নির্যাতিতার পরিবারের সাথে দেখা করতে চাওয়ায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে গ্রেপ্তার করে ইউপি পুলিশ! রাজনৈতিক স্বার্থে নই দেশবাসীর জন্য আসুক মহিলাদের মাথা উঁচু করে বাঁচার আইন

0
Let the law come for the whole country so that no more girl has to be raped
গন-ধর্ষণ

হাজার সংবাদ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ এর রাজ্যে যে ঘটনা ঘটেছে একের পর এক তার জন্য ফুঁসছে গোটা দেশ। অভিযুক্তদের সাজার জন্য সারাদেশ এখন যুদ্ধ করতে রাজি। শুধুমাত্র এ নিয়ে কথা বলছে কিভাবে শাস্তি দেওয়া হবে সেই অভিযুক্তদের এবং প্রত্যেকটা অভিযুক্ত যাতে যথাযথ শাস্তি পাক আর এর পর জেন কেউ এমন না করতে পারে তার জন্য ব্যবস্থা আইনি ব্যবস্থা করতে বলা হচ্ছে এবং সবাই তার বিরুদ্ধে লড়ছে বলা যায়। প্রথম থেকে যেভাবে একের পর এক সেই নির্যাতিতার পরিবার কে সহ্য করতে হচ্ছে নির্যাতন আর এখনও পর্যন্ত তাদেরকে ভয় দেখানো এবং নির্যাতন করা হচ্ছে তাতে কিভাবে আদৌ এই ঘটনার সুরাহা মিলিবে তা জানা নেই। তবে পুলিশ প্রশাসন থেকে সাহায্য না মিললেও বেশ কিছু সাহায্য করতে পাশে থাকবে দেশবাসী। এই পাশে থাক আর তার থেকেও বড় কথা এখন যেখানে একটা বড় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে নির্যাতিতার পরিবার। সেই সমস্যার সম্মুখীন কে কাজে লাগিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দল নিজেদেরকে নাম কামাচ্ছে।

হতারাসে ওই নির্যাতিতা মহিলার বাড়িতে যেতে চেয়েছিলে রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং যাওয়ার পথে তাদের বিভিন্ন রকম ভাবে বাধা দেওয়া হয়। প্রত্যেকটা পদে-পদে তাদেরকে বাধা পেতে হয়েছিল যাতে সেখানে না পৌঁছাতে। পুলিশ প্রশাসন থেকে তাদেরকে একের পর এক বাধা দেওয়ার পরেও তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় ১৪৪ ধারা আইন ভাঙার জন্য প্রথমে তাদেরকে দিল্লি নয়ডা রুটে আটকানো হয় এবং তারপর তাদেরকে যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি আটক করা হয় এবং সেই গাড়ি থেকে তাদেরকে নামিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখান থেকে রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী হেঁটে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়। এবং হাঁটতে শুরু করেন তারপর তাদেরকে ১৪৪ ধারা আইন ভাঙার জন্য আটক করা হয়েছিল এবং তারপর তাদেরকে গ্রেপ্তার করে এক গেস্ট হাউস এ নিয়ে যায় পুলিশ। তবে কেন এরকম করা হচ্ছে কেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে দিচ্ছে না তার জন্য তারা যথাযথ প্রতিবাদ করেছে এবং তারা প্রতি মুহূর্তেই জানাচ্ছে নিন্দামন্দ এই যোগী রাজ্যের জন্য।

একের পর এক বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন রকম ভাবে মেয়েদের নির্যাতন হচ্ছে এবং তার পাশে নেই কোনো রাজনৈতিক দল। শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য হয়তো পাশে রয়েছে কিন্তু তার জন্য কি সঠিক আইন সামনে আসবে। তবে সঠিক আইন সামনে আসুক রাজনৈতিক কিংবা অন্যকোন ভাবে তবে নারীদের জন্য নারী সুরক্ষার জন্য সঠিক নিয়ম আসুক সঠিক শাস্তি অভিযুক্তদের জন্য দেওয়া হোক। যারা দ্বিতীয়বার অন্যায় করতে গেলে ভয় পাবে এরপরে যেন আর কোন মেয়েকে প্রাণ হারাতে না হয় তার জন্য যুদ্ধ করুক সমস্ত রাজনৈতিক দল তথা দেশবাসী।

যে নির্মম অত্যাচার করা হয়েছে এই হাতরাসের গণধর্ষণ করা ধর্ষিতার ওপর তা একেবারেই মর্মান্তিক এবং তার পরিবার ও জানিয়েছে শুধুমাত্র তাকে গণধর্ষণের পর মেরে দেওয়া হয়েছে তার নয় বরং পরিবারের উপরে অত্যাচার করা হয়েছে সেই মৃত দেহকে তারা বাড়িতে রাখেনি পুলিশ। জোর করে সেই মৃতদেহ বাড়ির অনুমতি ছাড়া বের করে এনে গায়ে আগুন লাগিয়ে সৎকার করেছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের এইরকম ভাবে যদি সহায়তা না করে থাকে তাহলে দেশের সমস্ত পুলিশের ওপর থেকে ভরসা উঠে যাবে এবং তারা একের পর এক যে অরাজকতা শিকার হচ্ছে।

তার জন্য তাদেরকেই একদিন দাম দিতে হবে। আর তার জন্যই শুধুমাত্র মহিলা নয় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল নয় এবং সারাদেশের পেছনে রয়েছে আর হাতরাসে এই ঘটনার পেছনে সারাদেশ রয়েছে পাশে থাকছে ওই পরিবারের। এবার অন্তত এটুকু হলেও একটা আইন বের করুক সরকার। এর আগে নির্ভয়া কাণ্ডে যেভাবে মারা যেতে হয়েছিল ধর্ষিতাকে এছাড়াও ছিল হায়দ্রাবাদের সেই পশু চিকিৎসক মহিলার কথা একের পর এক প্রত্যেকটা মহিলাকে তার প্রাণ হারাতে হচ্ছে সারাটা জীবন তাদের শেষ করতে হচ্ছে শুধুমাত্র বেশ কিছু নোংরা মানুষের জন্য। আর তাদের জন্যই তাদেরকে জীবনের শেষ হয়ে যেতে হচ্ছে তার জন্য আইন আসুক এবং প্রত্যেকটা আইনের জন্য যাতে মেয়েরা বাইরে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে তার জন্য সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আবেদন সারাদেশের।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন