হাঁফ ছেড়ে বাঁচল মানুষ! দিঘা সমুদ্র সৈকতে ভির আগের মতো

0
As before, the crowd of tourists has gathered at Digha beach
দিঘা

হাজার সংবাদ ডেস্ক: সংক্রমণ বাড়লেও হাঁফ ছেড়ে বাঁচল সাধারণ মানুষ। 15 আগস্ট মানুষের ঢল নেমেছিল দীঘার সমুদ্র সৈকতে। বহুদিন পরে দেখা মিলল দিঘা তে। এভাবে দেখা মেলেনি পর্যটকদের বহুদিন। তবে এবার আর তা নয় হাফছেড়ে বেঁচেছে মানুষ। লকডাউন এর শুরু থেকে একেবারেই বন্ধ ছিল পর্যটকদের আসা-যাওয়া কোনোভাবেই পর্যটক আসা যাবেনা। কারণ বিধিনিষেধ মানতে গেলে পর্যটক গেলে অনেক সমস্যা হতে পারে। তাই সমস্ত পর্যটনকেন্দ্র পর্যটকদের যাওয়া মানা ছিল যেহেতু লকডাউন গোটা দেশেই বন্ধ সেখানে কিভাবে পর্যটকরা আসবে।

তবে আনলক টু পর্ব থেকে পর্যটন আসা শুরু করলেও দিঘাতে সেই রূপ ফিরে আসেনি। তবে আনলকের মাঝামাঝি থেকে কিছুটা ফিরে এলে ও পুরোটা সেভাবে সম্ভব হয়নি। তবে এবার 15 আগস্ট এর দিন মানুষের ঢল নেমেছে দীঘা সমুদ্র সৈকতে। আগের মত ভিড় এবং একই রকম চিত্র ফিরে এসেছে এছাড়াও সমুদ্র সৈকতে পাড়ে দাঁড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে ফুচকা এবং মাছ ভাজা আর পর্যটকরা আনন্দ করে সেই ফুচকা খাচ্ছে এবং মাছ ভাজার অন্ত নেই। তাই পর্যটক কেন্দ্র টা এখন যে আগের অবস্থায় ফিরে এসে তা বোঝা যাচ্ছে।

যদিও বিধিনিষেধ মাথায় রেখেছে অনেকে আবার বেশির ভাগ মানুষ বিধিনিষেধ না মেনে ঘোড়াঘুড়ি করছে। কিন্তু এতদিন ঘরবন্দি থেকে যে তার সাধ মিটাতে এই দীঘার সমুদ্র সৈকতে। তাহলে বিধিনিষেধ মানবে কেন কেউ কেউ জানিয়েছে বহুদিন পরে বাইরে বেরিয়ে এসেছে। তাই বিধিনিষেধ তুলেছে মাথায় রাখেনি করোণা বিধি-নিষেধ। সূত্রের খবর অনুযায়ী প্রথমে ছিল যে পর্যটন কেন্দ্রের পর্যটকরা আসতে পারবে। তবে সমস্ত হোটেল গুলোতে মেনটেন করা হবে সেখানে তবে সেই নিয়ম পালনও করা হচ্ছে।

কিন্তু সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে কোন নিয়ম পালন করছে না পর্যটকরা বরং অনেকে জানাচ্ছে যে তারা অনেক দিন পর বাইরে বেরিয়েছে তাই আনন্দে সেই নিয়ম কানুন মানতে ভুল করছে। যদিও ওল্ড দিঘা সমুদ্র সৈকতে স্নান করা বারণ অর্থাৎ স্নানে নামতে পারেবে না। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর উদ্যোগে যে পার্ক তৈরি করা হয়েছে সেখানে প্রশাসন নির্দেশেই পার্কের কাছে স্নানঘাটে সবাই রয়েছে এবং সেখানে স্নান করতে পারছে। যদিও আমফান ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল এই পার্কে। তবে তা এখন অনেকটাই সামলানোর গেছে, সেখানে যেসব স্নানঘাট রয়েছে সেই স্নানঘাটের কাছে সবাই ব্যারিকেডের মধ্যে স্নান করছে বলে জানা গিয়েছে।

এছাড়াও বিশ্ব বাংলা পার্কের হয়েছে ওল্ড দিঘা তে সেরকমভাবে নিউ দীঘা দেখার জন্য নতুন পার্কে ভিড় জমিয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসের দিন বা আগে প্রত্যেক শনিবার ও রবিবার একই ভাবে দিঘাতে আগের সেই রূপ এসেছে। আস্তে আস্তে ফিরে আসছে বলে জানিয়েছে সেখানকার প্রশাসন। তবে প্রশাসনের তরফ থেকে তেমনভাবে বিধিনিষেধ কিছু ছিল না। পুলিশ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা সেভাবে দেখা যায়নি তবে রাস্তায় গাড়ি ঢোকানোর সময় বেশ কিছু প্রশাসনিক কাজ চলছে। কিন্তু ভেতরে মানুষের পর্যটকদের চালনা করা বিধিনিষেধ মানার জন্য প্রশাসন ব্যবস্থা সেখানে নেই।

সেভাবে কার্যত কোনো কাজ করছে না তাই বিধিনিষেধ তুলে মানুষ নিজেদের মতো করে আনন্দ করছে। যদিও করোণা পরিস্থিতি এখনো যথেষ্ট রয়েছে সেই পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করতে এইরকম একটা এবং লাগামছাড়া আনন্দ করতে গিয়ে মানুষ আরো বিপদে না পড়ে সেই চিন্তায় সেখানকার প্রশাসন কিন্তু চিন্তায় থাকলেও প্রশাসন তেমনভাবে কোন কাজ করছে না বলে জানিয়েছে সেখানকার মানুষ। তবে হোটেল ব্যবসায়ীদের কাছে একটা ভালো খবর এবং সেখানকার জীবিকা নির্বাহ করা মানুষদের কাছে একটা বড় খবর স্বাভাবিক হচ্ছে তাই হোটেলের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে এ সমস্ত দোকানপাট জীবিকা নির্বাহের আলাদা আলাদা করে নিয়ম এবং বিধিনিষেধ পালন করছে প্রশাসন। পর্যটকদের জন্য আলাদাভাবে কোন নিয়ম মানছেনা পর্যটকরা।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন