কত মেয়ে প্রান হারাবে এভাবে! মনীষা বাল্মিকির মত কত মেয়েকে নির্যাতিত হতে হবে? মাথা উঁচু করে বাঁচার জন্য কবে আসবে সেই আইন

0
hathras gang rape case
মনীষা বাল্মিকি

হাজার সংবাদ ডেস্ক: যোগী রাজ্যে নারী নির্যাতন এবং একের পর এক বিভিন্ন অরাজকতার শিকার হচ্ছে মহিলারা। বিভিন্ন রকম ভাবে তাদেরকে হেনস্থা করা হচ্ছে আর তার জন্যই সাপোর্ট করছে পুলিশ কমিশনার। প্রত্যেকটা কাজে প্রত্যেকটা মুহূর্তে যোগীরাজ মেয়েদেরকে বিভিন্ন রকম ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। যেমন শারীরিক ভাবে তেমন মানসিকভাবে প্রত্যেকটা কাজে, সবকিছুতেই যুক্ত রয়েছে পুলিশ প্রশাসন তার পরেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না তাদের জন্য। মাঝখান থেকে প্রত্যেকটা অসহায় মানুষের এবং প্রত্যেকটা মহিলার সারাটা জীবন নষ্ট হচ্ছে কিংবা কোথাও তাঁর দাম দিতে গিয়ে তাদেরকে প্রাণ হারাতে হচ্ছে। সুরক্ষাহীন ভাবে আর কতদিন বাঁচবে নারীরা। তাদের জন্য আইন হোক তারা যেন নির্দ্বিধায় বাইরে মাথা উঁচু করে বের হতে পারে।

হাতড়াসের যে মহিলার ধর্ষণ করা হয়েছিল সেই মহিলা যথেষ্ট অত্যাচারের পর তাকে প্রান হারাতে হয়। প্রথমে তাকে তাঁর বারির লক হাড়ভাঙ্গা অবস্থায় জিভ কাটা অবস্থায় মাঠের মাঝে থেকে তাকে উদ্ধার করেছিল। সেখান থেকে তাকে তখন হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও সপ্তাহখানেক যুদ্ধ করার পর তাকে প্রাণ হারাতে হয় ধর্ষিতার। এবং সেই ধর্ষিতার মৃত্যুর পর তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয় এমনটা নয় সেখান থেকে ময়না তদন্তে পাঠানো হয় এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এরপর সেখান থেকে ধর্ষিতার মরদেহ নিয়ে পরিবারকে না জানিয়ে সৎকার করে যোগী রাজ্যের পুলিশরা এবং তাদের পরিবারকে কেউ জানায় নি ধর্ষিতাকে সৎকার করা হচ্ছে। ধর্ষিতার মরদেহ নিয়ে মাথের মাজগে গায়ে আগুন দিয়ে সৎকার করে পুলিশ।

হাতরাসের এই ধর্ষিতার পরিবার যখন তাকে হাত পেয়েছিল মাঠের মাঝখানে থেকে তখন বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিল। শুধুমাত্র হাড়ভাঙ্গা ছিল এমনটা নয় তার জিভ কেটে নেওয়া হয়েছিল সেখানে অভিযুক্তদের ধরা গেলেও পুলিশ কোন ভাবে সাহায্য করেনি বরং ধর্ষিতার মৃতদেহ বাড়ির কাউকে না জানিয়ে তা নিজেরাই সৎকার করেছে। প্রত্যেকটা রিপোর্ট অনুযায়ী বাড়ির প্রত্যেকটা মানুষ যা কিছু জানিয়েছিল তার ওপরে কোনো রকম ভাবে এফআইআর দায়ের করতে দেওয়া হচ্ছিল না ধর্ষিতার পরিবারকে। বিভিন্ন রকম ভাবে তাদেরকেও ভয় দেখানো হচ্ছিল তবে শেষমেশ এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তবে ধর্ষিতা আর যুদ্ধ করতে পারেনি তার আগেই তিনি মারা যান এই নির্মম ভাবে অত্যাচার এরপর সে যুদ্ধ করেছিল বাঁচার জন্য এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী এটাও জানা গেছে তাকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল তারপর গায়ে আগুন দিয়ে মারার চেষ্টা হয়েছিল। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী সে মারা গিয়েছে শ্বাসরোধ হয়ে নয়। সে মারা গিয়েছে ধর্ষণের যে অত্যাচার করা হয়েছিল তারপরে শরীরের বেশ কিছু অঙ্গ একেবারে অচল হয়ে পড়ে আর তার জন্যই এই অবস্থা হয়েছে।

মহিলাদের ওপর একের পর এক অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। এর আগেও নির্ভয়া কাণ্ডে বিভিন্ন রকম ভাবে হেনস্তা হওয়ার পরে বারো বছর পর নির্ভয়া কাণ্ডের ফলাফল প্রকাশ হয়। তার পরিবারকে করতে হয়েছিল অনেক যুদ্ধ তবে এই মধ্যবিত্ত পরিবার তা কতটা পারবে তা সম্ভব কিনা টা জানানেই। তবে সবার তরফ থেকে এটাই জানানোর যে তাদের পাশে যেন সবাই থাকে এবং প্রতি মুহূর্তে তাদেরকে সাহায্য করুক পুলিশ প্রশাসন এবং সরকারি আইন। যেভাবে তাদের বিপরীতে দাঁড়িয়েছে তা যেন অন্যরা না করে এবং তাদেরকে সাহায্য করে যাতে প্রত্যেকটা পদক্ষেপে এগিয়ে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা তাদের জন্য সুজগ করে দেওয়া হোক কারণ বাড়ির একটা মেয়েকে নিজের, বোনকে কেউ বা তার দিদিকে হারিয়েছে। শুধুমাত্র নিজের মেয়েকে হারিয়ে একটা অন্যায়ের প্রতিবাদ তারা চাইলেই পারে মধ্যবিত্ত পরিবার বলে মামলা চালানোর ক্ষমতা নেই তার জন্য সরকারি আইন করা হোক এবং অভিযুক্তদের যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এত নির্মম ভাবে যারা অত্যাচার করেছে তাদেরকে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন