রেস্টুরেন্টের স্বাদে বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন মজাদার বিরিয়ানি!

0
How to make biriyani
বিরিয়ানি বানানোর সহজ পদ্ধতি

হাজার সংবাদ ডেস্ক: বাঙালি এখন রেস্টুরেন্টে যাওয়া মানে শুধুই বিরিয়ানি। বন্ধুরা বিরিয়ানি তো সবাই খায় কিন্তু এই লকডাউন বাইরে বের হওয়া নেই ঠিক ঠাক তাই এই পরিস্থিতিতে আমরা বিরিয়ানি কিভাবে বানাবো বাড়িতে একদম রেস্টুরেন্টের মত তা আমাদের বেশ কিছু নিয়ম মেনে করতে হয়। কি কি নিয়ম মেনে আমরা বিরিয়ানি করলে রেস্টুরেন্টের মতো স্বাদ হবে সেটা তোমাদের কে আজকে বলব। তোমরা এই রেসিপির মাধ্যমে বাড়িতে তৈরি করতে পারো আর তাতে রেস্টুরেন্টের মত স্বাদ তো হবেই তার সাথে সাথে আপনাদের মুখরোচক একটা রেসিপি পাবেন। একেবারে আলাদা ধরনের বিরিয়ানি পদ্ধতি ঘরোয়া অথচ রেস্টুরেন্টের মতো স্বাদ পাবেন তাতে।

প্রথমেই আমাদের জানতে হবে বিরিয়ানি তৈরি করতে গেলে আমাদের কি কি লাগবে। প্রথমত বিরিয়ানি তৈরি করতে গেলে আমাদের বাসমতি চাল, মাংস (আপনি যে মাংসে পছন্দ করেন অবশ্য সেই মাংস সেটা চিকেন হতে পারে বা মটন) এবং আলু, পিয়াজ। মসলার মধ্যে রয়েছে ক্যাওড়া জল, গোলাপ জল, মিঠে আতর, পেরেশতা এবং গরম মসলা, বিরিয়ানির মসলা, পরিমাণমতো তেল এবং দুধ সামান্য একটু।

পরিমাণঃ
৫০০ গ্রাম বাসমতি চাল
৩০০ গ্রাম চিকেন
২৫০ গ্রাম পিয়াজ
১ টি টম্যাটো
২ চামচ রসুন
২ চামচ আদা
বড় বড় সাইজের পিস করা ৪ পিস আলু
বিরিয়ানির মসলা
গরম মসলা
তেল
দুধ
জাফরান
ফেরেশতা
কেওড়া জল
গোলাপজল
মিঠা আতর

পদ্ধতিঃ
মাংসটাকে ম্যারিনেট করার জন্য একটা পাত্রে মাংস টাকে নিয়ে তাতে আদা বাটা রসুন বাটা টম্যাটো পিয়াজ বাটা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তার পর তাতে ১.৫ চামচ ক্যাওড়া জল ও ১.৫ চামচ গোলাপ জল এবং ২ ফোঁটা মিঠে আতর দিয়ে মিশিয়ে সেতাকে ১ থেকে ১.৫ ঘণ্টা ফ্রিজের মধ্যে রাখুন।

প্রথমে আমরা চালটা ভিজিয়ে রাখব আধা ঘণ্টা। আর ততক্ষন কড়াই তেল গরম করে তাতে নুন ফেলে দিয়ে আলু ভাজতে থাকবো। আলু তেলে ছাড়ার আগে তেলে নুন দিয়ে দিলে আলু আর কড়াই জরাবেনা। আলু তাকে কম আঁচে ভাজতে ভাজছে মাংস টা ফ্রিজ থেকেফের করে রাখুন। আলু ভাজা হয়ে গেলে সেই তেলে ম্যারিনেট করা মাংস টা দিয়ে দিন। সেটি ভালো করে কষাতে থাকুন ভালো করে কষতে কষতে তার মধ্যে পরিমান মত নুন, হলুদ, লঙ্কা দিন। যখন জল ভাব চলে গিয়ে তেলতেলে ভাব চলে আসবে অর্থাৎ কষা মধ্যে তৈলাক্ত ভাবটা চলে আসবে তখন গরম মসলা দিয়ে সেটাকে আমরা নামিয়ে নেব।

এদিকে আরো একটি চুলায় ভাত টাকে বসাতে হবে। একটা হাঁড়িতে প্রথমে জলটা গরম করে নেবেন এবং জল ফুটে উঠলে জলে ভেজানো চালটা আস্তে আস্তে তুলে দেবেন। আর চাল দেওয়ার পর ফুটে ওঠা মাত্রই সেটিকে নামিয়ে নেবেন। তার পর একেবারে ঝরঝরে হবে এবং তার সাথে হালকা সামান্য একটু ঘি মিশিয়ে নেবেন। ভাত টা আলাদাভাবে রাখবেন এবং চিকেন কষা টা আলাদা ভাবে রাখবেন।

তারপর একটা বিরিয়ানির হাঁড়ি অর্থাৎ আপনার বাড়িতে যদি ছোটখাটো হারিয়ে থাকে তাহলে হবে আর গায়ের চারিদিকে একটু ঘি প্রলেপ দিয়ে নেবেন। তারপর তার নিচে তেজপাতা গরম মসলা দিয়ে দেবেন। তার ওপরে একবার ভাত ছড়িয়ে দেবেন একটু মোটা স্তরে ভাট ছড়াবেন। তারপর আরেকটি স্তরে মাংস দেবেন আবার ভাত তারপর আবার মাংস এইরকম ভাবে ধাপে ধাপে আপনাকে ভাত এবং মাংসটাকে সাজাতে হবে। সাজানোর পর ভাত দিয়ে উপরটা চাপা দিয়ে দেবেন যেন উপরে মাংস না থাকে। অর্থাৎ শেষ স্তরে একেবারে ভাত থাকবে।

তারপর একটা পাত্রে দুধ ফুটিয়ে নিতে হবে তার মধ্যে দেবেন বিরিয়ানির মসলা এবং তার সাথে দেবেন বেরেস্তা। এই দুটি ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে ভাতের ওপরে গল করে ঘুরিয়ে ঘুড়িয়ে দিয়ে দেবেন। তারপর আটা-ময়দার ভালো করে হাঁড়ির মুখে লাগিয়ে ঢাকনা বন্ধ করে রেখে আধঘন্টা ভাপে রাখুন গরম আঁচে। তারপর দেখবেন আপনার বিরিয়ানি দোকানের স্বাদে রেস্টুরেন্টের মত বিরিয়ানি তৈরি হয়ে গেছে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন