ফোন বাতিল দিপিকার! আর তিন অভিনেত্রীর ফোন ফরেনসিকে পাঠিয়েছে এনসিবি

0
Bollywood actress's phone confiscated by NCB
চার বলিউড অভিনেত্রীর ফোন বাজেয়াপ্ত

হাজার সংবাদ ডেস্ক: মাদক যুগে নাম জড়াচ্ছে একের পর এক বিভিন্ন বলিউড অভিনেতা এবং অভিনেত্রী দের। মাদক কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে দিপিকা পাদুকন তথা শ্রদ্ধা কাপুর এবং সারা আলি খান এর মত অভিনেত্রীদের। গতকাল জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা হয়েছিল দিপিকা পাদুকন কে এনসিবি তরফ থেকেই। সেই সূত্রে জানানো হয়েছে যে দীপিকা পাডুকোনকে 5 ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে গত দিন এবং সেই দিপিকা পাদুকন জানিয়েছে এবং সেই জেরার পর থেকে কি কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে আর অভিনেত্রী কি জানিয়েছে?

দীপিকা পাডুকোন হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট দেখে জানিয়েছিল যে তিনি মাদক নেন নি। তবে এসেমএস এর ব্যপারে কিছুই বলেনি আদৌ তিনি মাদক চক্রে কিভাবে যুক্ত। তিনি যদি মানেনি তাহলে কেন তিনি তার বন্ধুর সাথে এই ব্যাপারে কথা বলেছিলেন। তা নিয়েও অনেকবার এনসিবি জানতে চেয়েছে তবে সে বিষয়ে তিনি কোনোভাবেই পরিষ্কার কথা বলেননি। বারবার এড়িয়ে গেছেন এই প্রসঙ্গে থেকে। তবে তিনি জোর গলায় বলেছেন তিনি মাদক নেন নি কখনো এবং তিনি মাদক সেবন করেনা। এদিকে বিভিন্ন রকম ভাবে বিভিন্ন জেরায় অনেক রকম ভাবে দীপিকা পাডুকোন নিজেকে এড়িয়ে নিয়েছে এবং সব প্রশ্নের উত্তর তিনি সঠিকভাবে দেননি। বরং সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি তিন থেকে চারবার কেঁদে ফেলেছেন সেখানে কিন্তু এই কান্নার মানে কি তা নিয়েও এনসিবি অনেকবার প্রশ্ন করেছেন। তিনি বারবার জানিয়েছে যে তিনি মাদকচক্রের যুক্ত নন বরং তিনি মাদক সেবন করেন না এবং তিনি তার বন্ধুর সাথে এমনি কথা বলেছিলেন। কিন্তু তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ে কেন কথা বলবেন তা নিয়েও এনসিবির প্রশ্ন ছিল তবে তিনি সেখানে কোনভাবেই প্রশ্নের উত্তর দেয়নি বরং অনেক বেশি এড়িয়ে গেছিলেন সেই প্রশ্নের উত্তর থেকে।

এই সূত্রে এনসিবি তরফ থেকে দীপিকা পাডুকোন তথা শ্রদ্ধা কাপুর সারা আলি খান এবং রাকুল প্রীতের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অর্থাৎ শুধু বাজেয়াপ্ত নয় এনসিবির হাতে রাখা হয়েছে সেই ফোনে পাঠানো হবে ফরেনসিকে। সেই সমস্ত ফোন এবং এই ফোন সিসড করার মানে এটাই যে এর আগে রিয়া চক্রবর্তী ফোন ল্যাপটপ তাছাড়াও ছিল তার গেজেট এইরকম বেশ কিছু জিনিস বাজেয়াপ্ত করার বিভিন্ন প্রমাণ সামনে এসেছিল আর সেই সূত্র ধরেই এবারেও বাতিল করা হয়েছে এই চার অভিনেত্রীর ফোন। ফোন ফরেনসিকে পাঠালে আরও অনেক তথ্য মিলতে পারে অনেক বড় তথ্য। এখন এনসিবি সামনে বসে মিথ্যে বলছে হয়তো অভিনেত্রীরা সত্যি প্রমাণ করতে পারে এই ফোনের ফরেনসিক রিপোর্ট। তার জন্য তড়িঘড়ি করে এই অভিনেত্রীর ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এবং তাদেরকে এই মুহূর্তে বাইরে কোথাও ছাড়া যাবে না সেই বিষয়ে জানিয়েছে এনসিবি। এরপর আবারো দীপিকা পাডুকোনকে আলাদা রকম ভাবে জেরা করা হতে পারে।

2017 সালের যে পার্টি হয়েছিল সেই পার্টিতে একের পর এক বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা নিজেরাই জড়িয়েছিলেন। সেই পার্টিতে এবং সেই পার্টিতে কি হয়েছিলেন তা জানার জন্য অবশ্যই ফরেনসিক রিপোর্ট দেখা উচিত ফোনের যদি কোন ক্লু পাওয়া যায়। এজন্য যে রিপোর্ট করা হচ্ছে সেটি যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে বলে মনে হয় এই তদন্তের জন্য সেই রিপোর্ট করানো হচ্ছে। সেখানে বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা যুক্ত ছিল কারা কারা যুক্ত রয়েছে তার জন্য জানিয়েছেন এনসিবি তরফ থেকে এমন জানা গিয়েছে দীপিকা পাডুকোন ছিলেন ওই চক্রের প্রধান লিডার। তিনি সবকিছু চালনা করতেন তাই তার নাম ওঠে আদৌ সত্যি কিনা এবং কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যে তার প্রমাণের জন্য অবশ্যই দরকার ফরেনসিকে পাঠানো তার জন্যই এই কাজ করেছে এনসিবি।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন