মোটা হয়ে যাচ্ছেন, ওজন নিয়ে সমস্যা মেনে চলুন বেশ কিছু বিধিনিষেধ

0
reduce belly fat
স্থুলকায় মানুষের ওজন কমানোর কিছু টিপস

হাজার সংবাদ ডেস্ক: টাকা পয়সার মতো শরীর স্বাস্থ্য টাও একটা দামী সম্পদ। মানুষ তখনই এটা বুঝতে পারে যখন সেটি হারিয়ে ফেলে অর্থাৎ কোনো কারণে যদি মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে তখনই চিন্তা করে শরীরস্বাস্থ্য। কিন্তু শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে সবসময়ই ভাবা উচিত।

কিছু মানুষের ওজন বেশি এই রকম মানুষরা অনেক সমস্যাতে পরে। যেমন হাইট কম কিন্তু ওজন অনেক বেশি। তাদের হাঁটুর সমস্যা আসতে পারে তারপর একটা বড়ো সমস্যা হল ফ্যাটি লিভার। ফ্যাটি লিভার হলো লিভারের গায়ে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জমে যাওয়া তাতে অল্প খেলে পেট ভর্তি হয়ে যায় এবং তার সাথে সাথে বৃদ্ধি হয় ওজনেরও। তাই শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখা দরকার। শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে গেলে মন টা প্রানচ্ছল রাখা অনেক জরুরি। তারপর মানা উচিত ডায়েট চার্ট ও যোগাসন।

প্রত্যেক মানুষের শরীর যত্ন নেওয়ার জন্য প্রচুর পরিমানে জল পান করা উচিত, তার সাথে দরকার পুষ্টিকর খাবারও। স্থুলকায় মানুষের প্রধানত যে খাবার নিয়ম করে মানা উচিত সেগুলি হল-

  • সকালে ঘুম থেকে উঠে ১ কাপ চা।
  • ১ থেকে ১.৩০ ঘণ্টা পর হালকা টিফিন। যেমন- চিড়ে ভাজা বা ১ টা রুটি আর সবজি।
  • ১ থেকে ১.৩০ ঘণ্টা পর স্যলাড যেমন- শসা, গাজর, টমেটো।
  • দুপুরে ২ টো রুটি আর তার সাথে ডাল, সবজি, ছোটো মাছ খাওয়া যেতে পারে। বড়ো মাছ এবং খাসির মাংস এড়িয়ে যাওয়া উচিত।
  • ঘুম থেকে উঠার পর অর্থাৎ বিকেলবেলা লস্যি বা শরবত খাবে।
  • ১-২ ঘন্টা পর এক কাপ চা এবং তার সাথে হালকা টিফিন যেমন চিরে ভাজা অথবা ডায়েট সম্পন্ন বিস্কিট। যেমন ক্রিম কেকার।
  • ডিনার টাইমে একটা রুটি সবজি এবং ডাল খাওয়া যেতে পারে।

এছারাও প্রচুর পরিমানে টক জাতিও ফল খাওয়া উচিত যেমন লেবু। লেবু ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।

সময়সূচী মেনে খাবার খাওয়ার পরেও বেশ কিছু বিধিনিষেধ থাকে। সেগুলি হল যদিও ডিম খায় তাহলে ডিমের কুসুম ছাড়া খাবে। এবং যদি কেউ দুপুরে লাঞ্চ টাইমে রুটি খেতে না পারে তাহলে ৮০ থেকে ৯০ গ্রাম ভাত খেতে পারে কিংবা একটা রুটি এক চামচ ভাত সে খেতে পারে। মাংসের দিক থেকে চিকেন এবং মটন একেবারে এড়িয়ে চলা ভালো। রাতে খাবারের পর মাঝেমাঝে দুধ খাওয়া যেতে পারে। বড় চর্বি জাতীয় মাছ বা বড়ো কোন মাছ খাওয়া নিষেধ। যেকোনো জাঙ্ক ফুড একেবারে না খাওয়া উচিত। তেলেভাজা বা যেকোনো তেলের জিনিস সেটা বাড়িতে হলেও তা না খাওয়া অনেকটাই ভালো।

ডায়েট চার্ট অর্থাৎ এই খাবার তালিকা চলার পরেও আর একটি বড় কাজ থেকে যায় যেটি হল যোগাসন অর্থাৎ এসব কিছুর সাথেও শারীরিক পরিশ্রম দরকার। অফিসে আদালতে কাজ করতে করতে মানুষ সারাক্ষণ বসে থাকে। তাতে শরীরে অনেক বেশি মেদ জমে এবং মোটা হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট পরিমাণে বেড়ে যায়। তাই তাদের উচিত কায়িক পরিশ্রম করা। যদিও এই কায়িক পরিশ্রম মানে খাটাখাটুনি নয়। ফ্রি টাইমে বাড়িতে একটু যোগাভ্যাস করা। এই ডায়েট চার্ট ফলো সাথে সাথে প্রত্যহ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর একটু ছোটাছুটি কিংবা এক্সারসাইজ করা উচিত। অনেকেই বিকেলে টাইম পাই না তাই সকালে তার একটু বেশি সময় দিয়ে যোগাসন করলে শরীর স্বাস্থ্যের সাথে সাথে মন অনেক ভালো থাকে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন