সর্দি কাশি হাঁচির সারাতে ব্যবহার করুন ঘরোয়া টোটকা!

0
remove the covid-19 symptopms
সর্দি কাশি হাঁচির সারাতে ব্যবহার করুন ঘরোয়া টোটকা!

হাজার সংবাদ ডেস্ক: গোটা পৃথিবীতে এখন যা অবস্থা তাতে প্রত্যেক মানুষেরই খুব সাবধানে চলা উচিত। বেশকিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত তাদের নিজেদের স্বাস্থ্যের জন্য। সামান্য ঠাণ্ডা কিংবা গরম বা এখন যেভাবে আবহাওয়া পরিবর্তন হয় সে আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন সমস্যা আসে। যেমন সর্দি, কাশি, হাঁচি, সামান্য জ্বর এগুলো হয়ে থাকে। যদিও সামান্য সর্দি কাশি হাঁচি হয়েছে তা করোনা ভাইরাস বলে আশঙ্কা করা একেবারেই বৃথা। সামান্য জ্বর সর্দি কাশি কমানোর জন্য ঘরোয়া টোটকা একেবারেই ঠিক আছে। এখনকার দিনে মানুষ হসপিটাল কিংবা যে কোন ডাক্তারের চেম্বারে যেতে ভয় পায়, তার কারণ শুধুমাত্র করোনাভাইরাস। তাই বলে কি সেই মানুষগুলোর সর্দি কাশি হাঁচি একেবারে লেগে থাকবে, না কি ঘরোয়া উপায়ে তা কিভাবে সারাবে তাঁর ব্যবস্থা করবে। সর্দি-কাশি-জ্বর এগুলো নির্মূল করা যায় বা শরীরকে অনেক বেশি প্রতিরোধ ক্ষমতাশীল তৈরি করা যায় তার জন্য কিছু ঘরোয়া টোটকা জেনে রাখা ভালো, যাতে সামান্য ছোটখাটো রোগ নির্মূল করা যায়।

সর্দি কাশি হাঁচি এইগুলো এখন বেশ বড় একটি উপসর্গ যার দ্বারা মানুষ ভয় পাবে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের। বাড়িতে বসেই এই উপসর্গগুলো নির্মূল করা যায়। চাইলেও সেই উপসর্গগুলো কিছু ঘরোয়া টোটকা সারিয়ে তোলা যায়। ছোটবেলায় যখন সর্দি কাশি হাঁচি হতো তখন বাড়িতে মা কিংবা ঠাকুরমা এই সব ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করত। এই সময় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হলেও যদি সর্দি কাশি হয় মানুষের চিন্তা অনেক বারে। সবাই ভাবে যে এই বুঝি ভাইরাসে আক্রান্ত হলেো। তা নিয়ে চিন্তা করতে করতে শরীর আরো অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ঘরোয়া টোটকায় কিভাবে এগুলো নির্মূল করা যায় তা একবার জেনে নিন।

আমরা বেশ কিছু উপাদান দিয়ে বাড়িতে কিছু ঘরোয়া ওষুধ বানাতে পারি। যেমন মধু, রসুন, আদা, হলুদ, তুলসী পাতা এই সমস্ত উপকরণ দিয়ে আমরা অনেক কিছু করতে পারি। যেটাতে সর্দি কাশি হাঁচি কমতে পারে।

মধুঃ মধু ব্যবহার করলে শরীরের মধ্যে সতেজ করে তলে। প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধু এবং লেবু একসাথে মিশিয়ে সেটা দিনে দুই থেকে তিনবার খান তাতে ঠান্ডা লাগা ও কমে যাবে। তার সাথে সাথে তোমরা যদি চাও শুধু মধু খেতে পারো। কিংবা মধু ও হলুদ একসাথে সেটা পান করে রাতে ঘুমাও তাহলে দেখবে সারারাত কাশি আর হবে না। এবং কাশি প্রবণতা অনেকটাই কমে যাবে। যদি কেউ দেখো যে চা খেতে পছন্দ করো তাহলে চিনির জায়গায় মধু ব্যবহার করে চায়ের মধ্যে লবঙ্গ, তেজপাতা, আদা দিয়ে সে গরম চা টা খেতে পারো। সারাদিনে যদি দুবার পান করা যায় তাহলে কাশির প্রবণতা কমে যায়।

গোলমরিচঃ তোমরা গোল মরিচের চা বানিয়ে খেতে পারো অর্থাৎ গোলমরিচ এবং তার সাথে এক চামচ মধু দিয়ে সেটা ভালো করে ফুটিয়ে সেদ্ধ করে যখন গোলমরিচের গন্ধে মিশে যাবে তখন সেটিকে সেই গরম চা খেলে কফ যুক্ত কাশি সেরে যাবে। তবে যাদের শুখনো কাশির প্রবণতা আছে তাদের জন্য এইটা খুব ভালো কাজ দেবে না। তবে বেশ কিছুক্ষণের জন্য কাশি বন্ধ থাকতে পারে।

হলুদঃ শীতকালের জন্য বেশ কিছু টোটকা আমি জানাতে পারি যেগুলো ধরুন কেউ সর্দি-কাশির প্রবণতা থাকে তাহলে শীতকালে প্রত্যহ সকালে কাঁচা হলুদ সাথে আখের গুড় চিবিয়ে খান তাতে দেখবেন সারা শীতকালে কোন ঠাণ্ডা লাগা থাকবেনা। এছাড়াও হলুদ আর মধু যথেষ্ট গুন রয়েছে শীতকালে প্রত্যহ মধু হলুদ খাওয়া ও ভালো কারণ শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখে এই মধু। যদি কেউ চাও তাহলে তোমরা হলুদ তুলসী পাতা তার সাথে দু চামচ মধু দিয়ে ছেঁচা বানিয়ে খান তাহলে কমবে সরদি কাসি উপসর্গ। তোমরা যদি খুব হাঁচি হয় তাহলে সেটা রাতে শোবার আগে বিছানায় পেঁয়াজ রেখে দিন এই পেঁয়াজের গন্ধ আস্তে আস্তে আপনার হাঁচি কমে যাবে। এবং তার সাথে মাথার বালিশটা একটু উঁচু করে রাখবেন তাতে দেখবেন আপনি অনেক সস্তি পাবেন। কাশিও কমে যাবে

তার সাথে সাথে সবথেকে বড় টোটকা সেটাই হলো আপনার হাসি একেবারে সেরে যাবে। সাধারণত কাশি প্রবণতা থাকলে আমরা গালের মধ্যে লবঙ্গ দিয়ে রাখি তাতে কাশি কমে বটে কিন্তু সেটা বেশিক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হয়না। যদি কারোর কাশির সারাতে অনেক লেবুর গোলমরিচের গুঁড়ো আর লবণ ছড়িয়ে সেই লেবুটিকে খেয়ে ফেলুন দেখবেন আপনার কাশি একেবারেই কমে গেছে।সামান্য নিয়ম পালন করে চললে আপনাদের সুস্থতা আপনি নিজেই বজায় রাখতে পারবেন।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন