১৮ থেকে ৪৫ বছরে টীকা নিতে গেলে নাম নতিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক কোউইন অ্যাপে! কবে থেকে শুরু হচ্ছে নাম নতিভুক্ত করন তা জেনে নিন!

0
enlist your details for co vaccination
ভ্যাকসিন পেতে নতিভুক্ত করুন আপনার নাম

হাজার সংবাদ ডেস্ক : করোণা টিকা নিতে গেলে এখন ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে কোউইন ডেস্কঃ। যে অ্যাপের মাধ্যমে আমাদের সমস্ত ডিটেলস পৌঁছাবে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। এই অ্যাপের নাম নথিভুক্ত না করলে ১৮ থেকে ৪৫ বছর যাদের কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তারা কোনোভাবেই এই ভ্যাকসিন পাবে না কারন সবার আগে দরকার এই ভ্যাকসিন এর জন্য নাম নথিভুক্তকরণের।

এই নতিভুক্ত করণের আওতায় রাখা হয়েছে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের যেটা পহেলা মে থেকে শুরু হতে চলেছে। জা ২৮ এপ্রিল থেকে এই অ্যাপের নাম নথিভুক্ত করার কাজ শুরু হবে। যারা নিতে ইচ্ছুক তারা প্রত্যেকে এই অ্যাপের নাম নথিভুক্তকরণ করবে শুধুমাত্র নথিভুক্তকরণ একটা প্রথা এমনটা নয় এই নিয়ম চালু করার কারণে পেছনে রয়েছে অনেক কারণ। যেটি হল আপনি যদি নাম নথিভুক্ত করেন তাহলে কজন ভ্যাকসিন পাবে বা কত ভ্যাকসিন আগে থেকে মজুদ রাখতে হবে তার হিসেব পাবে সরকার আর সেই অনুযায়ী প্রত্যেকটা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সেরকমভাবে ভ্যাকসিন পাঠানো হবে আপনি যত তাড়াতাড়ি নাম নথিভুক্ত করবেন আপনার নাম সেভাবে লিস্ট এ থাকবে। আপনার নাম নথিভুক্ত না হলে সেখান থেকে নাম বাতিল করা হবে আগে আপনি নাম নথিভুক্ত করান তারপর স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আপনি ভ্যাকসিন নিন সেই রকমই নির্দেশ জারি করা হয়েছে কেন্দ্র সরকার থেকে।

প্রত্যেকদিন প্রত্যেক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আপডেট পাওয়া যাবে যে কত জনেই ভ্যাকসিন নিচ্ছে এবং পরের দিনের জন্য আর কত ভ্যাকসিন মজুদ রাখতে হতে পারে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তার জন্য স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আর ফিরে আসতে হবে না সাধারন মানুষকে সেই জন্যই এই ব্যবস্থা এই ব্যবস্থা। মানুষ অনেক বেশি সহায়তা পাবে এবং সেই সহায়তা দিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আবার নিজের বাড়ি ফিরে যেতে না হয় তার জন্য এই ব্যবস্থা আর এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রত্যেক দিনের আপডেটও পাওয়া যাবে এবং কতজনের এই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে তাও বোঝা যাবে। কত দিনে এই ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ সেস হবে সেটাও পর্যন্ত এই অ্যাপের মাধ্যমে বোঝা যাবে ঠিক সেই জন্যই এ ব্যবস্থা চালু করেছে কেন্দ্র সরকার কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী।

যদি সঠিক নিয়মে পালন করা হয় তাহলে হয়তো বোঝা যাবে যে ইচ্ছুক আগ্রহীরা এই ভ্যাকসিন নিতে চাইছে তাদের জন্য কত ভ্যাকসিন মজুদ রাখতে হবে এবং প্রত্যেকদিন একটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কত ভ্যাকসিন পাঠানো উচিত এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোন অবস্থাতে ভ্যাকসিন কম পরছে তার একটা হিসাব পাওয়া যাবে বলে মনে করছে উপর মহল। এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সমস্ত ডিটেলস তার ফোনে চলে আসবে এবং ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সমস্ত ডিটেলস পৌঁছে যাবে কেন্দ্র সরকারের খাতায়। সেই হিসেবে করা হচ্ছে সরকারের খাতায় যে হিসেব নিকেশ যাবে সেই হিসেবে ওই নাম এবং আধার কার্ড নাম্বার নতভুক্তকরণ করলে তার নামের ফার্স্ট ভ্যাকসিন হয়েছে সেটাও জানা যাবে। প্রথম ভ্যাকসিনেশনের নাম শুরু করে সব বোঝা যাবে সেই ভ্যাকসিন অধিকারীককে।

তাই কারা ভ্যাকসিন নিয়েছে বা নেয়নি তার হিসেব মেলানো যাবে এই অ্যাপের মাধ্যমে থেকে। ৪৫ বছর বয়সীদের জন্য এই ভ্যাক্সিনেশন চালু করেছে কেন্দ্র সরকার। এই ভ্যাকসিন এর আগে বিভিন্ন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে যাতে প্রত্যেকটা মানুষের সুবিধা হয় এবং অসুবিধা এড়ানো যায় এটাও জানানো হয়েছে যে ভ্যাকসিন নিতে গেলে তার আগে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যে বসার জায়গা করা হয়েছে সেই বসার জায়গা গুলোকে যেন সঠিক ভাবে রাখা হয় এবং সেই সঠিক আওতার মধ্যে যাতে বিধিনিষেধ মানতে পারে এবং এড়ানো যায় তার জন্য এই ব্যবস্থা কারণ কবে কাদের দেওয়া হবে তার ফোনের মেসেজ আসবে। আর সেই ম্যাসেজ দেখে তারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাবে। তাই আগে থেকে নাম নতিভুক্ত করান তাহলে আস্তে পারে আপনার ফোনে ম্যাসেজ। তাই ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এই ভ্যাকসিনের নাম নথিভুক্তকরণ এর কাজ। ভ্যাকসিনেশনের আগে দরকার এই নাম নথিভুক্তকরনের তাহলে সবাইকে জানানো হয়েছে যে সবাই যেন নাম নথিভুক্তকরণ করায় ভ্যাকসিনেশনের জন্য। তাহলে তাদের ফোনের মেসেজ দেখে তারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাবে অযথা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়ে ভিড় বাড়াবেন না যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনার মোবাইল ফোনে একটা কনফার্মেশন মেসেজ আসছে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন