সিম কার্ডের মাধ্যমে হতে পারে জালিয়াতি! ঠকিয়ে লাখ লাখ টাকা তুলছে হ্যাকাররা

0
Hackers have committed fraud in the name of updating SIM card
হ্যাকিং থেকে সাবধান

হাজার সংবাদ ডেস্ক: সিম কার্ডের মাধ্যমে হতে পারে জালিয়াতি এবং তার প্রমাণও পাওয়া গেছে। বিভিন্ন জায়গায় কয়েকদিন আগে একজন ভদ্রলোক জানিয়েছিলেন যে সিম কার্ডের জন্য সিম বন্ধ করা হচ্ছে দুদিনের জন্য আর সেই দিনের মধ্যেই অ্যাকাউন্ট থেকে ফাঁকা হয়ে গেছিলো প্রায় 10 লক্ষ টাকা। সরল সাদাসিদে মানুষদেরকে এইভাবে ঠকানো হচ্ছে। তবে এর আগে চীন এবং ভারতের গালয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের ফলে যে ৫৯ টি অ্যাপ বাতিল করা হয়েছিল তা তথ্যপ্রযুক্তির জালিয়াতির কারণে আর তারপরেও বিভিন্ন জায়গা থেকে ভারতীয় সেনাদের নাম করে টাকা তুলে নিয়েছিল হ্যাকাররা এবং তারা জানিয়েছিল যে তারা ভারতীয় সেনা এবং সেনাদের বেশকিছু অনলাইন জিনিসপত্র ডেলিভারি করার জন্যই এই টাকা পে করতে হচ্ছে। কিন্তু ব্যবসায়ী পরে নিজে জানতে পারেন যে তা আদৌ কোনো সেনাদলের কাজ নয়। তিনি হ্যাকার ফাঁদে পড়েছেন। এই জালিয়াতির ফাঁদে পড়ে। তিনি জানান এবং ব্যাংক থেকে তাকে অনেক বেশি সাহায্য করা হয়েছিল। সেখান থেকে সে তার টাকা ফেরত পেয়েছে যদি পুরো টাকাটা ফেরত পায়নি।

তবে আগে জানা যেত অনলাইন মাধ্যমে কিংবা অনলাইনে বিভিন্ন ব্যাংক ট্রানজেকশন এর মাধ্যমে হতে পারে কিন্তু এবার আর তা নয় এবার সিম কার্ডের মাধ্যমে হতে পারে হ্যাকিং অর্থাৎ তারা তাদের স্মার্ট টেকনোলজি কে এত বেশি কাজে লাগিয়েছে সেখানে সিম কার্ড বন্ধ রেখে কোনো সহায়তা নিয়ে তারা সমস্ত সিম কার্ড বন্ধ রেখে নিজেদের কাজ ঠিক সময় মতো করে নিচ্ছে অর্থাৎ সেই ভদ্রলোক জানিয়েছিলেন যে তিনি দিন অপেক্ষা করার পর যখন তার সিম কার্ড চালু হয়নি। তিনি কোনো এক মোবাইল স্টোরে গিয়ে জানানোর পর সেখান থেকে তাকে বলা হয়েছিল যে নতুন সিম কার্ড নিতে কিন্তু তিনি তা না করে তিনি সেই নাম্বার আবার খোলা শুরু করেন এবং তার পরেই তিনি ব্যাংকে গিয়ে পাসবই আপডেট করে জানতে পারে তার অ্যাকাউন্ট থেকে একদিনে তুলে নেওয়া হয়েছে। 10 লক্ষ টাকা যেখানে ব্যাংকের নির্দেশ অনুযায়ী কারেন্ট একাউন্ট ছাড়া সেভিংস একাউন্টে এক লক্ষ টাকার বেশি তোলা যায় না সেখানে একদিনে কিভাবে 10 লক্ষ টাকা উতাকাএকদিনে ২৮ বার ট্রানজেকশন করা হয়েছে অনেক বার। সবথেকে বড় ট্রানজেকশন ছিল সেদিন তিন লক্ষ টাকা। এত বার ট্রানজেকশন হয়েছে এত টাকা তলা হয়েছে তা তিনি গুনাক্ষরে টের পাইনি।

সেই ভদ্রলোক ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে জানাতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায় যে তারা এ বিষয়ে কিছুই জানে না। কার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হয়েছে কিন্তু তিনি নিজেই ব্যাংকের কাছে জানিয়েছে যে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কিভাবে 10 লক্ষ টাকা একই দিনে ট্রানজেকশন করল যেখানে একটা ট্রানজেকশন এত বেশি বেশি বার দিতে হলে সেখানে বারবার গ্রাহকদের কাছ থেকে পারমিশন নিতে হয়। সেখানে 10 লক্ষ টাকা একদিনে কিভাবে উঠল কোন পারমিশন ছাড়া এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন ব্যাংকের তরফ থেকে আমার কাছে কোন ফোন আসেনি তাহলে কিভাবে টাকা তোলা হলো এবং সেই টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য ব্যাংকের সহায়তা নিতে চাইছেন। তিনি কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একেবারেই নারাজ এই প্রসঙ্গে ঢোকার জন্য তবে তিনি পুলিশ হেফাজতে গিয়েছেন ব্যাংকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে তিনি পুলিশ হেফাজতে যাওয়া গেলে সেখান থেকে সাহায্য মিলতে পারে এবং সেখানে যাওয়ার পর তিনি বুঝতে পারেন যেটা হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সমস্ত টাকা তোলা হয়েছে।

তাই সবার জন্য তথ্যপ্রযুক্তির যুগে দাঁড়িয়ে সবাইকে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে শুধুমাত্র মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট সেট করা উচিত নয়। যদিও সেট করেন তাহলে আপনার পাসওয়ার্ডটা এতটাই কঠিন ভাবে দেবেন যেখানে নিরাপত্তা বজায় রাখতে আপনার কোন অসুবিধা হবে না বা অন্য কেউ আপনার সেভিংস একাউন্ট থেকে কোনভাবেই টাকা তুলতে পারবে না। সাধারন ক্ষেত্রে আমরা সবাই ফোনে অনলাইন পরিষেবার মাধ্যমে ট্রানজেকশন করি কিন্তু আমরা কখনও ভেবে দেখি না এই অনলাইন ট্রানজেকশন হতে পারে আইপি হ্যাক করে তবে অনেক ক্ষেত্রে আইডি হ্যাক করা হয়। এটা যেমন ঠিক সেভাবে এখন সিম কার্ডের মাধ্যমে হতে পারে হ্যাকিংয়ের কারণ চোখের সামনে অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে আমরা প্রতি মুহূর্তে দেখতে পারছি বিভিন্ন বড় বড় ব্যবসায়ী এবং অর্থবান মানুষের অ্যাকাউন্ট থেকে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে অনেক পরিমাণ অর্থ।

যেখানে সিম কার্ডের মাধ্যমে হতে পারে এই হ্যাকিং এবার বোঝা যাচ্ছে সিমকার্ড তারা নিজেরাই বন্ধ করেছে এবং অপর দিক থেকে সেই দুদিনের মধ্যে তারা সমস্ত ট্রানজেকশন করেছে অর্থাৎ যে নাম্বারে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়েছিল সেই নাম্বারটা কে তারা বন্ধ করেছে প্রথমে। তারপর নিজেদের কাছে সেই নাম্বার চালু করে সেই নাম্বারের মধ্যে ওটিপি আসছে আর সেই ওটিপি দিয়েই তারা সমস্ত ট্রানজেকশন চালিয়ে টাকা তুলেছে যেখানে ব্যাংকের কিছু জানানোর ছিল না। যদিও জানিয়ে থাকে ফোনটা তাদের কাছে যাবে এইরকম ভাবে তারা জালিয়াতি চালিয়েছে। সবার জন্য এটুকু বলাই যাই যে সবাই খুব সচেতন থাকুন এবং প্রত্যেকের ব্যাংক একাউন্টের পাসওয়ার্ড যথেষ্ট কঠিন ভাবে দিন যাতে নিরাপত্তা বজায় রাখতে সুবিধা হই। আপনাদের কোন অসুবিধা না হয় আর যদি সামান্যতম কোন সন্দেহ হয়ে থাকে তাহলে আপনি তৎক্ষণাৎ পুলিশের সহায়তা নিন আপনাকে অনেক বেশি সুযোগ দেখাবে আইনি ব্যবস্থা।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন