করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে চরম পর্যায় আক্রান্ত হতে পারে শিশুরা! আগে থেকে সতর্ক হন আর জেনে নিন কি করা উচিত, সাবধান বার্তা

0
corona 3rd wave very danger for childr
করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে শিশুদের কে

হাজার সংবাদ ডেস্ক: কভিডে আক্রান্তের বিপদ বাড়ছে শিশুদের। তাই এই বিপদ থেকে এড়িয়ে চলার জন্য চিকিৎসকরা সাবধান করছে প্রত্যেক শিশুর অভিভাবককে। একটি রিপোর্টে কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করেছে যে পুজোর মাসে সংক্রমিত শিখরে উঠতে পারে এই কভিডের তৃতীয় ঢেউ। তুলনামূলক ভাবে ওই সময় শিশুরা আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশি হতে পারে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এটাই দাবি করছেন।

চিকিৎসকেরাও এই শিশুদের আক্রান্তের কথা উড়িয়ে দিতে পারছেন না। চিকিৎসকরা মনে করছেন বাড়ির বড়রা যদি সচেতন না হয় তাহলে এই সমস্যা বাঁধ মানান যাবে না। তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় এক বিশেষ ডাক্তার বলছেন যে শিশুদের আক্রান্তের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে এই তৃতীয় ঢেউয়ের বিধি মেনে চলতে হবে। বাড়ির বড়দের বাড়ির বড়রা যদি ঠিকমতো ভাবে সচেতন হয় তাহলে বাচ্চাদের থেকে দূরে থাকবে কভিডের তৃতীয় ঢেউ। চিকিৎসকরা বলে দিচ্ছেন বাড়ির বড়রা কি কি ভুল না করলে বাড়ির শিশুরা ভালো থাকবে। শিশুদের নিয়ে সাবধানে থাকার জন্য এই তৃতীয় ঢেউয়ে কোনরকম অবহেলা করে না চলা। শিশুদের কে নিয়ে কোথাও যেতে বারণ করছে হোটেল বা কোন ছোট জায়গাতে নিয়ে যেতে বারণ করছে যদিও গিয়ে থাকেন শিশুদেরকে সাবধানে রাখতে বলছেন।

নিজেদেরকে মাক্স পড়তে বলছেন। কারণ শিশুদের মাক্স পড়া টা বাধ্য হয়ে ওঠেনা তাই সচেতন হয়ে বড়দের কে মাক্স পড়তে হবে। নিজেরা আশেপাশে মানুষের থেকে ভয় লজ্জ্বা না পেয়ে শিশুদেরকে কোভিড টেস্ট করাতে হবে সেদিকে নজর রাখতে বলছেন। বারবার শিশুদের কোনরকম শরীর খারাপ দেখলে তাড়াতাড়ি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলছেন। কারণ খুব ছোট শিশুরা নিজেদের শরীর খারাপ থাকে কোন ভাবে প্রকাশ করতে পারে না বাবা-মার কাছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিশুদেরকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যেতে বলছেন। তাই অন্যান্য কোনরকম শারীরিক সমস্যা হলে চিকিৎসকদের কাছে যেতে বলছে কারণ খুব ছোট বাচ্চাদের কভিডে আক্রান্তের বিপদ বাড়ছে।

শিশুদের তাই এই বিপদ থেকে এড়িয়ে চলার জন্য চিকিৎসকরা সাবধান করছে। একটি রিপোর্টে কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করেছে যে পুজোর মাসে সংক্রমিত শিখরে উঠতে পারে এই কভিডের তৃতীয় ঢেউ। তুলনামূলক ভাবে ওই সময় শিশুরা আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশি হতে পারে বলে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এটাই দাবি করছেন। চিকিৎসকেরাও এই শিশুদের আক্রান্তের কথা উড়িয়ে দিতে পারছেন না। চিকিৎসকরা মনে করছেন বাড়ির বড়রা যদি সচেতন না হয় তাহলে এই আক্রান্ত রোধ করা যাবে না। যে শিশুদের আক্রান্তের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে এই তৃতীয় ঢেউয়ের বিধি মেনে চলতে হবে। বাড়ির বড়দের বাড়ির বড়রা যদি ঠিকমতো ভাবে সচেতন হয় তাহলে বাচ্চাদের থেকে দূরে থাকবে কভিড তৃতীয় ঢেউ।

খুব দুরন্ত শিশুদের ঝিমিয়ে পড়া শিশুর জ্বর আসছে কিনা শিশুর শারীরিক অবস্থা খুব বেশি অবনতি হওয়া। যদি জ্বর আসে কতক্ষণ জ্বর থাকছে কত টেম্পারেচার থাকছে একটা তালিকা করতে বলছেন। তার পাশে পাশে খেয়াল রাখতে হবে তার বাবা-মাকে শিশুর খিদে না থাকা খাবারের পরিমাণ কমে যাওয়া শ্বাস-প্রশ্বাসে কোন কষ্ট এগুলো দিকে খেয়াল রাখতে হবে তার সঙ্গে শিশুরা শারীরিক সমস্যা হলে ডিহাইড্রেশনের হতে পারে। তার জন্য তাকে সময় ধরে ধরে জল খাওয়ানো বা ওআরএস দিতে হবে। শিশুর প্রস্রাব কতক্ষণ পরপর করছে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে বলছেন। বাচ্চাদের বুক কতবার ওঠানামা করছে সেটা খেয়াল রাখা বাবা-মার কর্তব্য দু মাসের বাচ্চা ৬০ বার এর বেশি, ৫০ বারের বেশি ১ থেকে দুই বছর বাচ্চাদের। আবার ১ থেকে ৫ বছর বাচ্চাদের ৪০ বারের বেশি ব্রিদিং রেট থাকলে তাড়াতাড়ি পরামর্শ নেওয়া উচিত চিকিৎসকের।

অসুবিধা বুঝলে তৎক্ষণাৎ ডাক্তার দেখান। আর সময় মত বাচ্চার দিকে খেয়াল রাখুন। অসুস্থ হয়ে পরলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামরস নিন। তাতে আপনি এবং আপনার বাড়ির প্রত্যেক টা মানুষ ভালো থাকবে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন