রাজ্যে চালু নতুন প্রকল্প! প্রতি মাসে মহিলারা পাবে ১০০০ টাকা! বিস্তারিত জানুন

0
lakkhir bhandar new scheme have been launched in the west bengal
নতুন প্রকল্প চালু রাজ্যে

হাজার সংবাদ ডেস্ক: রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বহু স্কিম জারি করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য। এর আগে তথাকথিত তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতি ও সাধারন বিভাগের জন্য। তবে এবার একইভাবে আরো একটি স্কিম চালু করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য প্রত্যেক সংসারে স্বাভাবিকভাবে সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য স্কিম যা পাবে পরিবারের মহিলা প্রধান।

লক্ষ্মীর ভান্তার স্কিমটির জন্য রাজ্যে ইতিমধ্যে যোগ্য সুবিধাভোগীদের জন্য ডেটাবেস প্রস্তুত করা হচ্ছে। যা সহজ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এই প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী পরিবারের প্রধান মহিলাদেরকে দেওয়া হবে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা প্রতি মাসে। তবে এই লক্ষীর ভান্ডার স্কিম এর নামকরণ করা হয়েছে। রাজ্য সরকার থেকে সেই স্কিম কিভাবে দেওয়া হবে এবং তা কারা কারা পেতে পারে তা নিয়েও একটা ধারণা প্রদান করেছেন রাজ্য বিভাগের কর্মাধিকারী। তিনি জানিয়েছেন তপসিলি জাতি ও তপসিলি উপজাতি ও সাধারন বিভাগের জন্য বাংলায় প্রন্য যথাযথ পরিকল্পনা হয়ে এগিয়েছে অনেকটা কাজ। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ১লা জুলাই থেকে অগ্রনি কাজের ভুমিকা নিয়ে কাজ শুরু হবে জানান হয়েছে। প্রত্যেক তপসিলি জাতি ও উপজাতির পরিবারের প্রধান মহিলারা পাবে ১০০০ টাকা ও সাধারন বিভাগের মহিলারা পাবে ৫০০ টাকা।

এই প্রকল্পের অধীনে প্রায়ই ১.৬ কোটি উপভোগ কারীর নাম নথিভুক্ত হতে পারে। রাজ্য সরকারের নির্দেশে জানা গেছে যে রাজ্যের অর্থ বিভাগের তরফ থেকে ১১০০ কোটি টাকা অনুদান এই স্কিমের জন্য দেওয়া হবে। বাংলায় সরকারের তরফ থেকে প্রত্যেক পরিবারের যে অনুদান পাবে সাধারণ মানুষ তাদের সহায়তা হবে অনেক মানুষেরই। শনিবার রাজ্য কর্ম অধীনে থাকা একজন কর্মকর্তা তিনি জানিয়েছেন যে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য রাজ্যে চলতি অন্য স্কিমগুলি এর অর্থ দানের টাকা কমিয়ে দেওয়া হতে পারে। বরাদ্দ টাকা কমিয়ে দেওয়া হতে পারে। যদিও তিনি এও জানিয়েছেন যে অন্যান্য তহবিল থেকে এই উদ্যোগে অর্থ ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে।

রাজ্য অর্থ বিভাগের আরো এক কর্মকর্তা তিনি জানিয়েছেন যে সমস্ত পরিবারের এই স্কিমের আওতায় আনা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকটি পরিবারের আয়-এর সূত্র এবং তার পরিমাণ সহ যোগ্যতা এবং মানদন্ড দিতে হবে। এছাড়াও বিভিন্ন নথি জমা দিতে হবে সঠিক তথ্য বজায় রাখার জন্য। প্রত্যেকটা মহিলাপ্রধান পরিবারের সঠিক তথ্য ও আয় ইনকাম রুজি-রোজগার তথা নিজের সঠিক তথ্য জমা দিতে পারলে এই প্রকল্প অধীনে আসা সম্ভব।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন