করোনাকে এরিয়ে যেতে বাড়ান শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার

0
how to increase immunity level in your body
শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কি কি খাবেন

হাজার সংবাদ ডেস্ক: শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়াতে হবে তা না হলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। যে সকল মানুষের ইউনিটি পাওয়ার কম তাদেরই যখম করতে পারে এই করোনাভাইরাস। তাই এই ভাইরাস সংক্রমনের যুগে শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়ানোর কথা বহুবার বলা হচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। তাছাড়াও টিভি চ্যানেলের বিজ্ঞাপনের দ্বারা প্রাই শুনতে হচ্ছে এই কথা।

প্রতিনিয়ত আমরা শুনছি শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার সঠিক মাত্রায় রাখলে কোন ভাইরাস এফেক্ট করতে পারবেনা আমাদের শরীরে। কিন্তু অনেকেই রয়েছে যারা জানেনা কি করে প্রতিরোধ পাওয়ার বাড়াবে। বাড়িতে বসে একজন সবাই কিন্তু বাইরে গেলে বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন যুক্ত খাদ্য আমরা খেয়ে থাকি। এখন যেহেতু ঘরে বন্দি তাহলে কি কি খাবার খেলে আমাদের ইমিউনিটি পাওয়ার বজায় থাকবে এবং শরীরের সঠিক মাত্রায় প্রোটিন থাকবে তা বোঝা খুব মুশকিল। সাধারণত আমরা প্রোটিনযুক্ত খাবার খেয়ে থাকি ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়ানোর জন্য। তার সাথে দরকার জীবানুনাশক অর্থাৎ জীবাণুমুক্ত করার জন্য বেশ কিছু খাবার আমরা খেতে পারি। যেহেতু আমরা এখন বাইরে বেরোতে পারছিনা এবং বাইরের খাবার যথেষ্ট ভয়ের কারণ হতে পারে তাই আমরা বাড়িতে এসেই সমস্ত খাবার বানিয়ে খেতে পারি কিংবা বেশ কিছু সবজি রয়েছে যেগুলোর মধ্যে অনেক রকম পুষ্টিগুণ রয়েছে সেই সমস্ত সবজি আমরা খেতে পারি এই সময়।

যেমন ধরুন আপনি দুধ খান সেই দুধে এক চামচ হলুদ দিয়ে দিন তাতে দুধের পুষ্টি সমান থাকবে বরং বেড়ে যাবে জীবানুনাশক প্রক্রিয়া কারণ হলুদ রান্নায় ব্যবহার করা হয় শুধুমাত্র জীবাণুনাশক হিসেবে নয়। হলুদের মধ্যে রয়েছে এমন গুন যা ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়াতে ও শরীরের মধ্যে যথেষ্ট ভাল শক্তি যোগাতে সাহায্য করবে তাই দুধ হলুদ খাওয়া এই সময় খুব বাধ্যতামূলক। তারপর যে কোন সবজি আপনি বাড়িতে খান তবে খুব বেশি হাইজেনিক করে নয় অর্থাৎ তেল মসলা দিয়ে নয়। সাধারণ খাবার খান তবে সেটি খুব ভাল করে রান্না করে। কাঁচা কিংবা কোন কাঁচা সবজি এই সময় খাবেন না। ফ্রিজে সবজি কম খান যদিও কোন কারণে ফ্রিজে সবজি কিংবা যে কোন ফলমূল রেখে থাকেন তাহলে খাবার থেকে তিন ঘণ্টা আগে সেটা বের করে নিন। তারপর গরম হলে সেটা ভালো করে রান্না করে খান আর ফলের ক্ষেত্রে সকালে বের করে রাখে সেই ফল বিকেলে খান অর্থাৎ ফ্রিজের ঠান্ডা ভাবটা কমে যাওয়ার পর আপনারা সেই ফল খেতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ পিয়াজে চুল ছাড়াও অনেক ভুমিকা পালন করে আমাদের শরীরে!

প্রত্যেকদিন খাবার লিস্টে একটা করে ফল রাখুন সবাই। সারাদিনে একটা করে ফল খাওয়া খুব দরকার শরীরের পুষ্টিগুণ বজায় রাখার জন্য। তাই যে কোন ফল সারাদিনে একটা করে খান। আপনি বাড়িতে হেলথ ড্রিংকস খেতে পারেন তাছাড়াও যদি দুধ খান তাতে অসুবিধা। সারা দিনে গরম জল ব্যবহার করুন সকালে যদি চা খান তাহলে খুব ভালো আর যদি চান না খান তাহলে গরম জল খান। দিনে দুই থেকে তিনবার গরম জল খান এই সময় ঠান্ডা লাগার প্রবণতা এড়িয়ে চলুন। যে সমস্ত কাজকর্ম তে আপনার ঠান্ডা লাগে সেই সমস্ত কাজ গুলোকে এড়িয়ে চলুন যদি সামান্য ঠান্ডা লেগে থাকে তাহলে বাড়িতেই ট্রিটমেন্ট করুন তাতে ভালই হবে।

যারা দুধ হলুদ খাচ্ছে এই সময় তাদের জন্য খুব ভালো। কারন হলুদ এর মধ্যে এমন কিছু জিনিস আছে যা ঠান্ডার ভাব কাটিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। যদি আপনার ঠান্ডা লেগে থাকে তাহলে হলুদের সাথে মিশিয়ে আখের গুড় খান তাহলে আপনার ঠান্ডা লাগা একেবারেই কমে যাবে। খাবারে সমস্ত রকম মসলা ব্যবহার করুন। রান্নায় সব রকম মসলার মধ্যে রয়েছে যথেষ্ট পুষ্টিগুণ তাই এই সময় সমস্ত রকমের মসলা ব্যবহার করা খুব জরুরি। সাথে ব্যাবহার করুন আদা এবং রসুন। আয়রন জাতীয় খাবার খান কলা কাঁচা কলা বা কলার মোচা এছাড়াও বিভিন্ন শাকের মধ্যে অধিক পরিমাণে আয়রন রয়েছে আয়রন জাতীয় খাবার খান।

এছাড়াও আপনারা মিষ্টিজাতীয় খাবার খায় কারণ মিষ্টিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। এখন আপনারা বাইরে বেরোতে পারছেন না তাই বলে মিষ্টি না খাওয়ার কোন কথা নয়। আপনারা চাইলে বাড়িতে বানিয়ে নিন যেমন পারেন তেমনভাবে মিষ্টি। প্রত্যেকদিন খাবার তালিকায় বিভিন্ন রকমের শাক সবজি রাখা জরুরি। এই সময় আপনার শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে চিন্তার বিষয় তাই কোনোভাবেই তা হতে দেবেন না আর সবথেকে বড় কথা যেটা সেটা হলো আপনাকে প্রত্যেকদিন ঠিকঠাক ঘুমাতে হবে অর্থাৎ একটা মানুষের সাধারণত সাত থেকে আট ঘণ্টা সারা দিনে ঘুমানো উচিত যেহেতু এখন বাড়িতে আছেন তাই চেষ্টা করবেন ঘুমের জন্য একটু সময় দিতে। আপনি ঘুমালেও আপনার শরীর অনেকটা ভালো থাকবে আপনি সারাদিন অনেক খাবার খেলেন কিন্তু ঘুমের খামতি রয়েছে তাহলে দেখবেন আপনার অনেক ক্লান্ত লাগছে তাই ঘুমটা অত্যধিক জরুরী। খাওয়া-দাওয়ার সাথে একটু সময় করে ঘুমান তাহলে দেখবেন আপনি ভালো থাকবেন। এই সময় সাবধানে থাকুন ভালো থাকুন।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন