পিছিয়ে পড়া হোমিওপ্যাথি কামাল করলো, করোনার দাওয়াই তৈরীতে

covid-19 medicine
হোমিওপ্যাথি এবার নিয়ে এলো করোনর ওষুধ

হোমিওপ্যাথি নিয়ে চিরকালই মানুষের মনে অনেক সংশয় ছিল। অনেক কম খরচে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য অসাই তার এড়িয়ে চলত মানুষ। চিকিৎসা জগতে দ্রুত কাজ দেখায় এলাপ্যাথি ওষুধ। কিন্তু এই দুর্যোগে যখন গোটা দেশ একটা নিরাময় দাওয়াই এর জন্য অপেক্ষা করছিল। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চলেছে ঠিক তখনই অগ্রণী ভূমিকা নেয় হোমিওপ্যাথি ওষুধ।

বিশ্বজুড়ে যখন বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রের মতামত নিয়ে অক্সফোর্ড বিদ্যালয় এর ভ্যাকসিন তৈরীর কাজ শুরু করার পর দীর্ঘমেয়াদি সময় নিয়েছে এলোপ্যাথি দিয়েছে ঠিক তখনই অগ্রণী ভূমিকা নিতে চলেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী 22 জন আক্রান্তের চিকিৎসা চালাচ্ছে আগ্রার নইমিনাথ কলেজ। তারা প্রত্যেকেই এখন করোনা মুক্তির পথে যদি। এটা পরীক্ষামূলক স্তরে করা হয়েছে তাদের কথা অনুযায়ী একশো শতাংশ সুস্থতা আশা করতে পারে ওই 22 জনের তাহলে। শেষ পর্যন্ত করোনা চিকিৎসায় তাহলে কি শেষ কার্যকরী হবে ওষুধ ‘ব্রাওনিয়া আলবা’।

নৈমিনাথ কলেজের অধ্যক্ষ বলেছেন যখন তাদের ব্রায়োনিয়া আলবা মেডিসিন দেওয়া হয়েছিল তখন তাদের রিপোর্ট ছিল পজেটিভ কিন্তু মেডিসিন দেওয়ার বেশ কয়েকদিন পরে তাদের টেস্ট করানো হয় তখন রিপোর্ট আদে নেগেটিভ। তাই সাকসেস রেট 100% বলে মনে করছেন তারা। তারা করনা চিকিৎসায় এই মেডিসিন টি কার্যকরী হওয়ায় চিকিৎসা মহলে ব্রায়োনিয়া ঔষধের সাথে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা প্রয়োগ করার দাবি উঠেছে।

এতদিন যাবৎ এলোপ্যাথি মেডিসিন যা পারেনি তা হয়তো করে দেখালো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্র। পিছিয়ে থাকা হোমিওপ্যাথি নাম অনেক উপরে উঠবে এলোপ্যাথি মেডিসিনের থেকে। কলকাতার ডি এন হোমিও কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও নাগপুরের ভারতীয় হোমিওপ্যাথি কলেজের প্রফেসর বলেছেন চিকিৎসা নিয়ে গোটা বিশ্বে এখনো অনেক ধোঁয়াশা রয়েছে সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার জন্য। সেরকম চিকিৎসা কোথাও নেই। ঠিক সেই মুহূর্তে সাফল্যের জন্য দাওয়াই হোমিওপ্যাথির নাম সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত এই আবেদন জানানো হবে সরকারের কাছে।

তারা জানিয়েছেন যদিও এখনো পর্যন্ত প্রায় আটাত্ত জনের উপর এই ওষুধ প্রক্রিয়া চালু করা হবে তারপর যদি রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তাহলে তারপর তারা আইসিএমআর কে রিপোর্ট পাঠাবে। তাহলে তার পরবর্তী কাজ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথি ওষুধ সরকারিভাবে স্বীকৃত পাবে গোটা দেশে।

ডিএন হোমিওপ্যাথি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ এবং নাগপুরের অন্তর ভারতীয় হোমিওপ্যাথি কলেজের প্রফেসর জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতে বেশ কয়েকটি কলেজে চিকিৎসা জন্য ছাড়পত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে প্রজেক্ট জমা দিয়েছেন তারা। তাদের দাবি আইসিএমআর ও হোমিও চিকিৎসা সর্বোচ্চ সংস্থা সিআরএইচ চিকিৎসা ও গবেষণার পরিকল্পনা যৌথভাবে দেখাশোনা করুক। এবং তারপর তারা সিদ্ধান্ত নিক যে এই চিকিৎসা কতটা সাফল্য আনতে পারে।

খুব শীঘ্রই এই ব্যাধি থেকে মানুষ নিরাময় পাবে। এই নিয়ে প্রায় বেশিরভাগ হোমিওপ্যাথি সংগঠনের সকলেই অনেক আশাবাদী। ভবিষ্যতে খুব শীঘ্রই পৃথিবী নতুন ছন্দে ফিরবে ব্রায়োনিয়া আলবার মাধ্যমে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন