কেন্দ্রের দাবীতে বন্ধ করা হল ৫৯ টি চিনা অ্যাপ!

banned china apps
কেন্দ্রের দাবীতে বন্ধ করা হল ৫৯ টি চিনা অ্যাপ!

হাজার সংবাদ ডেস্ক: দেশকে সুরক্ষিত রাখতে কেন্দ্রের দাবিতে ৫৯ টি চিনা অ্যাপ বন্ধ করছে কেন্দ্র। দেশের প্রতিরক্ষার জন্য এবং দেশের সমস্ত তথ্য প্রযুক্তিতে সুরক্ষিত রাখতে বন্ধ হচ্ছে এতগুলো চিনা অ্যাপ। গালওয়ান উপত্যকায় যে দ্বন্দ্ব চলছে ভারত ও চীনের মধ্যে, সেই দ্বন্দ্বে এতগুলো চীনা অ্যাপ বন্ধ করলে চীনা সরকারের একটা বড় রকম ধাক্কা আসবে বলে আশঙ্কা কেন্দ্রের। এই অ্যাপ গুলির মাধ্যমে বহু তথ্য চীনে পাচার হয়। তাতে ভারতের সুরক্ষা বণ্টন থাকবে না বলে দাবী নয়া দিল্লির।

গালোওয়ান উপত্যাকাতে সংঘর্ষের তারপর দিল্লির বিভিন্ন মহল থেকে জানা গিয়েছিল বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম চলছে। তাই এতগুলো অ্যাপ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। যথাযথভাবে খুব বড় একটা ধাক্কা আসবে চীনের জন্য। ৫৯ টি চিনা অ্যাপের মধ্যে সব থেকে বেশি ব্যবহার করে তার মধ্যে বিশেষত হল টিকটক যা প্রায় আমাদের দেশের ৫০ কোটি মানুষ ব্যবহার করে। যেখানে গোটা পৃথিবীতে প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ ব্যবহার করে এই অ্যাপ তবে তা বেশ কিছু দিনের মধ্যে ২৫০ থেকে ৩০০ কোটির ধাক্কায় গিয়ে দাঁড়াবে বলে আশঙ্কা কেন্দ্রের। সেই দাবিতেই তড়িঘড়ি করে কোন তথ্য নিরাপত্তার জন্য বাতিল হল এতো অ্যাপ।


এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারতের নিরাপত্তা বজায় থাকবে। গালওয়ান উপত্যাকার সংঘর্ষের সময় বিভিন্ন সুত্রে জানা গিয়েছিল যে সাইবার ক্রাইম এর মাধ্যমে তথ্য পাচার হয় চিনে এবং সেগুল এই অ্যাপের মাধ্যমেই হয়। হ্যাকারদের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে যেতে পারে ভেরিফিকেশন কোড এবং তার সাথে কনফার্মেশন মেসেজ এর মাধ্যমে সমস্ত তথ্য পৌঁছে যাবে চিনা হ্যাকারদের কাছে।

তাই ভারতের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বজায় থাকবে না এবং শুধু তাই নয় বহুদিন থেকে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নেই বলে দাবি করেছে বড় বড় মহল থেকে। তারা জানিয়েছে যে তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নেই তাদের সমস্ত তথ্য ফাঁস হচ্ছে এই সাইবার ক্রাইম এর মাধ্যমে। তাই কেন্দ্র সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে তথ্য প্রযুক্তি বিজ্ঞানের ৬৯ ধারা ব্যবহার করে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক যেকোন অ্যাপ বাতিল করতে পারে বলে দাবি করেছে।

তবে সোমবার দিন জানিয়েছে ৫৯ টি অ্যাপ বাতিল করবে দেশের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার জন্য। দেশে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিরক্ষার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতের কোন তথ্য যাতে ফাঁস না হয় তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে তারা জানিয়েছে

যে যদি এই অ্যাপ ব্যান্ড করাই চীন সংযত না হয় তাহলে এরপরে আরো এক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। আবার বেশ কিছু মহলের মতে জানিয়েছে আদৌ কি এটা চীনকে সতর্কবার্তা নাকি তাদেরকে তথ্য-প্রযুক্তিতে ধাক্কা দিয়ে ভারত আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। তার সাথে অর্থনীতিবীদ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে যে এটা বড়ো একটা ধাক্কা চীনের জন্য। এতগুলো অ্যাপ যদি নষ্ট করা হয় তাহলে চীনের তথ্য প্রযুক্তি বিজ্ঞানের অবস্থা যথেষ্ট ঢিলে হয়ে যাবে মনে করছেন তারা।

দেশে ১৩০ কোটির মধ্যে প্রায় ৬০ কোটির বেশি মানুষ ব্যবহার করে টিকটক অ্যাপ, আরও বেশ কিছু অ্যাপ যেমন শেয়ার ইট, উসি ব্রাউজার, ক্লিন মাস্টার। তাই যদি এতগুলো ইউজার বাতিল হয় তাহলে যথেষ্ট ভাঙ্গন ধরতে পারে তথ্য প্রযুক্তি বিজ্ঞানের। কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী অ্যাপগুলো ব্যান্ড করার কথা জানানো হয়েছেকিন্তু সেই অ্যাপ কিভাবে বন্ধ করা হবে এবং কিভাএ অ্যাকসেস বন্ধ করা যাবে টা এখনও স্পষ্ট নয়। যারা নতুন ফোন কিনেছে কিংবা যাদের কাছে ওই অ্যাপ গুলো ইন্সটল আছে তাদের কাছেও বা কিভাবে প্রসেস কার্যকরী হবে টা জানানো হবে খুব তাড়াতাড়ি।

নয়াদিল্লির সব থেকে আগে তারা চাইনা দ্রব্য বাতিল করতে সাথে সাথে চিনা অ্যাপ গুলিও। তাই কেন্দ্রের আবেদন গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপ গুলো ডিলিট করা হোক খুব তাড়াতাড়ি। যারা চাইনা ফোন ব্যবহার করছে সেসব ফোন আগে থেকে অনেক চিনা অ্যাপ ইনবিল্ড থাকে তাঁদের জন্য কি নায়া নিয়মের জন্য কেন্দ্রা সরকার খুব পদক্ষেপ নেবে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন