রাজ্যে দুর্গোৎসবের ফলে কি তাহলে সাপে বর! রাজ্যে সংক্রমনের হার কমেছে সাথে মৃত্যুও

0
decrease the scale of corona
সংক্রমন কমেছে রাজ্যে

হাজার সংবাদ ডেস্ক: বাংলায় পুজো হয়ে তাহলে কি শাপে বর নাকি শীতের আগে মানুষের সামান্যতম একটু স্বস্তি বুঝে উঠতে পারছেনা। রাজ্যের মানুষ বেশ কয়েকদিন ধরে করণা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও যেখানে মৃত্যুর হার অনেক বেশি ছিল সেখানে ১.৫ শতাংশ যে নেমেছে মৃত্যুর হার অর্থাৎ এই রাজ্যে মৃত্যুর হারও হহু করে কমেছে, সংক্রমণ বাড়লেও ভয়াবহতা অনেকটাই কম এবং তুলনামূলক ভাবে সংক্রমণ কমেছে পুজোর পর। তাহলে কি এন্টিবডি তৈরি হয়েছে এই রাজ্যে নাকি অন্যকিছু রয়েছে এর পেছনে।

এখনো পর্যন্ত পুজোর কাটেনি কোথাও লক্ষ্মীপূজো কালীপূজো তবে হঠাৎ করে হাইকোর্টের নির্দেশে দুর্গোৎসব একেবারেই বন্ধের মুখে ছিল তা স্পষ্ট। তবে তাতেও কিছু কিছু প্যান্ডেলের যথেষ্ট রকমের দেখা গিয়েছিল তবে সেখানে সেই অনুযায়ী সংক্রমণ দেখা যায়নি। সবাই ভেবেছিল এক সপ্তাহ পরে সংক্রমণের হার হবে ঊর্ধ্বমুখী কিন্তু সংক্রমণ বাড়লেও এন্টিবডি মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়ায় সংক্রমণ তেমনভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি। মানুষের মৃত্যুর হার কমেছে সংক্রমণ হচ্ছে বটে তবে অনেকটাই কমে গেছে আগে তার প্রত্যেকদিন নিয়মিত পাঁচ হাজারের বেশি সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল রাজ্যে, তবে এখন সেটা ৪০০০ এর থেকেও কমে গেছে এবং মৃত্যুর হারও তার সাথে কমেছে।

দুর্গোত্সবের ফলে মানুষের প্যান্ডেল হপিং এবং বাইরে বেরোনোর সমস্ত কিছুতেই একটা সুবিধা কি তাহলে বেড়েছে> সত্যিই কি তৈরি হয়েছে এন্টি বডি মানুষের শরীরে নাকি অন্যকিছু। যদি তৈরি হয় অ্যান্টি বডি টেস্টের জন্য এই রাজ্যের ভয়াবহতা অনেকটাই কম বলে মনে করছে অনেকেই তবে তা কিনা বোঝার উপায় নেই তার কারণ সামনেই আসছে শীত আর হু করে বাড়ছে সংক্রমনের ধারা। অনেক দেশে এখনো পর্যন্ত শুরু হয়ে গেছে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ যেমন ফ্রান্সে আমেরিকাতে লন্ডনে এই সমস্ত জায়গাগুলিতে এখনো পর্যন্ত সংক্রমণ বাড়ছে প্রত্যেকদিন নিয়মিত এক লক্ষের উপর সংক্রমণ আমেরিকাতে।

তুলনামূলকভাবে দেশে সংক্রমণের হার প্রথম থেকে যেভাবে বেড়ে ছিল এখন সেই অনুযায়ী অনেকটাই কমেছে কিন্তু মৃত্যুর হারও অনেকটাই কম তবে সংক্রমণ থাকলেও মৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে। আর তার সাথে অন্যান্য দেশের সংক্রমণের হার আবারো দ্বিতীয় দফায় বাড়ছে যেখানে ভারতের নাম ছিল সেখান থেকে ভারতের জায়গাতে এখন এসেছে আমেরিকা প্রত্যেকদিন প্রায় ১ লাখের উপরে সংক্রমণ বাড়ছে। দ্বিতীয় দফায় সামলাতে গিয়ে আমেরিকার সরকার মাথায় হাত পড়েছে। কিভাবে সামলাবেন সারাদেশ কে তবে এর তরফ থেকে এটা অনেক বড় সুখবর যে যেভাবে মৃত্যুর হার বেড়েছিল একের পর এক তা অনেকটাই কমে গেছে। আর মৃত্যুর তুলনায় সংক্রমণ কমেছে আগের থেকে আর সেখান থেকেই এটা নির্দিষ্ট করা যাচ্ছে যে মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে এন্টি বডি। তার জন্যই সংক্রমণ কতটা বেশি এফেক্ট ফেলেনি। তার কারণ প্রত্যেক প্যান্ডেলেও বেড়ানোর কথা বললেও হাইকোর্ট থেকে তা মানেনি অনেকেই আবার কোথাও কোথাও প্যান্ডেল কর্তৃপক্ষ মানলেও দর্শনার্থীরা মানেনি তার জন্য প্রচুর ভিড় হয়েছিল বেশ কিছু প্যান্ডেলের। কিন্তু তবুও সংক্রমণ সেভাবে দেখা যায়নি যদিও এখনও অপেক্ষা অপেক্ষার দিন গুনছে মানুষ। যতদিন না পর্যন্ত ১৫ দিন অতিক্রম করছে ততদিন বোঝা খুব মুশকিল সংক্রমণ কিভাবে বাড়তে পারে। যদিও এই কয়েকদিনে অনেক বেশি নেমে গেছে সংক্রমনের ধারা।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন