রাত পহালেই পরীক্ষা! চিন্তাই NEET পরীক্ষার্থীরা

0
Candidates are thinking of taking the NEET exam
NEET পরীক্ষা

হাজার সংবাদ ডেস্ক: ১৩ ই সেপ্টেম্বর নিট পরীক্ষা কিন্তু ১৩ সেপ্টেম্বর নিট পরীক্ষার জন্য রাজ্য সরকার ১২ সেপ্টেম্বর লকডাউন তুলে নিয়েছেন। কারণ যাতে পরীক্ষার্থীদের অসুবিধে না হয়। কিন্তু পরীক্ষার্থীদের মনে তাও চিন্তার অবসান নেই। কারণ তারা মনে করছে লকডাউন তুললেও অন্যান্য পরিষেবা আদৌ পাবে কিনা। কারণ রাজ্য সরকারের নির্দেশে অনেক কথাই মানা হচ্ছে না কিংবা সুবিধার্থে মানুষ কালোবাজারি করে বেড়াচ্ছে গাড়ি পেলেও তার এত অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়া হবে হয়তো তারা সেই টাকায় কোনভাবেই সেন্টারে পৌঁছাতে পারবে না। কি যে ঝক্কি সামলাতে হবে কে জানে। তাই পরীক্ষা স্থানে পৌঁছানোর জন্য অতিরিক্ত গাড়ি রাখলেও আদৌ কি সেটা কার্যকরী হবে তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছে পরীক্ষার্থীরা।

জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন এর সময় ঠিক এই রকম সমস্যায় পড়েছিল পরীক্ষার্থীরা আর এখনো পরীক্ষার্থীদের জন্য লকডাউন বাতিল করলেও সেই লকডাউন আদৌ কার্যকরী করবে এবং কতটা গাড়ি পাওয়া যাবে তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছে পরীক্ষার্থীরা। ছাত্র-ছাত্রীরা আদৌ কোন ভাবে শামিল হবে নাকি পরীক্ষার্থীদের আবারো হয়রানি হতে হবে তা জানার বাইরে। হয়তো লকডাউন নেই আগের দিন থেকে বিভিন্ন জেলা থেকে পরীক্ষার্থীরা চলে আসতে পারে সেন্টারে রাতে। কিংবা আবার অনেকেই কাছাকাছি যাদের সেন্টার রয়েছে তারও পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে পারে সকালবেলা।

সকালবেলা বিশেষ কিছু সুবিধা পাওয়া গেলেও ১২ তারিখে অর্থাৎ লকডাউনের যেদিন বাতিল করেছে রাজ্য সরকার সেই দিন কি কোন রকম ভাবে সুবিধা পাবে পরীক্ষার্থীরা নাকি কোন রকম ভাবে কার্যকরী হবে না। আবারও সেই আগের মতো সমস্যায় পড়তে হবে কারণ লকডাউন না থাকলেও অবস্থা যে এখন স্বাভাবিক নয় তা সবাই বুঝতে পারছে সবাই। তাই লকডাউন তুলে নিলেও কতটা গাড়ি চলবে কিংবা কিভাবে পরিষেবা দেবে তা নিয়ে চিন্তিত তার সাথে রয়েছে মেট্রো পরিষেবা যেদিন থেকে পরীক্ষার সেদিন থেকেই চালু হচ্ছে মেট্রো পরিষেবা। এই পরিষেবার জন্য অপেক্ষা করে থাকবে বহু মানুষ তারা আদৌ পরীক্ষার সেন্টারে পৌঁছাতে পারবে কি পারবে না তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছে তবে বিকল্প ব্যবস্থা তারা দেখছে কিন্তু চিন্তার মধ্যে তাদের থাকতেই হচ্ছে। কারণ যতক্ষণ না পরীক্ষা সেন্টারে পৌঁছবে ততক্ষন পরীক্ষা দিতে পারবে কি পারবে না তা জানা মুশকিল।

রাজ্য সরকার কতটা পদক্ষেপ নিয়েছে তা নিয়ে চিন্তায় থাকছে তারা কারণ জয়েণ্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন এর পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা বসতে পারেনি অর্থাৎ ১০০% এর মধ্যে ৭৫% পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসতে পেরে ছিল। শুধুমাত্র যানবাহনের অসুবিধা এবং লকডাউন তাছাড়া করোনা ভাইরাসের জন্য। আর এই সময়ে পরীক্ষার জন্য কত পরীক্ষার্থী যেতে পারবে তা অনিশ্চিত। কারণ অজান্তেই হয়তো পরীক্ষায় বসতে হবে তাতে আরো ঝুঁকি বাড়তে পারে সংক্রমনের। তার জন্য চিন্তা করছে পরীক্ষার্থীরা। কিন্তু এদিকে পরীক্ষা বাতিল করা যাবেনা পরীক্ষাও দিতে হবে তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের করণীয় কি? বাধ্যতামূলক ভাবে দিতে হচ্ছে পরীক্ষা কিন্তু তা নিয়ে এক এই তো যানবাহন সমস্যা তার সাথে রয়েছে করোনার ভয়?

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন