নিউ নর্মাল নিয়মে পুজো হবে জাঁকজমক ভাবে! বাঙ্গালির সেরা পুজো কেউ কাটাবে না বাড়িতে, তার সুব্যবস্থা করছে পুজো কমিটি

0
Enjoy Durga puja at new normal setuation
দুর্গা পুজো

হাজার সংবাদ ডেস্ক: নিউ নরমাল নিয়মে কেমন হবে দুর্গাপুজো তা নিয়েও চিন্তিত বাঙালি। নিউ নরমাল নিয়মে আদৌ কি সম্ভব নাকি পুজো হলে কোন নিয়ম মানতে হবে। প্রথম থেকেই জানানো হয়েছিল পুজো করতে হলে মানতে হবে খোলা প্যান্ডেল এবং তার সাথে মানতে হবে আরও বেশ কিছু বিধিনিষেধ কোথাও হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং থার্মাল স্ক্যানার এবং আবার কোথাও কোথাও আনা হয়েছে স্যানিটাইজার ক্যানন। তার মাধ্যমেই হবে পুজো।

এই পূজার নিয়ম কানুন কিভাবে মানা সম্ভব এবং পুজো দেখতে গেলে মানুষের কি মানতে হবে শুধুমাত্র ইয়ং জেনারেশন এর জন্য। যে পুজো টা শুধু ইয়ং দের জন্য নয় পুজো বাঙালির পুজো সেখানে থাকে সমস্ত বয়স্ক মানুষ থেকে ছোট বড় সবাই। তাহলে কিভাবে মানবে বয়স্কদের জন্য নিয়ম বিধি সংক্রমন কি আদৌ আটকানো সম্ভব বয়স্কদের জন্য। বয়স্করা ও পূজো দেখবে অঞ্জলি দেবে তাদের জন্য থাকবে আলাদা ব্যবস্থা আলাদা রকম বিধি-নিষেধ সামাজিক দূরত্ব সবকিছু মেনে ঘটছে কলকাতার সমস্ত পূজা কমিটি। পুজো করতে হলে মানতে হবে নিয়ম এটা জেনেই তারা পুজোতে এগিয়েছে।

পুজো করছে নিউ নরমাল নিয়মে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সবাই পুজো করতে রাজি। অন্য বছর জেতা থিমে খরছ হয়ে সেটা এবছর করোনা বিধির জন্য খরচ করতে রাজি সবাই। তবুও পুজো থামাবে না কেউ নিউ নরমাল নিয়মে পুজো দেখতে হলে মানতে হবে বিধিনিষেধ কিন্তু তাতে তো মানুষ সুরক্ষিত থাকবে সেটা ও জানানো হচ্ছে। কারন বেশকিছু পুজো কমিটি জানিয়েছে যে স্যানিটাইজার ট্যানেল বসানো বারণ সেটা কেন্দ্রের নিয়ম থেকে জানানো হয়েছিল। তাই স্যানিটাইজার কেনন নিয়ে এসেছে অনেক টাকা খরচ করে আবার কোন পুজো কমিটি জানিয়েছে খোলা প্যান্ডেল তার সাথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং বিভিন্ন রকম বিধিনিষেধ আমরা মেনে করব সবটাই।

তার সাথে স্বয়ংক্রিয় মাধ্যমে দেখানো হবে পুজো প্যান্ডেল এর সমস্ত খুঁটিনাটি। আবার কোন প্যান্ডেলে করা হয়েছে আলাদা আলাদা রাস্তা শুধুমাত্র গাড়ি যাতায়াতের জন্য আবার বেশ কিছু রাস্তা করা হয়েছে শুধুমাত্র দর্শনার্থীদের জন্য। যে সমস্ত দর্শনার্থীরা পুজো দেখবে তাদের জন্য থাকবে আলাদা রাস্তা এবং যারা গারি নিয়ে আসবে তারা যাতে পুজো মণ্ডপের সামনে চার চাকা গাড়ি নিয়ে যেতে পারে তার জন্য রাখা হচ্ছে আলাদা ব্যবস্থা। প্রত্যেকটা পুজো কমিটি আলাদা আলাদাভাবে ব্যবস্থা করে সবার অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা করে দিচ্ছে। পুজোতে ঘরে নয় পুজোতে বাইরে বেরোন কিন্তু সাবধানে থাকুন ভালো থাকুন। প্রত্যেক পুজো কমিটির চাই সাবধান এবং বিধিনিষেধ সবটাই অবলম্বন করতে। যাতে পুজো খুব স্বাভাবিকভাবেই সম্পন্ন হয় কারণ বাঙালির সেরা উৎসব সেই উৎসবে কোন বছরই কেউ চাইনি বাড়িতে বন্ধ হয়ে থাকুক। এই পুজো এমন একটা পুজো যেখানে রাত জেগে ঠাকুর দেখা থেকে শুরু করে ভোরবেলা সকালবেলা কখনোই ফাঁকা পাওয়া যায়না কলকাতার বিশেষ নামিদামি বেশকিছু প্যান্ডেল। কলকাতা দূর্গা পুজা কেনই বা বন্ধ করবে কোন পুজো কমিটি তাই পুজো হচ্ছে এই নিউ নরমাল নিয়মএর সমস্ত বিধিনিষেধ মেনে। রাজ্য সরকারের অনুমতি নিয়েই পুজো হচ্ছে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন