সমস্ত বেকার ছেলে-মেয়েরা পারবে স্বনির্ভর হতে! কর্মসাথী প্রকল্পতে কি কি সুবিধা মিলবে?

0
All unemployed boys and girls will be able to become self-dependent by doing business with loans through Karma Sathi Yojana
কর্ম সাথী যোজনা

হাজার সংবাদ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে সচেতন করতে এ যুবক-যুবতীদের তাদের স্বনির্ভর করে তুলতে পাশে দাঁড়াচ্ছেন। সবাইকে নতুন একটি প্রকল্পের দিশা দেখিয়েছে। যে প্রকল্পের মাধ্যমে বেকার মানুষরা নিজেদের কাজ পাবে এবং কর্মক্ষম করে তোলার জন্য এই প্রকল্প যথেষ্ট কার্যকরী হয়ে উঠবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে চালু হতে চলেছে কর্মসাথি যোজনা। এই যোজনা তে যে সমস্ত মানুষরা সুযোগ পাবে তাদের বয়স সীমা হওয়া দরকার ১৮ থেকে ৫০ বছর। এই বয়সের মধ্যে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে সেই টাকাতে ব্যবসা করে নিজেদেরকে স্বনির্ভর বানাতে পারবে।

সমস্ত বেকার মানুষ শুধু মাত্র ছেলেদের জন্য নয় চাইলে মেয়েরাও সেই সুযোগ নিতে পারে। সমস্ত যুবক যুবতীদের জন্য এই প্রকল্প চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কর্মসাথী যোজনা তে যে সমস্ত মানুষ টাকা লোণ নেবে তার একটা সময় সীমা আছে। এবং সেই টাকা কত দিনের মধ্যে শোধ করতে হবে তা প্রকল্পের নিয়মাবলীর মধ্যে রয়েছে। রাজ্য সরকার এই প্রকল্পের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে এই খাতে। সরকারের সাহায্যে নিজেদের ব্যবসা দাঁড় করাবে সমস্ত বেকার ছেলে মেয়েরা। ছোট বা মাঝারি ব্যবসার জন্য সরকার এই প্রকল্পে দু’লক্ষ টাকা করে লোন দেবে। এই সমস্ত প্রকল্পের আওতায় যারা আসছে তাদের মধ্যে রয়েছে শহর এবং গ্রামাঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা এবং যারা বেকার।

এর সাথে আরো বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর সেই আওতায় আসতে পারবে বেকার ছেলে মেয়েরা। এই প্রকল্প শুধুমাত্র কার্যকরী হবে পরিবারের একজন সদস্যের উপর, মা-বাবা অথবা স্ত্রী এইরকম সদস্যদের উপর। যেকোনো একজন এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারে। ছোট ব্যবসা এবং ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসা শুরু করার জন্য উদ্যোগ দেখাবে পারে সরকার। এছারাও অগ্রাধিকার পাবে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংকে যদি অ্যাকাউন্ট করা থাকে সেই সমস্ত বেকার ছেলে মেয়েদের। সরকারের উদ্যোগে এই প্রকল্প চালু করার জন্য প্রত্যেক বছর এক লক্ষ ছেলে মেয়ের উপর ভর্তুকি দিয়ে বেকারত্ব গোছানোর জন্য সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

এই লোন পেতে গেলে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষাগত যোগ্যতার দরকার। এমন বেশি কিছু নয় আবেদনকারীকে যে ডকুমেন্টগুলো জমা করতে হবে ফরমের সাথে তার মধ্যে প্রথমত জন্মের শংসাপত্র এবং স্থায়ি বাসিন্দার শংসাপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমান পত্র, এসসি এসটি ওবিসি সার্টিফিকেট জমা করতে হবে যদি থাকে। এরপর প্রকল্পের রিপোর্ট অনুযায়ী একটা শংসাপত্র জমা করতে হবে।

আবেদনকারীর ৫ থেকে ১০ শতাংশের মতো অর্থের সংস্থান দেখাতে হবে। এরপর রাজ্য সরকার ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসার জন্য সরকার ১৫% দেবে এবং রাজ্য সমবায় ব্যাঙ্ক গুলি ৭৫% দিয়ে ১০০% সম্পূর্ণ করবে। আর উদ্যোগিরা যদি সুদ সময়সীমার মধ্যে শোধ করতে পারে তাহলে ৫০ শতাংশ সুদ মকুব করা হবে। এই প্রকল্পে টাকা দেওয়া হবে ধাপে ধাপে অর্থাৎ টাকা দেওয়া হবে দুটি ধাপে।

প্রথম ধাপে যে টাকা পাঠানো হবে সেই টাকায় কাজ করে দেখালে। দ্বিতীয় ধাপের টাকা আসবে আবেদনকারীর একাউন্টে। এরপর জানতে হবে এই প্রকল্পের দরখাস্ত কথা জমা করতে হবে? গ্রাম অঞ্চলের জন্য যারা রয়েছে তারা পঞ্চায়েতে জমা করবে এবং যারা শহরাঞ্চলে রয়েছে তারা এসডিও হতে জমা করবে আর যারা রয়েছে রাজধানীর কাছে অর্থাৎ কলকাতার বাসিন্দাদের জমা করতে হবে কলকাতা পৌরসভাতে। এখন পর্যন্ত এইরকমই নির্দেশ মিলেছে রাজ্য সরকারের থেকে। ৯ সেপ্টেম্বর এই প্রকল্প শুরু করা নিয়ে এই নিয়ম বিধি জানিয়েছে রাজ্য সরকার। বহুদিন আগে থেকে এই প্রকল্পের কথা হয়েছিল কিন্তু সেভাবে কার্যকরী হয়নি। তবে ৯ সেপ্টেম্বর এই প্রকল্পের কার্যকারিতা এবং কিভাবে চলবে তা সমস্ত তা জানিয়েছে।

একটি মন্তব্য করুন...

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন