বিপদের আসংক্ষা কলকাতার ব্যস্ততম দুই ফ্লাইঅভার!

0
cracks the chingrighata and baghajotin bridge
দুই ব্রিজে ফাটল

হাজার সংবাদ ডেস্ক: আবারো ত্রুতি পূর্ণ দুই ফ্লাইওভারের সন্ধান কলকাতায়। এই দু বছরে প্রায় দুই থেকে তিনটি সেতু ভেঙে গেছে। বিপদ ঘটেছে বহু মানুষের। বিবেকানন্দ সেতু ভেঙে যাওয়ার সময় আমরা শুনেছিলাম প্রচুর মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মারা গেছে বহু মানুষ। তারপর যখন মাঝেরহাটের ব্রিজ ভাঙ্গল। তখনো একইভাবে বেশ কিছু মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল যদিও তখন ক্ষতির হার কম ছিল কারণ সেটি খালের উপরে পড়েছিল অর্ধেকাংশ।

এখন আবারও ত্রুটিপূর্ণ সেতু নিয়ে কথা উঠছে ভাঙ্গন ধরেছে চিংড়িঘাটা ব্রিজ ও বাঘাযতিন ফ্লাইওভারের। সল্টলেক থেকে শহর কলকাতায় যুক্ত যে ব্রিজ ভাঙ্গন ধরেছে। কবে থেকে সাড়াই শুরু হবে কিভাবে শুরু হবে সেই কাজ তা নিয়ে এখনো জানানো হয়নি। তবে এই দুই ব্রিজের কাজ শুরু করতে হবে তা একেবারে নিশ্চিত। হঠাৎ করে এই ব্রিজের কাজ শুরু হলে অর্থাৎ এই ব্রিজ ভেঙে করতে গেলে অনেক সমস্যায় পড়তে পারে সাধারণ মানুষ। কারণ এখন শহর কলকাতা থেকে সল্টলেকে যাওয়ার এই বাইপাস রুট। এই ব্রিজ থেকেই পাস হয় সমস্ত গাড়ি। সল্টলেক নিউটাউন এই রকম জায়গায় যেতে গেলে এই বাইপাস রুটের ওপর দিয়েই যায় সমস্ত বাস অন্যান্য গাড়ি।

তাই এই সেতু ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব সমস্যার। এই সেতুর মেরামত করে চলবে। পরে তবে নতুন করে পাশ দিয়ে ব্রিজ তৈরি করার কথা ভাবছে। নতুন করে বাইপাস রুটের অন্য আরেকটি রাস্তা করে চালু করার কথা জানিয়েছে। কিন্তু তা কবে কার্যকরী হবে সেটা নিয়ে যথেষ্ট নিশ্চিয়তা পাওয়া যায়নি। তবে এই সেতুর কাজ করতে হবে সেটা নিয়ে একেবারেই নিশ্চিত। যেহেতু সল্টলেক এলাকাতে সমস্ত আইটি সেক্টর থেকে শুরু করে সরকারি সেক্টরগুলোর। তাই বাইপাস রোড যথেষ্ট ব্যস্ততম রোড। বাইপাস রুটের ব্রিজ ভাঙা নিয়ে অনেক ঝামেলা হতে পারে বন্ধ হতে পারে বিভিন্ন পরিষেবা। তাই না ভেঙে পুনর্নির্মাণ কিভাবে করা হবে তা নিয়ে এখনও কোন পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হইনি।

ঠিক একি ভাবে বাঘাযতীন ফ্লাইওভার না ভাঙলেও এই সেতুর নিচ থেকে লোহার কাঠামো দিয়ে তার উপরে আবার কাঁচা মেটেরিয়াল দিয়ে তৈরি করা হবে এই সেতু পুনঃনির্মাণের কাজ। এর আগে কলকাতায় আমরা বহু ব্রিজের কথা শুনেছি কিন্তু সেই ত্রুতি পূর্ণ ব্রিজের কাজ কোনভাবে শুরু হয়নি। মাঝে মাঝে যখন ব্রিজ নিয়ে সমস্যা হয়েছে তখনই হয়ে উঠেছে এই কথা। বাঘাযতিন রয়েছে দুটি ফ্লাইওভার, একটা নিরমান হয়েছে বছর দুয়েক আগে এবং আরেকটি নির্মাণ হয়েছে হয়েছে বছর দশেক আগে। যা বর্তমান অবস্থা যথেষ্ট খারাপ।

তাই ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাছ থেকে কৈফিয়ত নেয়া হচ্ছে। এবং তার সাথে সারানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সেখানকার পুরমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন বাঘাযতীন ব্রিজও যথেষ্ট ব্যস্ততম একটা ব্রিজ তাই ভাঙা চলবেনা। লোহার পরিকাঠামো দিয়ে নীচের থেকে মজবুত করার কাজ চলবে।

কলকাতা ঘুরে দেখলে বহু ব্রিজ যেখানে পরিকাঠামো আবার নতুন করে তৈরি করতে হবে। তা না হলে বড় বিপদ ঘটতে পারে এর মধ্যে সবথেকে আগে এবং গুরুত্বপূর্ণ যেটি হল সেটি চিংড়ি ঘাটার ব্রিজ এবং বাঘাযতিন ব্রিজ।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন