখানে কতটা ক্ষতি হয়েছে তা বোধহয় এখন সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে না সামান্যটুকু স্বার্থের জন্য আজ যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেই সামান্য স্বার্থটা আজ সাধারন মানুষের পাশে নেই বরং ঘরবন্দি হয়ে আরো অনেক বেশি যুদ্ধ করতে হচ্ছে মানুষের করোনা পরিস্থিতি সাথে। মানুষের জীবন থেকে বহু জিনিস কেড়ে নিয়েছে বহু পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়েছে কেড়ে নিয়েছে বহু পাশের মানুষকে এই করোনা কিন্তু আজকের দিনে দাঁড়িয়ে করণা পরিস্থিতিতে হয়তো আমাদের পাশে থেকে বহু মানুষ হারিয়ে গেছে কিন্তু মানুষ ভেবেছিল হয়তো করোনার বিদায়ের পালা এবার তা নয় আবার ফিরে এলো দ্বিতীয় অন্য রূপ নিয়ে।

যেরূপ অনেক বেশি ভয়াবহ প্রত্যেকবারই করলে দেখা যায় এখন প্রত্যেক বাড়িতে একটা জ্বর হচ্ছে তবে সেই জ্বরের মূল কারণ হয়তো আমরা কেউই জানিনা। অনেকেই আছে এই জ্বরের নাম করেই যাচ্ছে। হাসপাতালে সেখানে করোনা বলেই তাদেরকে অ্যাডমিট করা হচ্ছে কিন্তু আদৌ তার করণা হয়েছে কিনা তার টেস্ট করা জায়গায় হচ্ছে। তার থেকে অনেক বড় কথা প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি ভাইরাস জ্বর সৃষ্টি হয়েছে। সেই জ্বর দেখে মানুষ অনেক বেশি প্যানিক সৃষ্টি করছে আর সেই প্রাণীদের মধ্যে দিয়ে মানুষ ভাবছে করোনা জানা হয়েছে।

তার অনেক বেশি মানুষকে অনেক বেশি সচেতন হওয়া এখন দরকার হয়তো। এই মুহূর্তে লকডাউন নেই কিন্তু নিজেদেরকেও লকডাউন এর মত করে পালন করা উচিত নিজেদের বাড়ি থেকে বেরোলে মাক্স ব্যবহার করুন এবং বাড়িতে থাকলে ফ্রিজের জিনিসটাকে এড়িয়ে চলুন তার সাথে সাথে গরম পড়েছে বলে অত্যধিক ফ্রিজের জিনিস খাওয়ার কোন দরকার নেই। বাইরে থেকে আনা সবজি খাবার ধুয়ে ফেলুন।

এছাড়াও আপনি বাড়িতে সারাদিনে এবং গরম পানীয় খান বেশ কয়েকবার তার সাথে সাথে আপনি চেষ্টা করবেন আপনার শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়ানোর জন্য। সঠিক মাত্রায় ভিটামিন প্রোটিন জাতীয় খাদ্য আপনার শরীরে যেন সারা দিনে এছাড়াও আপনি বাড়ির প্রত্যেকটা মানুষকে একটা নিয়ম-শৃঙ্খলা বেঁধে দিতে পারে। হ্যাঁ বাড়িতে থাকতে হয়তো একটু অসুবিধা হবে বিশেষত যাদের বাড়িতে রয়েছে বৃদ্ধ বাবা-মা তাদের জন্য বাইরে বেরোলে মানতে হবে অনেক বেশি নিয়মকানুন। কারণ নিজের জন্য না হলেও বাবা মার জন্য ভাবা উচিত তিনি হয়তো বাবা-মার রোগের কারণ হতে পারে কিন্তু তা নয় নিজেকে সচেতন রাখুন এবং প্রত্যেকের পাশে থাকুন তাই বলে এই নয় কারোর করণা হয়েছে কিংবা হয়নি যদি না হয়ে থাকে তাহলে তাকে নিয়ে প্যানিক করবেন না।

এবং তার পরিবারকে নিয়ে অযথা প্যানিক করে তাদেরকে ঘরবন্দি করবেন না তবে হ্যাঁ সবাই ঘরবন্দি থাকা উচিত এবং প্রত্যেকটা মানুষ যদি সচেতন হয় তাহলে অবশ্যই করোনা আবার মুক্তি দিতে পারবে তা না হলে করোনার মুক্তি নেই। মানুষ যেভাবে সভা করেছে রাজনৈতিক দলের সাথে একইভাবে প্রত্যেকটা মানুষকে অসহায় ভাবে এখন লড়তে হচ্ছে। বহু মানুষ মারা যাচ্ছে তবে তারা একবারও ভাবে আজ সভা করছি দুদিন পর আমাদেরকে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। তবে অবশেষে মানুষ আগের থেকে অনেক বেশি সচেতন কিন্তু তাও সবাইকে এটাই বলার যে বাড়িতে থাকুন সচেতন হোন এবং প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে আপনি সচেতনতা অবলম্বন করে এগিয়ে যান।

বাড়িতে যতটা সম্ভব থাকা দরকার থাকুন খুব কম সময় বাইরে বেরোন নিজের দরকার। তা না হলে বাইরে বেরোবেন না এবং শুধু শুধু ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ডেকে আনবেন না আর এখন যে জ্বর হচ্ছে তা অনেকটাই ভাইরাস জ্বরের মতো একটা বাড়িতে জ্বর হলে প্রায় অনেকেরই একসাথে জ্বর হয় তবে সেই ভাইরাস নির্মূল হবে তাই অযথা প্যানিক করবেন না এবং ভয় পাবেন না। বাড়িতে সবসময় থাকুন বেশ কয়েকটি ওষুধ ওষুধ রাখুনল প্যারাসিটামল এছাড়াও এবং ভিটামিন সি ভিটামিন ডি এইরকম কিছু ট্যাবলেট বি কমপ্লেক্স ট্যাবলেট তার সাথে আমি আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ইউনিটি পাওয়ার বাড়ানোর জন্য খান ভিটামিন এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার। তাতেই আপনি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাবেন এবং সবার থেকে যেটা বারবার বলার আপনি বাড়িতে থাকুন এর থেকে বেশি প্রার্থনা হয়তো কারো জন্য কিছুই হয়না। এটাই হয়তো সব থেকে বড় ভাইরাস নির্মূল এর কারণ।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন