৬ই জুন থেকে হবে পূর্ণ লকডাউন সাথে বন্ধ থাকছে ট্রেন! আর কি কি নিষেধাজ্ঞা জারী হয়েছে জেনে নিন

0
full lockdown start from 6th june
কি কি নিষেধাজ্ঞা জারী হল লকডাউনে

হাজার সংবাদ ডেস্ক: কি কি শপথ গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চলুন জেনে নেয়া যাক এবং সবথেকে বড় কথা কোভিড পরিস্থিতিতে কি কি নিয়ম আসতে চলেছে এবং লকডাউন এর পরিস্থিতি কেমন ভাবে চলবে তারও অনেক কথা জানিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সবার আগে তিনি কোভিড পরিস্থিতিতেই লকডাউনের কথা জানিয়েছে। প্রথমে জানিয়েছিলেন আংশিক লকডাউন তবে ভোটের রেজাল্ট এর পর তিনি 6 তারিখ থেকে পূর্ণ লকডাউন এর কথা জানিয়েছে। কি কি বন্ধ থাকবে এবং কোন টাইমে বন্ধ থাকছে। কি কি নিষেধাজ্ঞা জারী হয়েছে তাও তিনি নির্ধারিত জানিয়ে দিয়েছেন। ট্রেন একেবারেই বন্ধ, সরকারি এবং বেসরকারি বাস চলবে 50% অফিস আদালতের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের 50% হাজিরা এবং এছাড়াও অন্যান্য যানবাহন এর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে বাজার ঘাট এর ক্ষেত্রে খোলা থাকবে সকাল ৭ টা থেকে ১০টা অবধি তারপর বাজার বন্ধ এবং আবার খোলা হবে পাঁচটা থেকে সাতটা। সারা দিন লকডাউন নির্দিষ্ট কোন দিনক্ষণ ঠিক রেখে তিনি কিছুই বলেননি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার কিভাবে সবকিছু চালু করা হবে তা নির্ধারণ করবেন তবে 6 তারিখ থেকে ট্রেন বন্ধ থাকার খবর তিনি সবার আগে জানিয়েছেন।

এবার আসা যাক পরিস্থিতির পরিস্থিতিতে রাজ্যেরঅনেক বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে এছাড়াও আইসিউ ৩০০০ করা হয়েছে এই রকম ভাবে অনেকরকম পদক্ষেপে দিনে এগিয়েছেন এবং বারবার তিনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কাছে এবং চিঠি লিখেছেন যাতে এই করণা পরিস্থিতিতে খুব তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন এর ব্যবস্থা করা হয়। যেখানে তিন কোটি ভ্যাকসিন যাওয়া হয়েছে সেখানে 10 লক্ষ ভ্যাকসিন পাঠানো হয়েছে তাই এই সংখ্যাটা অনেকটাই কম তাই তিনি চিঠি লিখেছেন এবং সেই চিঠির উত্তর আছেনা। যারা রাজ্যবাসী ভ্যাকসিনের পরিস্থিতিতে তিনি সবার আগে নজর দিয়েছে যারা সেকেন্ডের ভ্যাকসিন নেবে তাদের জন্য এবং সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এছাড়াও বিভিন্ন ছোট খাটো স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে সেখানে যাতে স্বাভাবিক চিকিৎসা হয় তার জন্য অনুমতি দিয়েছেন তিনি। কারণ হাসপাতালে আস্তে আস্তে হাসপাতালে ভর্তি এবং সমস্যায় পড়ছে সাধারণ মানুষ তার থেকে স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা করা যায় তার জন্য অগ্রাধিকার দিয়েছেন তিনি।

করোণায় আক্রান্ত কিংবা অন্যান্য কোন রোগে আক্রান্ত রোগীদের ডেড বডি যাতে তাড়াতাড়ি বের করা যায় এবং করণা আক্রান্ত রোগীদের ডেড বডির সাথে যাতে পরিবারের সাথে সাক্ষাত করিয়ে দেওয়া যায় তার জন্য তিনি ভূমিকা নিয়েছেন এবং তিনি এও জানিয়েছেন যে যে বাড়ির করণা আক্রান্ত রোগী মারা যাবে তাকে জানানো হবে এবং ফোনের মাধ্যমে সেই ব্যবস্থা চালু করা হবে যাতে বাড়ির লোকের সাথে দেখাটুকু হয় সেই করণা আক্রান্তের মৃত করণা আক্রান্তের।

পরিস্থিতির পরিবর্তন দেখে তিনি আরও বেশকিছু সিদ্ধান্তের কথা ভেবেছেন এবং তা সময়ে জানানো হবে। এছাড়াও তো অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যদিও কোভিড পরিস্থিতির জন্য ভ্যাকসিনের পদক্ষেপটা তার কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ এই পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিন দরকার এবং সেই জায়গায় ভ্যাকসিন আসছে না। এখানে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির যে সমস্ত অক্সিজেন সরবরাহ তসেখান থেকে অক্সিজেন আনা হচ্ছে কোভিদ পরিস্থিতির রোগীদের জন্য যাদের অক্সিজেন এবং রোগীদের জন্য অনেক বেশি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন তিনি এবং তিনি এও জানিয়েছেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ হলে প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়া চালু হবে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন