নির্ধারিত সময়ে হবে JEE, NIIT পরীক্ষা! ছাত্র ছাত্রীদের আর্জি মানতে রাজি নয় সুপ্রিম কোর্ট

0
JEE and NIIT exam held on september
জয়েন্ট এন্ট্রান্সে পরীক্ষা

হাজার সংবাদ ডেস্ক: একের পর এক শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা বেড়েছে কিন্তু কোনভাবে তার সুরাহা মিলেনি। আদৌ পরীক্ষা হবে কিনা কিংবা সেই পরীক্ষা বাতিল হবে কি না তা নিয়েও ছাত্র-ছাত্রীর মনে সংশয় রয়েছে। আর এবার প্রশ্ন উঠেছে নিট ও জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার। খুব শীঘ্রই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা সময়সূচী ও তালিকা বের করা হবে কিন্তু করোণা পরিস্থিতিতে সেইসময় পেছানোর জন্য আবেদন করেছে 11 জন ছাত্র-ছাত্রী।

তাদের আবেদন যে করোনা পরিস্থিতিতে তারা কোনোভাবেই পরীক্ষা দিতে পারছে না তাই 11 টি রাজ্য থেকে 11 জন আলাদা আলাদা ভাবে তারা তাদের হলফনামা জমা করেছে সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু সুপ্রিমকোড জানিয়েছে যেকোনো ভাবে এই সময় পরীক্ষা পেছানো সম্ভব নয় কারণ করোনা নিয়ে আরো এক বছর চলতে হবে তাহলে কি আমরা পরীক্ষা এক বছর পেছাব। এইরকমই প্রশ্ন তুলেছে অনেকেই আবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তারা জানিয়েছে যে করোনা আমাদের সঙ্গী সেটাকে কোনমতে পরীক্ষা পিছিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করা যাবে না।

ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যারিয়ারের কথা ভাবতে গেলে আমাদের এই চিন্তা নিতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য দিকে তাকানো যেমন আমাদের নজর তার সাথেও শিক্ষাব্যবস্থা তাদের ক্যারিয়ারের দিকে লক্ষ্য দেওয়া আমাদের একমাত্র উপলক্ষ। কিন্তু তা সম্ভব হচ্ছে না শুধুমাত্র করোনা পরিস্থিতির জন্য তবে জয়েণ্ট এন্ট্রান্স যেমন সেপ্টেম্বরে হওয়ার কথা ছিল তেমনই হবে এবং তার দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি হবে নীত পরীক্ষা। এইরকমই কথা হয়েছে তেমনই ডেট থাকবে তার কোন বিকল্প পরীক্ষার টাইম দেওয়া যাবে না। কারণ পরীক্ষা পেছানো যাবে না করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে তার জন্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা বাতিল করবে না ছাত্রছাত্রীদের করা প্রশ্নের পাল্টা জবাব দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

সুপ্রিম কোর্ট থেকে জানানো হয়েছে যে কোনোভাবেই পরীক্ষা আটকানো সম্ভব নয়। কারণ ভ্যাকসিন আসতে এখনো সময় লাগবে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস তাহলে সেই ছয় থেকে সাত মাস যদি পরীক্ষা বন্ধ থাকে তাহলে প্রায় এক বছরের ধাক্কা প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে পারবে তাদের এক বছর নষ্ট করতে তাহলে এই নির্দেশ মানতে রাজি কিন্তু অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে তারা এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিতে চাই কিন্তু বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রী আছে এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিতে চায় না। তাই তারা জানিয়েছে যে ছাত্র-ছাত্রীর এক বছর নষ্ট করতে চায় না কিন্তু তাহলে কেন এক বছর নষ্ট করবে সেই রকম নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কারণ করোণা পরিস্থিতিতে কোনভাবেই এই মুহূর্তে পরীক্ষা বাতিল করা সম্ভব নয়।

বিশেষ করে ক্যারিয়ারের জন্য যে সমস্ত পরীক্ষা রয়েছে বা ট্যালেন্ট পরীক্ষা গুলো কোনভাবে বাতিল দেওয়া সম্ভব নয় তাই ট্যালেন্ট পরীক্ষার জন্য একদিনের জন্য হলেও এই পরীক্ষায় আসতে হবে। সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের তার জন্য প্রয়োজন হলে বেশি স্কুল-কলেজের ব্যবস্থা করা হবে যাতে দূরত্ব বিধিমানা যায়। কারন একটা স্কুলে যত বেশি থাকবে সেখানে বেশি হতে পারে সংক্রমণ তার জন্য স্কুল বাড়ানো যেতে পারে। কিন্তু পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করা যাবে না। আমরা সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেই নিয়ম পালন করব তবে পরীক্ষার সময়সূচি বদলানো যাবে না। যে নির্ধারিত সময়সূচি বলা হয়েছে সেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হবে পরীক্ষা।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন