ওষুধ খাচ্ছেন তাও কমছে না সর্দি কাশির সমস্যা! এবার আর ওষুধ নয় ঘরোয়া টোটকায় বিদায় জানান কাশি সর্দির মত ব্যধিকে

0
cough and sneezing treatment for home remedy
বাড়িতে বসেই ঘরোয়া টোটকেতে সারিয়ে ফেলুন সর্দি কাশি

হাজার সংবাদ ডেস্ক: আমাদের আশেপাশে অনেক মানুষ আছে যাদের সবসময়ের জন্য হাঁচি কাশি লেগেই থাকে বা এমন অনেকে আছে একটু আবহাওয়া চেঞ্জ হলে একটু নিজের কোন চলাফেরার ভুলের জন্য ঠান্ডা লেগে যায় খুব তাড়াতাড়ি। এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য তারা অনেক রকম ওষুধ খেয়ে থাকে। কিন্তু এই সমস্যার সমাধান করার ঘরোয়া টোটকা খুব ভালো কাজ দেয়। এমন কিছু ঘরোয়া টোটকা যেটা আমাদের প্রত্যেকের রান্না ঘরে খুঁজলে পাওয়া যাবে খুব সহজেই পাওয়া যায়। সকলের রান্নাঘরে এটা থাকবেই সেগুলো কি একটু জেনে নেওয়া যাক নিজেদের সুবিধার্থে।

সবার আগে বলব হলুদ। হলুদ আমাদের প্রতিদিনই কাজে লাগে রান্নার ক্ষেত্রে। এই হলুদ যদি দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায় তাহলে সর্দি কাশি তাড়াতাড়ি সেরে যায়। আবার আমরা যদি সকাল বেলা খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদ খেয়ে থাকি তাহলে ও জমে থাকা সর্দি কাশি কফ ও তাড়াতাড়ি উঠতে সাহায্য করে।

দ্বিতীয়ত আসি তুলসির কথায়, প্রত্যেকের বাড়িতে তুলসী গাছ থাকে। সেই তুলসী গাছের পাতা চিবিয়ে খেলে সর্দি কাশি থেকে নিরাময় পাওয়া যায়। তুলসী পাতা দিয়ে আপনারা দিনে দুবার চা করেও খেতে পারেন সকালে তুলসী পাতার রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়েও খাওয়া যায় তাতে উপকার মেলে। আদার রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে বা তার সাথে একটু গোলমরিচের গুড়ো দিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার মেলে। মধু শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে করে তা নই আমাদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে কাজ করে। প্রতিদিন সকাল বা সন্ধ্যাবেলা চা এর সঙ্গে আদা তেজপাতা গোলমরিচ দিয়ে চা বানিয়ে খেলে সর্দি-কাশিতে খুব ভালো কাজ দেয়। এর সঙ্গে সঙ্গে গলাতেও আরাম মেলে।

এই সব কিছুর পাশাপাশি শরীরের প্রয়োজন থাকে টক জাতীয় ফলের যেমন লেবু আমলকী আনারস এই সব ধরনের ফল খাওয়া দরকার রোজ। এইসব কিছু প্রতিদিন করলে ঠান্ডা লাগার থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। আমরা দেখেছি ঠাকুরমারা তখন বাড়িতে কারণ ঠান্ডা লাগলে রসুন তেল করে দিতে এই রসুন তেল খুব ভালো কাজ দেয়। ঠান্ডা লাগার পক্ষে কয়েকটা রসুন থেঁতো কোরে একটু সরষের তেলে ফুটিয়ে নিয়ে কাশির সময় যদি গলায় দেওয়া যায় খুব ভালো কাজ পাওয়া যায় কারণ রসুন শরীর গরম রাখে।

বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বর্ষাকালে আবহাওয়া থেকে চট করে ঠান্ডা লাগে। এর জন্য বাড়িতে আপনারা বম্ভ কপাটি বা যেটাকে অনেকে বলে ব্রাম্ভি শাক এই ব্রাম্ভি শাক অল্প কিছু নিয়ে সরষের তেলের সঙ্গে ফুটিয়া রেখে দিতে পারেন। বাচ্চাদের চট করে ঠান্ডা লাগায় এই তেলটা হালকা গরম করে হাতের তালু পায়ের তালু গলায় লাগিয়ে দিলে ভালো কাজ দেয়। তাই এরকম চট করে ঠান্ডা লাগা বা সর্দি কাশি থেকে দূরে থাকতে ঘরোয়াভাবে এই টোটকা গুলো ব্যবহার করুন তাদের শরীরের পক্ষে ভালো ওষুধ না খাওয়ার থেকে। ওষুধ খেলে অনেক রকম সাইডএফেক্ট থাকতে পারে কিন্তু এই ঘরোয়া টোটকা তে কোনরকম ক্ষতি হবে না আপনার শরীরে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন