কোভিশিল্ড নিয়ে রিসার্চ করে অবশেষে ভারত সরকারের থেকে স্বীকৃতি পেল মুথুরাপুরের শুভাশিস নাটুয়া! আজ সফল মধ্যবিত্ত বাড়ির এই ছেলে

0
finally government granted covishield vaccine which is research shuvasis natuya
কোভিশিল্ড ভ্যাক্সিনের স্বীকৃতি মিলল

হাজার সংবাদ ডেস্ক: কোভিড পরিস্থিতি আমাদের কাছে একটা জলজ্যান্ত উদাহরণ যে মহামারি মানুষের কাছ থেকে মানুষকে কেড়ে নেয়। যে রোগ মানুষের কাছ থেকে নিজের প্রিয় মানুষকে কেড়ে নিয়েছে আবার কোথাও বা হারিয়েছে কেউ বাবা-মাকে আবার কোথাও কোন সন্তান হারিয়েছে তার বাবা-মাকে এইরকম ভাবে বহু মানুষ অনাথ হয়ে গেছে। আবার অনেকেই রয়েছে যার সন্তান হারিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিনের দরকার ছিল আমাদের দেশে অনেক বেশি শুধু আমাদের দেশ নয় গোটা পৃথিবীর জন্যই দরকার ছিল ভ্যাক্সিনের। সেইরকম একটা পরিস্থিতিতে আমাদের দেশে বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন এলো সেই ভ্যাকসিন অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং অনেক রকম ভাবে সেই পরীক্ষা চালানো হয়েছে বহু দিন সময় লেগেছে তার জন্য বিভিন্ন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এতটাই সময় লেগেছিল এই ভ্যাকসিন তৈরিতে এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যেরকমভাবে ভ্যাকসিন তৈরি করা যেত সেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক ভাবে মনে হয়নি। তবে বিজ্ঞানীরা অনেক রকম ভাবে অনেক চিন্তা-ভাবনা কাজে লাগিয়েই ভ্যাকসিন তৈরি করতে সময় লেগেছে অনেক বেশি আর এবার আমাদের দেশে যে ভ্যাকসিন চলছে তার সাথে আরও একটা ভ্যাকসিন যুক্ত হতে চলেছে হয়তো জীবন বদলেছে আরো এক মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলের।

মধ্যবিত্ত পরিবার থেকেই তাকে পড়াশোনা করতে হয়েছে আর এই গরিবীইয়ানার মধ্য দিয়েই সে আজ এই বড় জায়গায় দাঁড়িয়েছে। আজ তাঁর তৈরি ভ্যাকসিন ভারত সরকারের তরফ থেকে পেয়েছে স্বীকৃতি। তাঁর জন্য এক অনুস্থানের আয়জন হয়েছে সেখানে দেওয়া হবে তাকে পুরস্কার। আর সেই ছেলেই শুভাশিস নাটুয়া এর আগে বিভিন্ন দক্ষতার প্রমাণ সে দেখেছে সে আর কেউ নয় সুন্দরবন একচুয়াল চলিত সুন্দরবনের এক চলিত জায়গা মথুরাপুরের পড়াশোনা শেষ করেছে কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাইস্কুল থেকে তারপর অনেক কষ্ট করে হায়ার স্টাডি করতে হয়েছিল। তবে তার পড়াশোনা এবং দক্ষতা দেখে অনেক রকম ভাবে সাহায্য পেয়েছিল পঞ্চায়েত এবং বিডিও মাধ্যমেও।

তবে সেই সাহায্য নিয়ে এর আগে দুবার বিদেশে গিয়েছে সেখানেও বিভিন্ন রিচার্জ করেছে বৈজ্ঞানিক অনেক দক্ষ তা নিয়েও বাড়ি ফিরেছে। তবে এবার শুধু তার কষ্ট নয় তার বাড়ির প্রত্যেকটা মানুষ যে কষ্ট পেয়েছে সেই কষ্টের দিন শেষ।হয়তো আজ তার যে সন্মান দেওয়া হয়েছে প্রত্যেকের খুশির জন্য চোখের জল আজ বাদ মানছে না। হয়তো এত কষ্ট শেষমেশ সুফল পেয়েছে। সে এর আগেও যাদবপুর ইউনিভার্সিটি তে সাইন্স ডিপার্টমেন্টের ওপর বেশ কিছুদিনের রিসার্চ করেছিল এবং তারপর সেখান থেকে বিদেশে গিয়েছে করণা পরিস্থিতিতে যখন ভ্যাকসিন এর জন্য বৈঠক ডাকা হয়েছিল সেখানে উপস্থিত ছিল এই শুভাশিস নাটুয়া। তখন থেকেই নিজের মত করে নিজেকে তৈরী করার চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সফল আছে বানিয়ে ফেলেছে করোনার ভ্যাকসিনের স্বীকৃতি দিতে চলেছে ভারত সরকার।

শুধু স্বীকৃতি নয় তার সম্মানের জন্য এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে কোয়েম্বাটুর এ এই রকম আরো অনেক পুরস্কার সেপাক এই আশায় রাখা যায়। তবে সে যা করেছে তা সাধারণ মানুষের পক্ষে হয়তো সম্ভব নয়। অনেক অভাব অনটনের মধ্যে দিয়ে সে আজ বড় হয়েছে সেই জায়গায় আজ এই দক্ষতা তার বাড়ির প্রত্যেক মানুষের চোখের জল আর বাঁধ মানছে না। কোথাও কোথাও এই জল দুঃখের নয় অনেক সুখের জল কিন্তু তার বাড়িতে তার বাবা মা দাদা প্রত্যেকটা মানুষ যথেষ্ট পরিশ্রম এবং চাষাবাদ করে তাদের জীবন চলত। আর সেই মায়ের সন্তান সেই দাদার ভাই আজকে এই জায়গায় দাঁড়িয়েছে তার জন্য অনেক খুশি তারা এবং তার শুধু তাই নয় তার স্কুলের আজ অনেক রকম ভাবে সযত্নে যত্ন করা হচ্ছে তাকে সম্মান দেওয়ার জন্য সেখানকার প্রধান শিক্ষক এও জানিয়েছেন যে যখন স্কুলে পড়তো অনেক দক্ষতার সঙ্গে সমস্ত কাজ করতো নির্ভুলভাবে বিবেচনায় সমস্ত কাজ করেছে শুভাশিস। তাই ওর দ্বারা সম্ভব এতা। তাই আজ শুভাশিস নাটোয়া প্রাপ্য সম্মা পেয়েছে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এসে নিজেকে দাঁড় করিয়েছে যে জায়গায় সেই জায়গায় আবারো অনেক বড় বড় দক্ষতার প্রমাণ দিক এবং আরো অনেক বড় হক। আজ সমস্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ভারত সরকারের তরফ থেকে পেয়েছে সম্মতি তাই সে আজ বিজ্ঞানী আরো এগিয়ে যান শুভাশিস নাটুয়া আরো অনেক বড় হন আপনার ক্যারিয়ার।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন