কোন খাদ্য কখন খাওয়া উচিত, কিভাবে খাবেন কতটা উপকারী প্রোটিন জাতীয় খাবার তা জেনে নিন!

0
how many benefits of protein in human body?
কতটা কার্যকরী প্রতিন জাতীয় খাবার আমাদের শরীরের জন্য

হাজার সংবাদ ডেস্ক: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে শরীরের জন্য পুষ্টি জাতীয় খাবার প্রয়োজন হয়। তাই আমরা সকালের ব্রেকফাস্ট থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত হালকা হোক ভারী খাবার হোক। এর পাশাপাশি অনেক রকম পানীয় ডিম নানা রকম ফল খাবার তালিকা সঙ্গে জোক করে থাকি। এমন কিছু খাবার গুলি কোন সময় ঠিকঠাক খাওয়া উচিত সেটা আমরা অনেকেই জানি না। তাই জেনে নেওয়া যাক কোন খাবার আমরা কোন সময়ে খাবো। তাদের নিজেদের শরীর ভালো থাকবে।

প্রথমে বলি চা বা কফির কথা। এই চা বা কফি আমরা প্রত্যেকে সকালবেলা উঠে খেয়ে থাকে কিন্তু সকাল বেলা খালি পেটে এই চা-কফি খাওয়া টা শরীরের ক্ষতি ডেকে আনে কি না তা জানা দরকার। অনেকে আছে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি নিয়ে বসে যায়। কিন্তু ঘুম থেকে ওঠার পর এক গ্লাস জল খেয়ে তার কিছুক্ষণ পর যদি চা-কফি খাওয়া যায় তাতে ভালো হয়। আমাদের সকালবেলা চা কফি না খেলে দিনটা ঠিক ভালোভাবে শুরু হয় না কাজে মন বসে না একথা ঠিক। কিন্তু একদম খালি পেটে চা বা কফি খাওয়া ঠিক নয়। সকালে এক গ্লাস জল খেয়ে তারপর খাওয়া যেতে পারে চা-কফি বা সকালের ব্রেকফাস্ট খাওয়ার পর আধঘন্টা পর চা কফি খেলে সবথেকে ভালো কাজ দেয়। এই চা-কফি যদি রাতে পান করা হয় তাহলে ঘুমোনোর সময় নিজের শরীরে একটা অস্বস্তি বোধ তৈরি হয় ভালো ঘুম হতে চায়না। তাই সময় সুযোগ বুঝে সব জিনিস খাওয়া উচিত।

এরপর ডিম এর ক্ষেত্রে বলি ডিম একটা প্রোটিন জাতীয় খাবার। অনেক ডাক্তাররাও একথা বলে যে প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটা ডিম থাকা দরকার। এই ডিমও খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়। এতে অনেকের গ্যাসের সমস্যা হতে পারে তাই সকালে ব্রেকফাস্ট এর সঙ্গে একটা ডিম রাখা উচিত বা ব্রেকফাস্টের সঙ্গে ডিম খেলে কোন সমস্যা তৈরি হয় না। আমরা প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে সঙ্গে একটি করে যে কোনো রকমের ফল খেয়ে থাকি প্রত্যেক মানুষ। কিন্তু এই ফল বা কখন খাওয়া উচিত। অনেকেই বলে থাকে খালি পেটে ফল খাওয়া উচিত নয়।

ফল খেতে হয় ভরা পেটে খালি পেটে জল পান করা যায়। কিন্তু মানুষের এই ধারনাটা ভুল। ফল খালি পেটে খাওয়া গেলে সেটাই সবথেকে ভালো তাতে কোনো রকম গ্যাসের প্রবলেম হয় না বা ফল আমরা সকাল বেলা ব্রেকফাস্ট এর আগে বা পরে যদি খেয়ে থাকি সেটাই ভালো কাজ করে সব থেকে। এটা যদিও ঠিক কোন ফল রাতে খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে আপেলের মতন খাবার যদি সকালে খাওয়া যায় খুব ভালো কাজ করে বা কোন ফল আমরা দুপুরে ভাত খাওয়ার আগে যদি খায় তাহলে ভালো এতে শরীরের উপর ক্ষতির প্রভাব পড়ে না কোন রকম ভাবে।

এছাড়াও সারাদিনে আমাদের শরীরে দুধের প্রয়োজন থাকে। দুধ ক্যালসিয়াম প্রোটিন ফাইবার যুক্ত খাবার। দুধে পর্যাপ্ত পরিমানে ক্যালসিয়াম থাকায় আমাদের শরীরে হার মজবুত রাখতে সাহায্য করে। তার সঙ্গে আমাদের শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচায়। যারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তারা এই দুধকে এড়িয়ে চলাই ভালো। দুধের যেকোনো খাবার তারা খেতে পারে তাতে খুব একটা ক্ষতি হয়না। কিন্তু এই দুধ খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়। তাতে অনেকের পেটে গ্যাস জমতে পারে। এর থেকে শরীরে একটা অস্বস্তি তৈরি হয়। সবথেকে ভালো যদি রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খাওয়া যায়। তাহলে রাতের ঘুমটা খুব ভালো হয়। তারা এই দুধ অবশ্যই রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে খাওয়া উচিত। রাতে ঘুম আসতে চায় না ঘুম কম হয় এমন মানুষদের। তবে অবশ্যই করে দুধটা হালকা গরম হতে হবে। তাতে গ্যাস দূর হয় কুসুম গরম দুধে। হালকা গরম দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। তাতে ভাল ফল পাওয়া যায় ঘুম ভালো হয়।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন